ঢাকা, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, শুক্রবার, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ১২ শাবান ১৪৪৫ হিঃ

রকমারি

২০০০ শিল্প সামগ্রী চুরি খাস বৃটিশ মিউজিয়াম থেকে

মানবজমিন ডিজিটাল

(৫ মাস আগে) ৩০ আগস্ট ২০২৩, বুধবার, ৬:১৯ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন

mzamin

বৃটিশ মিউজিয়াম থেকে চুরি হয়ে গেছে ২,০০০টি শিল্প সামগ্রী।  যদিও দু’হাজার শিল্প সামগ্রীর মধ্যে বেশ কয়েকটি সামগ্রী ইতিমধ্যেই উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। গোটা ঘটনায় চূড়ান্ত বিব্রত বৃটিশ মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ। যাদুঘরের চেয়ারম্যান জর্জ ওসবোর্ন বলেছেন যে "প্রায় ২০০০ চুরি যাওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্থ আইটেমগুলির এখন তদন্ত করা হচ্ছে তবে তাদের মধ্যে কিছু উদ্ধার করা হয়েছে।'' পরিস্থিতিটিকে তিনি অন্ধকার মেঘের মধ্যে একফালি আশার আলো  হিসাবে বর্ণনা করেছেন। ২০২১ সালে এক ডাচ শিল্প সংগ্রাহক সবার প্রথমে বিষয়টি নিয়ে জাদুঘর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কর্তৃপক্ষ তখন জানান, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। কিন্তু ওসবোর্ন স্বীকার করে নিয়েছেন যে, সেই তদন্ত আসলে অসম্পূর্ণ ছিল। ওসবোর্ন বিবিসি রেডিও ৪ -এ একটি সাক্ষাৎকারের সময় বিবিসি বিজনেস এডিটর সাইমন জ্যাককে বলেছেন যে কিছু মানুষ সক্রিয়ভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। 

ওসবোর্ন আত্মবিশ্বাসী কিছু সৎ মানুষ হারিয়ে যাওয়া সোনার গয়না,  মূল্যবান পাথর এবং কাচের শিল্পসামগ্ৰী ফিরিয়ে দিয়েছেন মিউজিয়ামে কিন্তু বাকিরা তা নাও করতে পারে। ওসবোর্ন, যিনি ২০২১ সালের জুনে জাদুঘরের দায়িত্ব হাতে নেন, তিনি স্পষ্টত স্বীকার করে নিয়েছেন, ''আমরা দীর্ঘ সময় ধরে চুরির শিকার হয়েছি এবং স্পষ্টতই তা প্রতিরোধ করার জন্য আরও কিছু করা যেত।" তবে সেই সঙ্গে তিনি মনে করেন পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টায় একটি উল্লেখযোগ্য সমস্যা হল কতগুলি আইটেম সঠিকভাবে তালিকাভুক্ত এবং নিবন্ধিত করা হয়নি। 

আন্তর্জাতিক শিল্প সম্প্রদায়ের কিছু বিশেষজ্ঞ এই ঘটনাকে "আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ" দিক বলে অভিহিত করেছেন। ১৬ আগস্ট বৃটিশ মিউজিয়ামের প্রাথমিক ঘোষণায় বলা হয়েছে যে হারিয়ে যাওয়া এবং চুরি হওয়া আইটেমগুলি খ্রিস্টপূর্ব ১৫ শতক থেকে ১৯ শতকের মধ্যে এবং প্রাথমিকভাবে একাডেমিক ও গবেষণার উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল। 

গত কয়েক বছর ধরে সেই দুষ্প্রাপ্য শিল্প সামগ্রীরই দেখা মিলছিলো অনলাইনে বিভিন্ন বেচাকেনার সাইটে।

বিজ্ঞাপন
তখনি বিষয়টি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। চুরির পরিমাণ এবং জাদুঘরের দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্নগুলিও গ্রীস এবং নাইজেরিয়ার কর্মকর্তাদের পার্থেনন মার্বেল এবং প্রতিষ্ঠানের বেনিন ব্রোঞ্জের বৃহৎ সংগ্রহের প্রত্যাবাসনের জন্য তাদের আহ্বান জোরদার করতে প্ররোচিত করেছে।

সূত্র : artnews.com

রকমারি থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

   

রকমারি সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2023
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status