ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার, ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

অনলাইন

শুধু সালমান রুশদিই নন, তার বিতর্কিত বইয়ের অনুবাদকরাও হামলার শিকার হয়েছেন

মানবজমিন ডিজিটাল

(১ মাস আগে) ১৩ আগস্ট ২০২২, শনিবার, ২:০৩ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ৬:২২ অপরাহ্ন

বুকার বিজয়ী লেখক সালমান রুশদির ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্ব উত্তাল। নিউইয়র্কের এক ইনস্টিটিউশনে শুক্রবার সালমান রুশদির ওপর হামলা চালায় ২৪ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। অভিযুক্ত মঞ্চে উঠে রুশদির গলা, গলা ও পেটে একের পর এক ছুরিকাঘাত শুরু করে। রুশদিকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে এয়ারলিফ্ট করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। তবে রুশদির মতো বিখ্যাত লেখকের ওপর এই আকস্মিক হামলাকে ঘিরে অনেক প্রশ্ন থাকলেও সব উত্তরের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস। ১৯৮৮ সালে, সালমান রুশদির এই বইটিকে ঘিরে সমস্ত বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এই বইয়ের কারণে তিনি মৌলবাদীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন। তার মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেছিলেন ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি।

ব্রিটিশ নাগরিক হলেও সালমান রুশদির জন্ম মুম্বাইয়ে। তিনি ১৯৮১ সালে তার বই "মিডনাইটস চিলড্রেন" দিয়ে লাইমলাইটে আসেন।

বিজ্ঞাপন
এই বইটির জন্য তিনি বুকার পুরস্কার জিতেছিলেন। কিন্তু তিনি বিশ্বে পরিচিতি পান “দ্য স্যাটানিক ভার্সেস” বইটির জন্য।এই বই প্রকাশের পর রুশদি চরম প্রতিবাদের মুখে পড়েন। বিশেষ করে, তার বইয়ের একটি চরিত্রকে নিয়ে মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল, যিনি নবী মুহাম্মদকে অপমান করেছিলেন।এই বইটি লেখার জন্য ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা খোমেনি তার নামে হত্যার পরোয়ানা জারি করেছিলেন। মোটা অঙ্কের পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়।এই পরোয়ানার পর সালমান রুশদিকে ব্রিটিশ সরকার বিশেষ নিরাপত্তা দেয়। দীর্ঘ নয় বছর কঠোর নিরাপত্তায় ঘেরা ছিলেন রুশদি। ১৯৮৯  সালে রুশদিকে হত্যার চেষ্টা হয়েছিল। তাকে হত্যা করার জন্য লন্ডনের একটি হোটেলে বোমা রাখা হয়েছিল।কিন্তু রুশদি পৌঁছানোর আগেই বোমাটি বিস্ফোরিত হয় এবং হামলাকারী মারা যায়।

সালমান রুশদি বেঁচে গেলেও তার বইয়ের অনুবাদক বাঁচতে পারেননি।'দ্য স্যাটানিক ভার্সেস'-এর জাপানি অনুবাদক হিতোশি ইগারাশিকে খোমেনির ফতোয়া দেওয়ার পরপরই ১৯৯১ সালে হত্যা করা হয়েছিল। গতকাল রুশদির ওপর যেমন হামলা হয়েছে, তেমনি হিতোশিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল । একই বছরে ইতালীয় অনুবাদক ইতোরে ক্যাপ্রিওলোও আক্রান্ত হন। তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। এ ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন। নরওয়েজিয়ান প্রশাসক উইলিয়াম নাইগার্ড ১৯৯৩ সালে চারবার গুলিবিদ্ধ হন কিন্তু বেঁচে যান।

সূত্র : achinews.com
 

অনলাইন থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

অনলাইন থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং স্কাইব্রীজ প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, ৭/এ/১ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status