ঢাকা, ৪ অক্টোবর ২০২২, মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

বিশ্বজমিন

যুক্তরাষ্ট্রই ইউক্রেন যুদ্ধের ‘আসল প্ররোচনাকারী’: চীন

মানবজমিন ডেস্ক

(১ মাস আগে) ১১ আগস্ট ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ৪:২২ অপরাহ্ন

ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ি করলেন মস্কোতে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ঝাং হানহুই। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রই এই যুদ্ধের ‘আসল প্ররোচনাকারী’, তারা রাশিয়াকে ধ্বংস করতে চায়। সামরিক জোট ন্যাটোর সম্প্রসারণের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়াকে কোণঠাসা করে ফেলেছে। তারা ইউক্রেনকে মস্কো থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করেছে। এ খবর দিয়েছে আল-জাজিরা।

খবরে জানানো হয়, রুশ রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা টাস-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ঝাং। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করে বলেন, তারাই ইউক্রেনের বর্তমান সংকটের শুরু করেছে এবং তারাই এর প্রধান প্ররোচনাকারী। এরমধ্য দিয়ে তারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। একইসঙ্গে ইউক্রেনে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়ে চলেছে। তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ বজায় রাখা এবং নিষেধাজ্ঞার কবলে ফেলে রাশিয়াকে নিঃশেষ ও চূর্ণ করা। 

ইউক্রেনে আক্রমণ করা নিয়ে রাশিয়া যে যুক্তি দেখায় চীনা রাষ্ট্রদূতও সেই একই যুক্তি দেখিয়েছেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চীন-রাশিয়া সম্পর্ক ইতিহাসের সেরা সময়ে প্রবেশ করেছে।

বিজ্ঞাপন
দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের বিশ্বাস জন্ম নিয়েছে। আমাদের মধ্যে এখন যোগাযোগ এবং কৌশলগত গুরুত্ব বেড়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে বেইজিং সফর করেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। উভয় নেতা সেসময় তাদের অংশীদারিত্বে ‘কোনো সীমা’ না রাখার ব্যাপারে সম্মত হন। ওই সফরের পরেই ইউক্রেনে আক্রমণ করেন পুতিন। 

সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের সমালোচনা করেন ঝাং। তিনি বলেন, তাইওয়ানেও ইউক্রেনের মতো একই কৌশল খাটানোর চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এরমধ্য দিয়ে চীন ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে আবারও সেই স্নায়ু যুদ্ধের সময়কার মানসিকতা ফিরিয়ে আনতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি প্রতিদ্বন্দ্বীতা এবং সংঘাত ছাড়া কিছু নিয়ে আসবে না। ওয়াশিংটনের তাইওয়ান নীতির সমালোচনা করে ঝাং আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার সবচেয়ে মৌলিক নীতি হলো কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা।
 

পাঠকের মতামত

আমেরিকান সরকার সবসময়ই অমানবিক হিংসুক যুদ্ধবাজ।অন্যদেশের উন্নতিতে তার সারথো জড়িত না থাকলে আক্রমণ প্রবন আগ্রাসনে তারা বিশ্বাসি।ইরাক লিবিয়া সিরিয়া ইরান তার উতকিরষঠো উদাহরন ।আজ তারা ইউক্রেন কে নূতন করে ১০ই আগস্ট ২০২২ ঘোষনা দিয়েছে এক বিলিয়ন ডলার এবং সফিসটিকেটেড গাইডেড মিজাইল দেওয়ার ,এর ফলে যুদ্ধ প্রলম্বিত হবে এবং সারা বিশ্ব চরম সংকটের দিকে আরো নিমজ্জিত হবে যা আমাদের মতো ৩য় বিশ্বের দেশগুলির টিকে থাকার সংকটকে আরো কঠিন করে তুলবে।এমন কি যে আমেরিকায় আমরা প্রতিদিন নিত্য প্রয়জনিয় জিনিষের মূল্য বিরদবিজনিত কারনে চরম সংকটে পতিত যেমন জালানি তেলের দাম যদিও গড়ে পাঁচ ডলার গ্যালন থেকে টেকসাসের ডালাসে তিন ডলার পনচাশ সেনটে নেমে এসেছে (বাইডেন চাচার ব্যর্থ সৌদি এবং আবুধাবি সফর এর পর নিজেদের রিজার্ভ থেকে তেল উত্তোলনের এবং বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্তে যা নিজেদের দেশের অর্থনৈতিক মন্দা ঠেকাতে কাজ করছে)তার পরও নিত্য পরয়জনিয় প্রতিটি জিনিষ চাল ডিম দুধ পেয়াজ সবজি তেল লবন থেকে ফল মূল সাংঘাতিক মূল্য বেড়েছে তিন ডজন ডিমের Crat যুদ্ধের আগে যেখানে ছিলো কসটকো বা সেমস ক্লাবের মতো চেইন স্টোরে ছয় ডলার সেখানে বর্তমানে চৌদ্দ থেকে ষোল ডলার ।সবচেয়ে সস্তার সাদা ডিম জার্মান চেইন স্টোর ALDI তে বিক্রি হতো ডজন এক ডলারে সেখানে এখন ডিম বিক্রি হয় দুই ডলার ষাট সেনটে।পেয়াজ এর ঝাঁজ এখানেও পৌচেছে আগে গত ফেব্রুয়ারি ২২ এও তিরিশ সেনট এক পাউন্ড মানে আধাকেজির মতো পেয়াজ পাওয়া যেতো এখন তা ডলারের উপর কিনতে হচ্ছে এর উপর নিত্য পরয়জনিয় জিবন যাপনে কমোডিটি সার্ভিস এবং উপসর্গের মূল্য বিরদবির ফলে মানুষ এই ধনি রাস্ট্রের অশুভ হিংসাপরবন নীতির ফলে ভুগছে। এই Proxy war আমেরিকানরা যদি রাশিয়ার সাথে না করতো আজ নিজদেশ তথা সারা বিশ্বে এই দূরদিন দেখতে হতো না।চিন যথার্থই বলেছে এই যুদ্ধ আমেরিকানদের তৈরি এবং আমার বিশ্বাস ইউক্রেনের কোন ক্ষমতাই ছিলো না এককভাবে রাশানদের মোকাবিলা করার। দেখা যেতো রাশিয়া তার একটি তাবেদার পুতুল সরকার প্রতিষ্টা করে একমাসের মধ্যেই ইউক্রেন ত্যাগ করতো কিন্ত আমেরিকা আর তার মিত্র ইউরোপের বহুরূপি মিত্ররা যারা একদিকে রাশিয়ার সাথে গ্যাস বানিজ্য করছে তলে তলে খাদ্য আমদানি করছে অথচ যুদ্ধে আমেরিকার সাথে উসকানি দিচ্ছে এরাই আমি বলবো সারা বিশ্বে Crisis's creator inhuman Champion. এদের গভির ষড়যন্ত্রের এজেনডা আছে বিশ্বের সমস্ত উননয়নশীল দেশগুলিকে আবার পনচাশ বৎসর পিছিয়ে দিয়ে যাতে তাদের ছডি ঘোরানোর ব্যবসতা পাকা থাকে এরা কেউ চায় না ৩য় বিশ্বের কোন দেশ তাদের গরিবি থেকে মাথা তুলে দাড়াক।যেহেতু রাস্ট্র হিসাবে তাদের অর্থনৈতিক অবস্তা সুসংহত এবং অফুরন্ত রিজার্ভ এর ভান্ডারে পূর্ন কাজেই তাদের দেশে জিনিষ পত্রের মূল্য বাড়লেও পরে তা তারা কন্ট্রোল করতে পারে যা আগেও দেখা গেছে প্রসংগতভাবে আমার দেশের অবস্তা দিনকে দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে এবং খুব বাজে মূল্য দিতে হবে যেমন বাংলাদেশে যার সনচয় একলক্ষ টাকা ছিলো টাকার অবমূল্যায়নের ফলে তা তিন মাসের ব্যবধানে নব্বই হাজার টাকার নিচে নেমে গেলো সে কোথা থেকে তার হারিয়ে যাওয়া এগারো হাজার টাকা ফেরত পাবে ?এখন এই টাকার মানের পতন কোথায় যেয়ে ঠেকবে কেউ বলতে পারে না ।ঢাকায় পত্রিকাতে পড়লাম ডলার ১২০ টাকায় পৌচেছে ।কি অসম্ভব অবস্তা এর সাথে আমাদের দেশের নৈরাজ্য দূরনিতীতো আছেই এই অবস্তায় ক্ষমতাশালীরা ডলার কিনে ভয়ে জমা করছে এবং প্রতিদিন নিউইয়র্ক এর জ্যকসন হাইটস এর হুন্ডির কারবারিরা কোটি কোটি ডলার এর ব্যবসা করছে (আই মি ইট) লাখ লাখ ডলার নয়।বাংলাদেশ ব্যাংক যদি পরদিন পনচাশ মিলিয়ন ডলার কার্ব মার্কেটে ছাড়ে পরেরদিনই তা শেষ হয়ে যাবে এটা চাহিদা নয় এক শ্রেনির মানুষের কাছে থাকা লুটপাটের অবৈধ টাকার ডলারে এবং সোনায় রুপান্তর।সরকারের সদিচ্ছা থাকলে একসপতাহ কার্ব মার্কেটে এবং ব্যাংক গুলিকে ডলার সাপ্লাই বনধ করুক দেখেন কি হয় , একসপ্তাহে আমাদিনির নামে এলসি খোলা বন্ধ করলে জাতি না খেয়ে মরবে না কিন্তু প্রমান হবে কারা ডলার দূরনীতিতে জড়িত (দুখ্যিত অপারসংগিকভাবে নিজ দেশের সমষ্যাকে নিয়ে আসার জন্য) ইউক্রেন এর এই দীর্ঘ যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ দায়ী আমেরিকান হিংসুক সরকার এবং তার দোষররা ,যার কোন সমাধান ঠুটো জগন্নাথ জাতিসংঘ দিতে পারেনি।বাংলাদেশের মতো ৩য় বিশ্বের উননয়ণশীল দেশগুলি আবার আন্তর্জাতিক দুষ্ট মারপেচে পড়ে গভির সংকটের দিকে ধাবিতো হলো সেটাই আমাদের নিদারুন মনোকষ্টের কারন।

Mustafa Ahsan
১১ আগস্ট ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৯:৫৩ পূর্বাহ্ন

আমি অনেক আগেই বলেছি।

Mohiuddin
১১ আগস্ট ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন

বিশ্বজমিন থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

বিশ্বজমিন থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং স্কাইব্রীজ প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, ৭/এ/১ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status