রিসেট

দেশের শ্রম আইনকে আইএলও’র মানদণ্ডে নিয়ে যেতে চায় সরকার

প্রকাশিত: ৬ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার), ২০২৫ Archive 2022Source: স্টাফ রিপোর্টার

অন্তর্বর্তী সরকার দেশের শ্রম আইনকে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মানদণ্ডে নিয়ে যাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, আমরা ইতিমধ্যে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। খুব শিগগিরই পরিবর্তন দেখতে পাবেন। গতকাল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে পোশাক কারখানায় নিরাপদ কর্মস্থলের উন্নয়নে কাজ করে যাওয়া ‘নিরাপন’র নেতৃবৃন্দ সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ‘নিরাপন’র চেয়ারম্যান সাইমন সুলতানা এবং স্বতন্ত্র পরিচালক তপন চৌধুরী। এসময় পশ্চিমা শীর্ষ ব্র্যান্ড এবং রিটেইল বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। নিরাপন একটি শিল্প-প্রধান অলাভজনক সংগঠন, যা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে একটি নিরাপদ কর্মপরিবেশ বা নিরাপত্তার সংস্কৃতি তৈরিতে কাজ করছে। এতে নিরাপনকে সহযোগিতা করছে বিভিন্ন গ্লোবাল ব্র্যান্ড, রিটেইলার, ম্যানুফ্যাকচারার ও এনজিও। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ইতিমধ্যে শ্রমিক সংগঠন ও কারখানা মালিকদের সঙ্গে ১৮ দফা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা এই খাতে স্থিতিশীলতা এনেছে এবং পোশাক রপ্তানি বাড়াতে সাহায্য করছে। সাইমন সুলতানা গার্মেন্টস শিল্পে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি উল্লেখ করেন তার সংস্থার স্থানীয় অংশীদার ব্র্যাক এবং ‘আমাদের কথা’র সঙ্গে যৌথভাবে কারখানায় নিরাপদ কর্ম পরিবেশ তৈরিতে উদ্ভাবনমূলক সরঞ্জামাদি ব্যবহারে সহায়তা করে যাচ্ছে। ব্র্যান্ড প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের পোশাক কারখানা নিরাপদ কর্মস্থল হিসেবে উন্নতি হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন উপস্থিত ছিলেন।