অর্থ-বাণিজ্য
বীমা খাতে প্রতারণা সুযোগ নেই: সচিব সলীম উল্লাহ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
(৯ মাস আগে) ২১ নভেম্বর ২০২৩, মঙ্গলবার, ৬:৪৯ অপরাহ্ন
বীমা খাতে প্রতারণা বা মিথ্যার আশ্রয় নেয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ। তিনি বলেন, বীমা খাত এমন একটি খাত যেখানে মানুষের আস্থা প্রয়োজন।
সোমবার আইডিআরএ আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে করপোরেট গভর্ন্যান্স গাইডলাইন নিয়ে আয়োজিত এ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নুল বারী। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম (বিআইএফ)’র প্রেসিডেন্ট ও পুপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী বি এম ইউসুফ আলী।
শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ বলেন, একাউন্টিংয়ের পরিভাষায় বীমা হলো- অন গোয়িং কনসার্ন; এটি চলবেই। আর যদি চলতেই হয় তাহলে তাকে চলার আদলেই থাকতে হবে। যদি কেউ এখানে আসেন তাকে থাকতে হবে। আর যদি কেউ ব্যবসা গুটাতে চায় তাহলে তাদের এখানে না আসা উচিত। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের এই সচিব বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়বে। একইসাথে বাড়বে ঝুঁকি। প্রয়োজন হবে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাও। আর এ জন্য প্রয়োজন বীমার।
তিনি বলেন, বর্তমানে ৮১টি কোম্পানি আছে, আরও বীমা কোম্পানি আসবে। এখানে ডিমান্ড (চাহিদা) আছে তাই সাপ্লাই (সরবরাহ) প্রয়োজন। তবে প্রতারণা বা মিথ্যার আশ্রয় নেয়ার সুযোগ নেই।
অন্যান্য কোম্পানির চেয়ে বীমা কোম্পানি পৃথক ও উন্নত উল্লেখ করে শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ বলেন, দু’একটি কোম্পানির কারণেও এই অবস্থান নষ্ট হতে পারে। বীমা খাতের অবস্থানকে ধরে রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতে হবে।
অনুষ্ঠানের বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নুল বারী বলেন, বাংলাদেশের বীমা খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো বীমা কোম্পানিগুলো করপোরেট গভর্নেন্সের অভাব। এর ফলে অনেক কোম্পানি আর্থিক সংকটে পড়ে বীমা দাবি পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। এজন্য কর্তৃপক্ষের একার পক্ষে এ গাইডলাইন বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়, সকলের সদিচ্ছা ও ইতিবাচক মানসিকতা দ্বারাই করপোরেট গভর্নেন্স বাস্তবায়ন সম্ভব বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
বিআইএফ’র প্রেসিডেন্ট বি এম ইউসুফ আলী বলেন, বীমা কোম্পানির সিইওদের নেতৃত্বে কোনো টাকা চুরি হয় না। বীমা খাতে দুর্নীতি-অনিয়মের জন্য সিইওরা দায়ী নয়। চাকরির নিরাপত্তা পেলে বীমা খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সিইওরা ভূমিকা রাখতে পারবে।