পরিশ্রম ছাড়া কিছু হয় না। সেটা কমবেশি সবাই জানে। পরিশ্রমের মাধ্যমে ভাগ্য বদলা করা তেমনই একজন সংগ্রামী উদ্যোক্তা হলেন নাদিমুল ইসলাম (Nadimul Islam)। তিনি দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন অনেক আগে থেকে। অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন তার বাবা।
বাবার অনুপ্রেরণায় এখন নাদিমুল ইসলাম কাজ করে যাচ্ছেন একাধারে মানুষের সেবায়। তিনি বলেন, জীবনে চলার পথে প্রত্যেক সন্তান তার বাবাকে অনুসরন করে, আমিও তার ব্যাতিক্রম নয়। যতদুর মনে পড়ে শৈশবে বাবাকে দেখেছি তার অক্লান্ত পরিশ্রমে একজন সফল উদ্যেক্তা হওয়া যায়। ছোট বেলা থেকে অদম্য ইচ্ছা ছিল একজন ছোট উদ্যেক্তা থেকে বড় উদ্যেক্তা হওয়ার, সেই জন্য প্রয়োজন আবেগ, ভালোবাসা, কর্মনীতি, নেতৃত্ব, নেটওয়ার্কিং এবং ঝুকি গ্রহন। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ধান ও চাল সংগ্রহ করে আমার প্রতিষ্ঠানে প্রক্রিয়াজাত করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবারাহ করে থাকি। খাদ্য উৎপাদন কারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমার প্রতিষ্ঠানের যথেষ্ট সুনাম ও কৃতিত্ব রয়েছে। আমার অভিজ্ঞতা, আকাঙ্খা, চাহিদাকে সামনে রেখে সংযুক্ত করেছি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যে গুলোতে কর্মসংস্থান করেছি অনেক মানুষের। তাদের সকলের সহযোগিতা পরিশ্রম ও ভালোবাসা এবং আমার পরিশ্রম এবং মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালার রহমত। তিনি বলেন, একাধিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১.নজরুল অটো রাইস মিল ২.নজরুল অটো রাইস মিল ইউনিট-৩, ৩. নাদিম অটো রাইস মিলস, ৪.নজরুল ডেইরি ফার্ম ৫.নজরুল ফিশ ফার্ম, ৬.নজরুল আম বাগান, ৭.নজরুল ফাউন্ডেশন, ৮. নজরুল পরিবহনকে অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। সূদীর্ঘ পথ চলায় কাউকে পাশে পেয়েছি কারো ঘৃনা পেয়েছি আবার কারো মন থেকে দোয়া পেয়েছি। একটা বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে যদি লক্ষ্য থাকে অটুট বিশ্বাস হৃদয়ে তাহলে বিজয় নিশ্চিত,লক্ষ্য হীন জীবনের কোনো মূল্য নেই। সবার সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে আরো বৃহৎ আকারে কর্ম পরিকল্পনা গ্রহন করতে পারবো এবং অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করি। বাবার হাজারো স্বপ্নের মধ্য ইসলামী সমাজ সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার জন্য নজরুল এতিম খানা ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করছি। আশা করি খুব অল্প সময়ের মধ্যে সবার ভালবাসা আর সহযোগিতা পেলে প্রতিষ্ঠানটি শুরু করছি।
