ঢাকা, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, মঙ্গলবার, ২৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৫ রজব ১৪৪৪ হিঃ

অর্থ-বাণিজ্য

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে এলো রিজার্ভ চুরির মামলার রায়

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

(৩ সপ্তাহ আগে) ১৬ জানুয়ারি ২০২৩, সোমবার, ৬:৩৫ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন

mzamin

সাইবার হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া রিজার্ভের মামলার রায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে এসেছে। এখন থেকে চুরির সাথে জড়িত ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি) ও অন্যান্য ১৮ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মামলা পরিচালনায় কোনো বাধা থাকলো না। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, সাইবার হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক নিউইয়র্কে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি হওয়া অর্থ উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সুপ্রিম কোর্টে (স্টেট কোর্ট) আরসিবিসি ও অন্যান্য ৬ জন বিবাদীর দায়ের করা ‘মোশন টু ডিসমিস’ আবেদন ১৩ই জানুয়ারি আদালত খারিজ করে দেয়। একইসঙ্গে অভিযুক্ত কিম অং এর দায়ের করা মোশন টু ডিসমিসও খারিজ করে আদালত। এর ফলে মামলা পরিচালনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের আর কোনো বাধা থাকলো না।

এর আগে ২০১৯ সালে চুরি হওয়া অর্থ উদ্ধারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ফর দি সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট অব নিউইয়র্কে আরসিবিসিসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলাটি দায়েরের পর আরসিবিসিসহ ৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ‘মোশন টু ডিসমিস’ আবেদন করেছিল। এরপরে ২০২০ সালের মার্চ মাসে ফেডারেলা আদালত ফিলিপাইনের বিভিন্ন বিবাদীর দায়ের করা আবেদন খারিজ করে দিয়ে মামলাটি ফেডারেল কোর্টের পরিবর্তে স্টেট কোর্টে পরিচালনা নির্দেশ দেয়।

এর পরে বাংলাদেশ ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সুপ্রিম কোর্টে আরসিবিসিসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এখানে মামলাটি দায়ের করার পর ৬ জন বিবাদী ফেডারেল কোর্টের মতো মোশন টু ডিসমিস আবেদন করে। বিবাদী পক্ষের আবেদনের বিষয়ে ২০২১ সালের ১৪ই জুলাই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৩ই জানুয়ারি স্টেট কোর্ট বিবাদীদের দায়ের করা মোশন টু ডিসমিস খারিজ করে দেয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে নিউইয়র্কের ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ১ হাজার ৬২৩ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮১০ কোটি টাকা) চুরির ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন
এর মধ্যে দুই কোটি ডলার শ্রীলঙ্কা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি আট কোটি ডলারের বেশি ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংক হয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চলে যায়। ওই অর্থ এখনো ফেরত পায়নি বাংলাদেশ। সেই অর্থ উদ্ধারেই মামলা চলছে নিউইয়র্কের আদালতে।

পাঠকের মতামত

আমেরিকানপ্যাডারের জুরি জর্জ কোর্টের এরাই ভ প্রমাণিত হয় যে ফেডারেল ডিজার্ভের তসরুপ হওয়া অর্থ ওদের সরকারের প্রচেষ্টার কোন কমতি নেই এবং যেভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থনৈতিক বিভাগ চেষ্টা করে আসছি তাতে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস যে পাচার কৃত টাকা দেশে ফিরে আসবে এবং জামাত শিবির ও দেশদ্রোহীদের অপপ্রচার বন্ধ হবে।

HM Babul Chowdhury
২০ জানুয়ারি ২০২৩, শুক্রবার, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন

অর্থ-বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

অর্থ-বাণিজ্য সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status