ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ১৫ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

বিশ্বজমিন

সৌদি আরব থেকে অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় নেয়া দুই বোনের রহস্যজনক মৃত্যু

মানবজমিন ডেস্ক

(১ মাস আগে) ১৩ আগস্ট ২০২২, শনিবার, ১২:০৫ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন

গত ৭ই জুন সিডনির একটি অ্যাপার্টমেন্টে খোঁজ নিতে যান অস্ট্রেলিয়ার কর্তৃপক্ষ। কারণ তিন মাস ধরে তাদের কেউ দেখতে পাচ্ছিল না। তাদের বাড়ি ভাড়া বাকি পড়ে আছে আবার বাসার বাইরেও চিঠির স্তুপ জমে আছে। এগুলো দেখেই সন্দেহ হয় কর্তৃপক্ষের। তারা তালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে। ভেতরে গিয়ে তারা যা দেখে, তার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিল না তারা। 

বিবিসি জানিয়েছে, ওই বাসায় থাকতো সৌদি আরব থেকে আসা দুই বোন। তাদের দুই জনের মরদেহ পাওয়া যায় ভিন্ন দুটি রুমে। মারা যাওয়ার পর সপ্তাহের পর সপ্তাহ কেটে গেলেও কেউ তাদের খোঁজ নিতে আসেনি। কিন্তু তাদের মৃত্যুকে ঘিরে জন্ম নিয়েছে আরও বড় রহস্যের। দুই মাস কেটে গেলেও কোনোভাবেই তাদের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানা যাচ্ছে না। 

মারা যাওয়া দুই বোনের একজন আসরা আব্দুল্লাহ আলসেহলি (২৪) এবং অপরজন আমাল আব্দুল্লাহ আলসেহলি (২৩)।

বিজ্ঞাপন
তাদের বাসায় কেউ জোরপূর্বক ঢুকেছে এমন প্রমাণ নেই। তাদের দেহেও কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। এমনকি তাদের বিষ খাওয়ানো হয়েছে সেই প্রমাণও পাওয়া যায়নি। তাহলে তারা মারা গেলো কীভাবে? পুলিশ এই ঘটনাকে ‘সন্দেহজনক’ এবং ‘অস্বাভাবিক’ বলে চিহ্নিত করেছে। তারা এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে যদি কোনো একটা ক্লু পাওয়া যায়। এ নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা ক্লাউডিয়া আলক্রোফট সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এই মেয়েদের সম্পর্কে বেশি কিছু জানি না। আমরা আশা করছি, কেউ একজন আমাদের তদন্তে সাহায্য করবেন। 

জানা গেছে, ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় চান ওই দুই বোন। তবে তারা কী কারণে আশ্রয় চেয়েছিলেন তা কর্তৃপক্ষ জানায়নি। তবে তাদের পরিবারের সদস্যরা তাদের হত্যা করেছে এমন কোনো প্রমাণ পুলিশ পায়নি। ওই দুই বোন অস্ট্রেলিয়ায় ট্রাফিক কন্ট্রোলার হিসেবে কাজ করতো। পাশাপাশি একটি ভোকেশনাল স্কুলে পড়াশুনাও করতো তারা। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, নিজেদের বিষয়ে খুব বেশি কিছু বলতো না তারা। 

বিষয়টি নিয়ে পুলিশ এখনও স্পষ্ট কিছু বলছে না। তবে এরইমধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় কেসটি সবার আগ্রহে পরিণত হয়েছে। এটি আত্মহত্যা ছিল নাকি হত্যা? নাকি অন্যকিছু! স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বিভিন্ন তত্ত্ব দিয়ে চলেছে। তবে পুলিশ সেগুলোর প্রমাণ নিশ্চিত করেনি। একটি অস্ট্রেলীয় গণমাধ্যম দাবি করেছে, মৃতদের একজন সমকামি ছিলেন এবং পরিবারের ভয়ে ভীত ছিলেন। এবং অন্যজন ধর্মে বিশ্বাস করতেন না। সৌদি আরবে সমকামিতা এবং ধর্মহীনতা এখনও অবৈধ।
 

পাঠকের মতামত

জ্বিনের কাজ ।

Buazizi
১৪ আগস্ট ২০২২, রবিবার, ৩:১৫ পূর্বাহ্ন

“সৌদি আরবে সমকামিতা এবং ধর্মহীনতা এখনও অবৈধ।” এই শেষ কথাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। লেখক সমকামিতা ও ধর্মহীনতার বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন। অশিক্ষিতরা জানে না যে এগুলো কুরআনে উল্লেখিত অপরাধ।

এম এ জিন্নাহ
১৪ আগস্ট ২০২২, রবিবার, ২:২০ পূর্বাহ্ন

খুব ভালো কাজ দুনিয়া হারাইলো,পরকালো হারায়লো,

দেলোয়ার হোছেন খান
১৩ আগস্ট ২০২২, শনিবার, ৯:৫৪ পূর্বাহ্ন

এ কুল ও কুল দো কুল হারা না ঘরকা না ঘাটকা। যে ইবলিছের প্ররোচনায় ছেড়ে ছিল ঘর সে ইবলছ‌ও এখন পর। দেশ, ধর্ম ঘর পরিবার সবার মুখে কালি মেখে নরক বাস দুনিয়া থেকেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।

নূর মোহাম্মদ এরফান
১৩ আগস্ট ২০২২, শনিবার, ৩:৪৬ পূর্বাহ্ন

Australia এর দেশের মত দেশে যদি এর (সাধারণ মানুষের) ক্লু না পাওয়া যায় তবে বিশ্বাস করতে হবে ভূতে অথবা জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে, যেমন মারা গিয়েছেন সউদী সাংবাদিক বছর ২ আগে ! তবে ওদের মরা নিয়ে ভাবার কিছুই নেই, কারণ তারা হয়ত উল্লেখযোগ্য ব্যাক্তি না বা দেশের নাগরিক হিসাবে যোগ্য ব্যাক্তি নন যে কাউকে দোষী করে শাস্তির ব্যবস্থা করা যাবে ?

khokon
১৩ আগস্ট ২০২২, শনিবার, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন

বিশ্বজমিন থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

বিশ্বজমিন থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং স্কাইব্রীজ প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, ৭/এ/১ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status