ঢাকা, ১৯ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ৪ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২০ মহরম ১৪৪৪ হিঃ

অর্থ-বাণিজ্য

হুন্ডির টাকা অবৈধ বলবো না, সেটি কালো টাকা: অর্থমন্ত্রী

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

(২ সপ্তাহ আগে) ৩ আগস্ট ২০২২, বুধবার, ৫:০৩ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ১২:০৩ অপরাহ্ন

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, যারা হুন্ডির মাধ্যমে টাকা আনে তারা বিবেকের কাছে দায়ী থাকবেন। বুধবার ভার্চ্যুয়ালি অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

হুন্ডিতে না পাঠিয়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠাতে প্রবাসীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা সবসময় অফিসিয়াল চ্যানেলে বিদেশ থেকে টাকা আসুক সেটা প্রত্যাশা করি। কারণ এটার যে সুফল সেটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। হুন্ডির মাধ্যমে যদি টাকা নিয়ে আসেন সেটিকে অবৈধ বলবো না, সেটি কালো টাকা। যারা সেই টাকা হুন্ডির মাধ্যমে নিয়ে আসেন, তারা সবসময় বিবেকের কাছে দায়ী থাকবেন। তাদের আস্তে আস্তে অনেক টাকা হয়ে গেলে সেটি কিন্তু রেকর্ড করতে পারছেন না, কারণ হুন্ডির টাকা। কখনও ইনকাম ট্যাক্স বা রেগুলেটরি অথরিটি এ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে জবাব দিতে পারবেন না।

হুন্ডিতে টাকা পাঠানোর পরিমাণ বেড়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, হুন্ডি তো আছেই। এখনও হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পয়সা আসে। যাতে করে কম আসে সেটি নিরুৎসাহিত করতে আমরা তাদের সুফলটা বলছি। প্রধানমন্ত্রীও সেটি করছে।

বিজ্ঞাপন
রেমিট্যান্স আমাদের অন্যতম একটি খাত। আমাদের রপ্তানি বাণিজ্যের পরে রেমিট্যান্স অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে এবং অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। আমি মনে করি এটি আমাদের জন্য ভালো লক্ষণ।

হুন্ডিতে কী পরিমাণ টাকা আসে সেটির কোনো পরিসংখ্যান আছে কিনা জানতে চাইলে মুস্তফা কামাল বলেন, আমার এ মুহূর্তে কোনো ধারণা নাই। আমি আগে একটি স্টাডি করে দেখেছিলাম, প্রায় কাছাকাছি অফিসিয়াল চ্যানেলে এসেছে ৫১ শতাংশ, আর হুন্ডিতে এসেছে ৪৯ শতাংশ। সেজন্য আমি মনে করি সেই ধারাবাহিকতা এখনও আছে। আমরা যদি অফিসিয়াল চ্যানেলে আনতে পারি। অর্থাৎ অফিসিয়াল চ্যানেল আনলে তো লস হচ্ছে না। তাদের জন্য প্রণোদনা না শুধু, স্বীকৃতিও দেয়া হচ্ছে। তাদের ভবিষ্যত প্রজন্মও কিন্তু এটি সুন্দভাবে ভোগ করতে পারবে। এতে প্রশ্ন বা দায়বদ্ধ থাকবে না।

পাঠকের মতামত

আমি প্রবাসে আছি দীর্ঘদিন। এমনকি দুই তিন বছর বাংলাদেশে সোনা আনার কাজও করেছি। আমাদের সোনা ব্যবসায়ীদের পুরোটাকাটাই হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন হয়। তখন হুন্ডির লেনদেন কে আমার কাছে স্বাভাবিক মনে হত। একটা দেশের জন্য ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আসা কত দরকার তা শ্রীলংকাকে দেখে বুঝলাম। আমাদের মন্ত্রীদের উলটা পাল্টা কথা না বলে প্রবাসীদের কাছে অনুরোধ করা উচিৎ সকল প্রবাসী যেন বৈধ পথে টাকা পাঠায়। যা দেশকে বাচাতে পারে দেউলিয়া হতে। দেশ দেউলিয়া হলে দেশের জনগনের কোন দাম নেই।

rafiq
১৫ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ১২:৪২ অপরাহ্ন

'' হুন্ডির টাকা অবৈধ না'' , ভাইয়েরা চিন্তা করুন, এই হল আমাদের তথাকথিত অর্থমন্ত্রী ।

Rakib
৮ আগস্ট ২০২২, সোমবার, ৯:২৫ অপরাহ্ন

সরকার যখন সস্তা বেতনে মধ্যপ্রাচ্চে কর্মি পাঠায়,সেই বেতনে তাদের খাবার খেতেই হিমসিম খেতে হয়।তারা নিরুপায় হয়ে বাহিরে বিভিন্ন মাধ্যমে ওভারটাইম হিসাবে কাজ করে,এটাকে আমরা বৈধ বললেও এখানকার সরকার এটাকে তাদের আইন লংঘন বলে ধরে দেশে পাঠিয়ে দেয়।আমাদের সরকার কোন ব্যবস্থা আজ পর্যন্ত নেয় নাই।বাহিরে কাজ করে বেতনের পরের টাকাটা ব্যাংকে পাঠাতে গেলেই এই দেশের আইনের নজরে পড়ে যাই।জবাবদিহি করতে হবে এত টাকা কোথায় পেলাম?যদি বলি কোম্পানির কাজের পড়ে অন্য কোথাও অভারটাইম কাজ করে ইনকাম করেছি।তখন শুরু হবে এ দেশের আইনে বিচার।তো হুন্ডি করবে না তো কি করবে,নাকি এদেশের পুলিশের মার খাবে?আশা করি এমন বিষয় নিয়ে মানবজমিন কে একটা প্রতিবেদন প্রকাশ করার অনুরোধ করছি।আমরা বেতনের বাইরের টাকা টা ব্যাংকে পাঠাতে পারিনা।আইনে আমাদের হাত পা বাধা।আমি অবশ্য ব্যাংকে পাঠাই, বেতন কমতো তাই।সত্য টা বলার চেষ্টা করলাম।ধন্যবাদ।

Afzal Ahmed
৩ আগস্ট ২০২২, বুধবার, ১০:৪০ অপরাহ্ন

জনাব-আমরা কোনোদিন হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠাইনা, তবুও বলতে হয় আপনি কি ভাবে বলেন হুন্ডির মাধ্যমে যদি টাকা নিয়ে আসেন সেটিকে অবৈধ বলবো না, সেটি কালো টাকা। আপনারা কি ভাবে ক্ষমতায় আছেন সেটা অবৈধ কালো দুটোই, অন্যকে বলেন টাকা হুন্ডির মাধ্যমে নিয়ে পাঠালে, তারা সবসময় বিবেকের কাছে দায়ী থাকবেন। আপনারা কি বিবেকের কাছে দায়ী নয়, প্রবাসীরা এয়ারপোর্টে মাথা করে মালামাল নিয়ে বাহিরে আসতে হয়, প্রবাসীদের টাকা আপনারা এসি রুমে বসে আছেন।

N.Huda
৩ আগস্ট ২০২২, বুধবার, ৭:২৪ পূর্বাহ্ন

অর্থ-বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

অর্থ-বাণিজ্য থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status