ঢাকা, ৩ এপ্রিল ২০২৫, বৃহস্পতিবার, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৩ শাওয়াল ১৪৪৬ হিঃ

প্রথম পাতা

দল গঠনের প্রক্রিয়ায় ছাত্র আন্দোলনের নেতারা

মুনির হোসেন
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবারmzamin

ছাত্র-জনতার রক্তাক্ত অভ্যুত্থানের পর দেশের চলমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি উঠেছে নানাদিক থেকে। বিপ্লব-পরবর্তী নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোও কাঠামো ও নীতিগত পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। বিদ্যমান বাস্তবতায় আসছে জাতীয় নির্বাচনে লড়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছেন ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া নেতারা। ইতিমধ্যে তাদের তৎপরতা শুরু হয়েছে। একটি রাজনৈতিক দল বা প্ল্যাটফরম তৈরির লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগও করছেন ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠা জাতীয় নাগরিক কমিটিতে থাকা নেতৃবৃন্দ এবং বাইরের বিভিন্ন দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠন হতে পারে নতুন দল বা প্ল্যাটফরম। এতে সরাসরি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্পৃক্ততা থাকবে না। তবে নেতারা কেউ কেউ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবেন। 

ছাত্র আন্দোলনের নেতারা ইতিমধ্যে কয়েকটি দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। শনিবার বিএনপি’র একজন সিনিয়র নেতার সঙ্গে তারা আলোচনা করেন। ওই আলোচনায় সরকারের তিন জন উপদেষ্টা ছিলেন বলে জানা গেছে। তিন উপদেষ্টার মধ্যে দু’জন ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। 
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যে নতুন দল গঠনের প্রক্রিয়াকে কেউ কেউ আবার ভিন্নভাবেও দেখছেন। 

জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন মানবজমিনকে জানিয়েছেন, জাতীয় নাগরিক কমিটি সিভিল সোসাইটির কাজগুলোই করবে। কিন্তু এখান থেকে একটা অংশ যারা রাজনীতিতে আগ্রহী তারা মিলে একটি রাজনৈতিক দল হতে পারে। 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা এ বিষয়ে মানবজমিনকে বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কোনো রাজনৈতিক দলে রূপ দেয়া হবে না বলে আমরা একটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। আমরা আমাদের সংগঠনকে সে রকমই রাখতে চাই। তবে কেউ যদি আলাদাভাবে নির্বাচন করতে চায় সেটি তারা করতে পারেন। 

সূত্রমতে, দল গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছুদিন থেকে কাজ করছেন ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। তারা মনে করেন, বিপ্লব পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে মানুষ নতুন রাজনৈতিক শক্তিকে দেখতে চায়। যারা অভ্যুত্থানের চেতনাকে লালন করবে এবং সব শ্রেণি- পেশার মানুষের অংশীদারিত্বে আগামীর বাংলাদেশকে গঠন করতে প্রস্তুত। দল, মত, ধর্ম ও পথের ঊর্ধ্বে উঠে যারা ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ প্রশ্নে কাজ করবে। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপোষহীন থাকবে। 
কার্যক্রম জোরদার করতে জাতীয় নাগরিক কমিটির ব্যানারে সারা দেশে থানা কমিটি গঠন করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে অভ্যুত্থানে যারা কাজ করেছে তাদের সংঘবদ্ধ করতেই এ কমিটি। কমিটি গঠনে ৯ দফা দিকনির্দেশনাও দেয়া হয়। যেখানে ২৫ শতাংশ নারী, ৫ শতাংশ শহীদ পরিবার/ আহত অভ্যুত্থানকারী, ৫ শতাংশ সংখ্যালঘু, ৫ শতাংশ কৃষক, শ্রমিক শ্রেণি এবং এলাকাভিত্তিক সকল জাতিসত্তার প্রতিনিধিত্ব রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়। বয়স নির্ধারণ করা হয় সর্বোচ্চ ৫০ বছর। আর পঞ্চাশোর্ধ নাগরিকরা একটি পরামর্শক কমিটির মাধ্যমে নাগরিক কমিটির সঙ্গে কাজ করবেন বলেও জানানো হয়। কমিটি গঠনের পর স্ব স্ব এলাকায় মতবিনিময় সভাও করছেন তারা। এ ছাড়াও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনও সারা দেশে কমিটি দিচ্ছে এবং সভা- সমাবেশ করে যাচ্ছে। সেখান থেকেও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের বিষয়টি আলোচনা হচ্ছে। 

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে সমন্বয়ের কাজ এবং উভয়ের কাছে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের প্রস্তাব পৌঁছে দিতে গত ৮ই আগস্ট গঠন করা হয় লিয়াজোঁ কমিটি। সেদিন উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেয়ার আগ মুহূর্তে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ছয় সদস্যের লিয়াজোঁ কমিটি ঘোষণা করেন। যেখানে সদস্য করা হয়- মাহফুজ আলম, নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, ভূঁইয়া আসাদুজ্জামান, আকরাম হোসাইন ও মামুন আব্দুল্লাহকে। সেদিন সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম বলেন, লিয়াজোঁ কমিটি আগামী বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের লক্ষ্যে সকল অংশীজনের সঙ্গে সংলাপ ও প্রস্তাবনার কাজ করবে। লিয়াজোঁ কমিটি গঠনের ঠিক এক মাস পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ৮ই সেপ্টেম্বর আত্মপ্রকাশ ঘটে জাতীয় নাগরিক কমিটির। লিয়াজোঁ কমিটির একাধিক সদস্যের সমন্বয়ে এই কমিটির আত্মপ্রকাশ হয়। ৫৫ সদস্যের ওই কমিটিতে মুহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আহ্বায়ক ও আখতার হোসেনকে সদস্য সচিব করা হয়। ওইদিন নাগরিক কমিটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পড়ে শোনান মুখপাত্র সামান্তা শারমিন। তিনি জানান, রাষ্ট্র পুনর্গঠন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও ‘নতুন বাংলাদেশের’ রাজনৈতিক বন্দোবস্ত সফল করার লক্ষ্যে আত্মপ্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক কমিটি।
জাতীয় নাগরিক কমিটির এক সদস্য মানবজমিনকে জানিয়েছেন, তারা দল গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করছেন। খুব শিগগিরই নতুন এ রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে মানুষ জানবে। তবে সেক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করছেন না তারা। লক্ষ্য নতুন বাংলাদেশ গড়া ও নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদে তরুণ নেতৃত্বের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। 

জানতে চাইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা মানবজমিনকে বলেন, অভ্যুত্থানে যারা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদের প্রাধান্য দিয়ে কমিটিগুলো গঠন করা হচ্ছে। আমরা মনে করি সরকার যে প্রক্রিয়ায় কাজ করছে সেখানে ছাত্রদের শক্তিকে সুসংগঠিত করা গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও কেউ যাতে সমন্বয়ক পরিচয়ে কোনো ইলিগ্যাল কাজ করতে না পারে। অনেক সময় তারা ইলিগ্যাল কাজ করলেও আমরা আইডেন্টিফাই করতে পারি না। আমাদের প্ল্যাটফর্মের নাম খারাপ হচ্ছে। তাই আমরা চাচ্ছি তাদের একটা ডেকোরামের মধ্যে নিয়ে আসতে। একটা চেইন অব কমান্ড তৈরি করা। নাগরিক কমিটির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, এ মুহূর্তে নাগরিক কমিটির সঙ্গে আমাদের কোনো এফিলিয়েশন নাই। শুরুতে লিয়াজোঁ কমিটি থেকে কয়েকজন এটি করেছে। তবে অফিসিয়ালি তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। নির্বাচনী ভাবনার বিষয়ে ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম এ সমন্বয়ক বলেন, নির্বাচন নিয়ে কোনো ভাবনায় আমরা এখনো যাইনি। সম্মিলিতভাবে আমাদের মধ্যে কোনো সিদ্ধান্তও হয়নি। আমরা যেটি বিশ্বাস করি যে এটা অভ্যুত্থানের প্ল্যাটফর্ম এবং আমরা এটিকে সেভাবে ট্রিট করবো। নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে নাগরিক কমিটির সঙ্গে সম্মিলিত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, জাতীয় নাগরিক কমিটি মূলত সিভিল সোসাইটির প্ল্যাটফর্ম। যেটি মূলত প্রেশার গ্রুপ হিসেবে কাজ করছে। সামনেও একইভাবে কাজ করবে। এখানে যেটি ব্যাপার তা হলো- বাংলাদেশের মানুষ তরুণদের একটি রাজনৈতিক শক্তি দেখতে চায়। মানুষের একটা চাওয়া-পাওয়ার জায়গা তৈরি হয়েছে। সে জায়গাটাকে বিবেচনায় নিয়ে আমাদের মধ্য থেকে অনেকে মিলে এবং বাইরের আরও অনেকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটা রাজনৈতিক দল গঠনের ভাবনা আমাদের আছে। কিন্তু সেটি আমাদের জাতীয় নাগরিক কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট না। সেটা হচ্ছে স্বতন্ত্র ভাবনা। আর রাজনৈতিক দল মানেই তো নির্বাচন যেখানে ভোট হবে জয়-পরাজয় থাকবে। তিনি বলেন, এখন ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের যে দুইটা লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি সে বিষয়ে মানুষের মধ্যে বোঝাপড়া তৈরি করা এবং তরুণ নেতৃত্বকে সংঘবদ্ধ রাখা ও নিজেদের মধ্যে যোগাযোগটা আরও মজবুত করার জন্যই নতুন কমিটিগুলো দিচ্ছি। 

এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক অন্যতম সমন্বয়ক ও বর্তমান জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম রোববার টাঙ্গাইলে সাংবাদিকদের বলেন, যে তরুণ প্রজন্ম খুনি হাসিনার পতন ঘটিয়েছে তারা রাজনৈতিক দল গঠন করবে কি না সেটা বাংলাদেশের মানুষই ঠিক করবে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে বিশ্বাস করি যে, তাদের একত্রিত হয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক দল থাকা উচিত। যখন বাংলাদেশে প্রধান রাজনৈতিক দল দুইটার জায়গায় চারটা হবে তখন রাজনৈতিক দলের মধ্যে মানুষের জন্য কাজ করার যে প্রতিযোগিতা, সেটি বৃদ্ধি পাবে। তিনি বলেন, জুজুর ভয় দেখিয়ে অনেকে বলছেন মাইনাস ওয়ান, মাইনাস টু ফর্মুলা। আমরা বিশ্বাস করি বর্তমান বাংলাদেশের ডিমান্ড হচ্ছে মাইনাস টু না বরং প্লাস টু ফর্মুলা। সারজিস বলেন, বাংলাদেশে কোন তন্ত্র থাকবে- সমাজতন্ত্র না পুঁজিবাদ এখন এটি নির্দিষ্ট কিছু তত্ত্ব দিয়ে সীমাবদ্ধ করার সময় ও অবস্থা নেই। এটি বাংলাদেশের মানুষের চাহিদার আলোকে নির্ধারিত হবে। তিনি বলেন, একদল আরেক দলকে প্রতিপক্ষ মনে করা, নিজেদের মধ্যে নেগোসিয়েশন করা, কিংবা ডিল করে একবার এ ক্ষমতায় আসবে, আরেকবার ও ক্ষমতায় আসবে। এই চর্চা থেকে বের হয়ে আসার জন্যও আমাদের বাংলাদেশে নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ আরও রাজনৈতিক দল দরকার। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষ এই সমর্থনটি যদি তাদের জায়গায় থেকে জানায় ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করবে। তাহলে অব্যশই বাংলাদেশে আবার নতুন কোনো রাজনৈতিক দল হয়তো খুব দ্রুতই দেখা যাবে।
 

পাঠকের মতামত

পরিবার কেন্দ্রীক রাজনীতি বাংলাদেশ আর করতে দেওয়া যাবে না। তাহলে এ-ই আন্দোলনে হাজার হাজার মানুষের আত্মত্যাগ সম্পুর্ন ব্যর্থ হবে এবং চাটুকারি রাজনীতি পুনরায় ফিরে আসবে।

এম জে আলম
২৫ নভেম্বর ২০২৪, সোমবার, ৬:৫১ পূর্বাহ্ন

এখনিই তো বাংলাদেশ বিশ্বের রোলমডেল হয়ে আছে আন্দোলনে

রাফি
২২ নভেম্বর ২০২৪, শুক্রবার, ১২:০৭ অপরাহ্ন

পুরা প্রতিবেদন টা পড়ে মনে হল ছাত্ররা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে কি করবে। নানা মুনির নানা মত। বিপ্লব, প্রেসার গ্রুপ না রাজনৈতিক দল। যত তাড়াতাড়ি নেয়া যায় ততই সফল হওয়ার সম্ভাবনা। অতি আগ্রহ নিয়ে বসে আছি যে জনগণ কাকে নির্বাচন করবে এর পরের স্বৈরাচারী হিসাবে, বিএনপি না বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।

মাসুদ
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ৮:০৫ অপরাহ্ন

শুভ কামনা

সোহেল
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ৬:৩৮ অপরাহ্ন

এরা ক্ষমতার স্বাদ পেয়েছে। সরকারি প্রটোকল নিয়ে ডিসি এসপিদের উপরে খবরদারি করা, সরকারের উপরে প্রভাব খাটানো, এই মজা তো আর ছাড়া চায় না!! মনে রাখতে হবে জনগণ তাদেরকে মালিক বানায় নাই কিংবা কেউ তাদের ক্ষমতার আরাম-আয়েশের জন্য আত্মাহুতি দেয় নাই।

Mizan Khan
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ৫:১২ অপরাহ্ন

বহুদলের বাংলাদেশ হওয়া উচিত

Mozammel
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ১:১৩ অপরাহ্ন

আমরা পুরাতন দল দেখেছি এখন আমরা সংস্কারে বিশ্বাস করে এমন একটা দল চাই

জয়নাল আবেদীন
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ১২:৩৩ অপরাহ্ন

ছাত্ররা যদি রাজনৈতিক কর্মকান্ড বা দল গঠনের দিকে যায় তা হলে তারা গ্রহনযোগ্যতা হারাবে। কারন তরুনরা যদি প্রেসার গ্রুপ হিসেবে থকে তাহলে দেশের জন্য ভাল হবে।

মাজহারুল ইসলাম
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন

পরিবারতন্ত্রের অবসান অবশ্যই প্রয়োজন।

kamal
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন

ক্ষমতায় থেকে রাজনৈতিক দল গঠন এটা কিংস পার্টির মতোই হওয়ার সম্ভাবনা। উনাদের ও ক্ষমতার লোভে পেয়ে বসেছে। দলের নামটা ঘোষণা করুন ইলেকশনে যান তার পরে দেখবো আপনাদের সাথে কে কে থাকে।

Ismaeel
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ১১:০০ পূর্বাহ্ন

যদি বৃহত্তর দলগুলো তরুনদের আকাংখার বিপরীতে অবস্থান নেয় কিংবা উপদেষ্টা পরিষদ তাদের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে তাদের নতুন দল গঠনকে স্বাগত জানাবে জনগণ। বিএনপি, জামায়াত, চরমোনাই, হেফাজত সহ অন্যান্য সকল দলকে এ বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করা উচিৎ।

স্বাধীন বাংলাদেশী
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ৯:৪২ পূর্বাহ্ন

পরিবারতন্ত্রের অবসান অবশ্যই প্রয়োজন। পরিবারতন্ত্র যোগ্য নেতৃত্বের অন্তরায়।

মিলন আজাদ
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ৯:০৬ পূর্বাহ্ন

আহত ছাত্ররা হাসপাতালে কাতরাচ্ছে। শহীদ পরিবারে স্বজন হারানোর দুঃসহ বেদনা। বাজার উত্তপ্ত। আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণহীন। পতিত স্বৈরাচারের আস্ফালনে বিপ্লবী ছাত্র জনতা বিব্রত। এমন অবস্থায় ঘুরে ফিরে সেই ক্ষমতার বলয়ে ঢোকার নেশা! পতনের শুরু নয়তো?

মোহাম্মদ আলী রিফাই
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ৮:৫৮ পূর্বাহ্ন

তারা যদি দল গঠন করে তাদের গ্রহণযোগ্যতা জনগণের কাছে হারাবে।তাদের ডাকে আর কেউ সারা দিবে না।

লিমা
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ৮:৪৫ পূর্বাহ্ন

আরেকটা নরুল হক নুরুর গন অধিকার পরিষদ মার্কা দল গঠন করে কোণ লাভ হবে না। একতা শক্তিশালী নতুন রাজনৈ্তিক দলে বৈষম্যবিরোধি ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ছয় সমন্বয়ক সহ উমামা, হান্নান মাসুদ, মাহিন সরকার,রিফাত রশিদ সহ অন্যান্য গুরুত্বপুর্ন সমন্বয়ক থাকা জরুরী। সেইসাথে অনলাইন একটিভিস্ট পিনাকি ভট্টাচার্য, জুলকারনাইন সায়ের , ইলিয়াস হোসেন, কনক সারোয়ার , বিভিন্ন প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তা সহ অন্যান্য গুরুত্বপুর্ন ব্যক্তিবর্গ যাদের সরাসরি বিপ্লবে প্রভুত অবদান রয়েছে তাদের অন্তর্ভুক্তি জরুরী। এই ক্ষেত্রে কে বেশি গুরুত্বপুর্ন পদ পাবে সেই ইচ্ছা বর্জন করতে হবে।দেশের প্রশ্নে সকল বিপ্লবীরা যদি একটা কমন প্ল্যটফর্মে আসতে সমর্থ হয় , একমাত্র তখনই এই নতুন দল একটা বৃহৎ তৃ্তীয় শক্তি রুপে উত্থান ঘটাতে সমর্থ হবে।

মেঠোপথ
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ৮:০৬ পূর্বাহ্ন

৫৩ বছর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু গনতন্ত্র দেখিনি, দেখেছি দলিওতন্ত্র,স্বৈরতন্ত্র, লেজুড়বৃত্তি, পদলেহন, চাটুকারিতা,নেতানেত্রীরা মুখে বলে একটা করে আরেকটা, দলিওনেতাকর্মী মিলে দেশের সম্পদ ভাগবাটোয়ারা করে খায়,আর জনসাধারণের হাতে ধরিয়ে দেয় মুলা,তবে মুলাও এখন ৭০/৮০ টাকা কেজি।যে গদিতে যায় সে ই হয়ে যায় রাজা।সুতরাং নতুন কিছু আসুক, হয়তোবা বাংলাদেশের ভালো হতে পারে।চিকিৎসা ব্যবস্হার যে কি হাল,তা ভুক্তভোগিরাই জানে।

Labu Miah
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ৬:৩৩ পূর্বাহ্ন

no need new party.student should play as pressure group.

Md.Shahidullah
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ৫:৩৯ পূর্বাহ্ন

বয়সের দোহাই, তোমাদের এখন পড়ালেখার টাইম, বিভিন্ন অজুহাতে, বুড়োরা ছাত্রদের দলকে সাপর্ট নাও করতে পারে কারণ তারা পদ নেয়ার বেলায় আগে আর আন্দোলনের সময় ভয়ে ঘরে থাকে I বাংলার জনগণের মুক্তির জন্য ছাত্রদের বিকল্প নেই, তা মানুষ আজ বুঝতে পেরেছে I তবে ছাত্রদের দলকে অন্য দলগুলো সহজে চাইবেনা, ভেঙে ফেলার ইন্ধন দিতে থাকবে I আমার বিশ্বাস বাংলার আপামর জনগণ ছাত্রদের দলকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে; বাকিদের তো সারাজীবন দেখলো I যে কোনো নির্বাচনে প্রাথীর যোগ্যতা কমপক্ষে মাস্টার্স পাস এবং কিছু ক্ষেত্রে ব্যাচেলর ডিগ্রী করা যেতে পারে I এটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ- বাংলাদেশ বিশ্বে মডেল রাষ্ট্রে পরিণত হবে I আপনি কি মনে করেন- একজন নোবেল বিজয়ীর সাথে একজন চা বিক্রেতার প্রতিযোগিতা মানায় ?

Akbar
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ৩:৪৪ পূর্বাহ্ন

A great initiative. Our people expect our dedicated students & patriotic leaders should lead our nation to establish a fair nation.

Shahab Faruque
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ২:৪৫ পূর্বাহ্ন

যে কারো রাজনৈতিক দল করার অধিকার আছে, তবে রাজনৈতিক দল গঠন করতে হলে কিংস পার্টি নয় প্রান্তিক পর্যায় থেকে মানুষের সম্পৃক্ততা নিয়ে দল গঠন করলে ভালো হবে, রাজনৈতিক দল গঠন মানে তো নির্বাচনে অংশ নেয়া, নির্বাচনে অংশ নিলে দেশের মানুষ ঠিক করবে তারা কাকে ছায়, মানুষের ভোটে মানুষের পছন্দের প্রতিনিধি হয়ে আসতে পারলে নবীন প্রবীণ বুঝি না যে আসবে সে দেশ পরিচালনা অংশ নিবে, কিন্তু ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতা দখলের উদ্দেশ্য হলে সকল ত্যাগ বৃথা যাবে,,,,

আলাউদ্দিন
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ১:৩৩ পূর্বাহ্ন

Great decision. I appreciate it

Ripon
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন

খুব ভালো সিদ্ধান্ত । বস্তা পচা , গতানুগতিক, খাই খাই তাড়াতাড়ি নির্বাচন চাই মার্কা রাজনৈতিক দল গুলা থেকে আমরা জনগণ মুক্তি চাই

nitol
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ১২:৩০ পূর্বাহ্ন

শুভ কামনা

শাহ্ আলম মানিক
১৯ নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, ১২:২১ পূর্বাহ্ন

প্রথম পাতা থেকে আরও পড়ুন

প্রথম পাতা সর্বাধিক পঠিত

   
Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2024
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status