ঢাকা, ২৭ জুন ২০২২, সোমবার, ১৩ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৬ জিলক্বদ ১৪৪৩ হিঃ

অর্থ-বাণিজ্য

১৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৩১ কোটি ডলার

স্টাফ রিপোর্টার

(১ মাস আগে) ২২ মে ২০২২, রবিবার, ৮:৩৪ অপরাহ্ন

ডলারের বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই স্বস্তির বার্তা দিল রেমিট্যান্স। চলতি মে মাসের প্রথম ১৯ দিনে ১৩১ কোটি ২২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বর্তমান বিনিময় হার হিসাবে (প্রতি ডলার ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা ধরে) বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ১১ হাজার ৪৮১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ২১০ কোটি ডলার বা ১৮ হাজার কোটি টাকা ছড়িয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য মতে, মে মাসের ১৯ দিনে আসা ১৩১ কোটি ২২ লাখ ডলারের মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৯ কোটি ৫৭ লাখ ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১০৯ কোটি ১৫ লাখ ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৭ লাখ ডলার। দুইটি বিশেষায়িত ব্যাংকের মধ্যে একটিতে এসেছে এক কোটি ৯২ লাখ মার্কিন ডলার।
চলতি মাসের প্রথম ১৯ দিনে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। এ ব্যাংকের মাধ্যমে ২৩ কোটি ৫ লাখ ডলার এসেছে। এরপর ডাচ-বাংলা ব্যাংকে ২০ কোটি, অগ্রণী ব্যাংকে ৮ কোটি ৭৬ লাখ ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে প্রায় ৬ কোটি ডলার এসেছে। সোনালী ব্যাংকে এসেছে ৫ কোটি ডলার।

বিজ্ঞাপন
সরকারি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, বিদেশি ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক ও  ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স পাঠাননি প্রবাসীরা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গেল এপ্রিলে ২০০ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল, যা আগের মাসের চেয়ে প্রায় ১৫ কোটি ডলার বেশি। মার্চে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৫ কোটি ৯৭ লাখ ডলার। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) দেশে রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৭৩০ কোটি ডলার; বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী এর পরিমাণ এক লাখ ৫১ হাজার ৪৪২ কোটি টাকা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এখন ডলারের বাজার চাঙা। প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠালে আগের তুলনায় ডলারের বিপরীতে বেশি টাকা পাচ্ছেন। সঙ্গে প্রণোদনাও মিলছে। ব্যাংকগুলোও রেমিট্যান্স আনতে উৎসাহ দিচ্ছে। তাই প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বেড়েছে। আগামীতে আরও বাড়বে। কারণ সামনে ঈদুল আজহা। অনেকে কোরবানির পশু কেনার জন্য আগেই দেশে অর্থ পাঠিয়ে দেবে। রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়লে ডলারের বাজারও স্থিতিশীল হয়ে যাবে। 

পাঠকের মতামত

প্রবাসীদের মাধ্যমে এত রেমিট্যান্স আসলেও তাদেরকে সরকার তথা সংস্লিস্ট মন্ত্রণালয়ের কোন সাপোর্ট মেলে না, বিমানের ভাড়া বেশি, বিমান বন্দরে ভোগান্তি, বিমান ডিলে, পরযাপ্ত চেক ইন সিস্টেম অনেক অনেক চেক ইনের করমকরতা সিট এ বসে না বা থাকে না। পরযাপ্ত লোকবল থাকলেও কঠোর আইন না থাকার কারনে সবাই ফাকি মারে কাজে, তা সত্ত্বেও বেতন ফুল পাই। যে সমস্ত করমি নিজের কাজে ফাকি দেই তাদের ১ থেকে ২ মাসের নোটিশ দিয়ে চাকরিচুত করা উচিৎ বলে আমি মনে করি, একবার এরকমটা করলে পরবর্তীতে অন্যকোন করমি কাজে ফাকিদেয়ার সাহস করবেনা বলেই আমার মনে হই আর তাতে যাত্রিসেবা বাড়বে, ভিজিটর বাডবে, ইনভেস্টমেন্ট বাডবে, সাথে সাথে রেমিট্যান্স ও বাডবে, আমারতো এমনটাই মনে হই। আমার মতে যদি রেমিট্যান্স ইনসেন্টিভ ৩.৫% বা ৪% করা হই তাহলে ব্যাক্তিগত এবং ব্যাবসায়ী সকলের মাঝে রেমিট্যান্স এর প্রবনতা বাড়বে। বরতমানে যারা হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন করে তারাও উৎসাহিত হবে রাস্টিয়ভাবে রেমিট্যান্স পাথাতে। দেশের দিরঘায়ু কামনাই আমি মোঃ আহসান হাবীব

Md. Ahsan Habib
২৫ মে ২০২২, বুধবার, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

অর্থ-বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

অর্থ-বাণিজ্য থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com