ঢাকা, ১৮ আগস্ট ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৯ মহরম ১৪৪৪ হিঃ

অর্থ-বাণিজ্য

রিজার্ভ বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের আরও একটি পদক্ষেপ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
১৯ জুলাই ২০২২, মঙ্গলবার

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের সরবরাহ বাড়াতে আরও একটি উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ব্যাংকগুলো প্রবাসীদের বৈদেশিক মুদ্রার আমানত (এনএফসিডি) হিসেবে নিজেদের মতো করে সুদ দিতে পারবে। এতদিন ‘ইউরো কারেন্সি ডিপোজিট রেটের’ বেশি সুদ দেয়া যেতো না। অর্থাৎ প্রবাসীদের বৈদেশিক মুদ্রার আমানতের সুদহারের সীমা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ নির্দেশনা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগে, বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বাড়াতে বিদেশ ভ্রমণে কড়াকড়ি, সরকারি প্রকল্প কাটছাঁটসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কমানো হয়েছে ইআরকিউ হিসাবে জমা রাখার সুযোগ, ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ধারণের ক্ষমতা কমানো এবং অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট থেকে ডলারে দেয়া ঋণ স্থানীয় মুদ্রায় স্থানান্তরের সুযোগ দেয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিদ্যমান ব্যবস্থায় বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকগুলো প্রবাসী বাংলাদেশি ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তির নামে এনএফসিডি হিসাব খুলতে পারে। এই হিসাবে ইউরোকারেন্সি আমানত হিসাবের বেশি সুদ দিতে পারে না।

বিজ্ঞাপন
এখন থেকে এ ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো নিজেরাই সুদহার নির্ধারণ করতে পারবে। এই শিথিলতা প্রবাসী বাংলাদেশি ছাড়াও বিদেশি নাগরিক, বিদেশে নিবন্ধিত কোম্পানি, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং বিশেষায়িত অঞ্চল তথা ইপিজেড, ইজেড বা হাইটেক পার্কে অবস্থিত শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
জানা গেছে, আমদানি ব্যয় অনেক বেড়ে যাওয়া এবং প্রবাসী আয় কমার ফলে চাপে রয়েছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার। গত আগস্টে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়ানো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত ১২ই জুলাই ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে। আবার এক বছরে আন্তঃব্যাংকে ডলারের দর ৯ টাকা ১৫ পয়সা বেড়ে ৯৩ টাকা ৯৫ পয়সায় উঠেছে। এ রকম পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় কমাতে গাড়ি, টিভি, ফ্রিজ, স্বর্ণসহ ২৭ ধরনের পণ্যে শতভাগ এলসি মার্জিন নির্ধারণ করা হয়েছে। আরও বেশকিছু পণ্যে মার্জিনের হার ঠিক করা হয়েছে ৭৫ শতাংশ।

 

পাঠকের মতামত

These measures wouldn't work enough. The most effective measure will stop importing luxurious, fashionable and least necessary items. I just give an example.... huge wood logs is now import in Bangladesh for furniture making industry from Myanmar, Nigeria, Bolivia. Huge foreign currency is spent in it. This type of import can be stop to save draining forex.

Ziaul Monsur
১৯ জুলাই ২০২২, মঙ্গলবার, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন

অর্থ-বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

অর্থ-বাণিজ্য থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status