ঢাকা, ২৩ জুন ২০২৪, রবিবার, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৬ জিলহজ্জ ১৪৪৫ হিঃ

ঈদ সংখ্যা ২০২৪

প্রচারবিমুখ একজন সফল মানুষের কথা

বাবর আশরাফুল হক
১০ এপ্রিল ২০২৪, বুধবারmzamin

জনাব আবু সাঈদ মোহাম্মদ কাসেম

আবু সাঈদ মোহাম্মদ কাসেম একজন সৎ অমায়িক, পরোপকারী দানশীল ও দয়ালু ব্যক্তির নাম। উচ্চ শিক্ষিত বনেদি পরিবারের সফল ও সুপ্রতিষ্ঠিত একজন মানুষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁর মধ্যে নেই বিন্দুমাত্র অহংকারের চিহ্ন। প্রচার বিমুখ মানুষটি সমাজসেবা ও পরোপকারে নিজেকে উৎসর্গ করা সত্ত্বেও একেবারেই আড়ালে রাখতে চান নিজেকে। সারাটা জীবন কাজ করে গেছেন নীরবে নিভৃতে থেকে। বিনয় সদাচরণ ও সৌজন্যবোধই মনে করিয়ে দেয় তাঁর ঐতিহ্য সমৃদ্ধ পরিবারের কথা। অত্যন্ত সরল, অমায়িক ও নরম মনের মানুষ হওয়া সত্ত্বেও জনাব মোহাম্মদ কাসেমের চরিত্রে রয়েছে অত্যন্ত দৃঢ়তা। প্রাণবন্ত ও দীপ্তিমান এ  সজ্জন মানুষটি মনে করেন ধৈর্য্য, সহনশীলতা, সততা ও নিষ্ঠা থাকলে মানুষকে সফল হতে সাহায্য করে। 

 


জনাব আবু সাঈদ মোহাম্মদ কাসেম বুয়েটের ১৯৬৩ সালের একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রাজুয়েট। ১৯৮৪ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন নিউএইজ গার্মেন্টস লিমিটেড। এটি নিউএইজ গ্রুপের প্রথম কোম্পানি। তারপর থেকে গ্রুপটি বহুগুণ বর্ধিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
এর মধ্যে আছে তিনটি গার্মেন্ট প্রস্তুতকারক ইউনিট, একটি নিট টেক্সটাইল মিল এবং একটি প্লাস্টিক ইনজেকশন মল্ডিং প্লান্ট। তার এ গ্রুপে বর্তমানে নিয়োজিত আছেন প্রায় ১১ হাজার কর্মকর্তা কর্মচারী। এ থেকে বার্ষিক আয় হয় ১৫ কোটি ডলার। ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের একজন সহ-স্পন্সরও আবু সাঈদ মোহাম্মদ কাসেম। বর্তমানে এটি দেশে সর্ববৃহৎ ক্রেডিট রেটিং কোম্পানি। বাণিজ্যভিত্তিক রাজনীতিতে সক্রিয় আগ্রহ আছে মিস্টার কাসেমের। ১৯৯৯-২০০০ সময়কালে বাংলাদেশে এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৯৭ সালে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট ছিলেন। আইসিসি-বাংলাদেশের বেশ কয়েক মেয়াদে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বিমসটেক-ইসি বিজনেস ফোরামের (১৯৯৮-২০০০) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান তিনি। এটি হলো বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলংকা এবং থাইল্যান্ডের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের জন্য একটি আঞ্চলিক ফোরাম। এ ছাড়াও তিনি ঢাকা ওয়াসার পরিচালক বোর্ডের সদস্য ছিলেন। দায়িত্ব পালন করেছেন বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেডে (হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের মালিক), বাংলাদেশ কাউন্সিল অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চে (বিসিএসআইআর)।

 


আবু সাঈদ মোহাম্মদ কাসেম বহু দেশ সফর করেছেন। তিনি বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কনফারেন্স, সেমিনার এবং ওয়ার্কশপে অংশ নিয়েছেন।  ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টারের (আইটিসি) কনসালট্যান্ট ছিলেন। আইটিসি হলো জাতিসংঘের সংগঠন। এরা ইউএনসিটিএডি এবং ডব্লিউটিওর সঙ্গে কাজ করে। এর সঙ্গে কাজ করার কারণে তাকে আফ্রিকার মালাবি এবং মোজাম্বিকে, কিউবা এবং বলিভিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওইসব দেশে তাদের টেক্সটাইল এবং পোশাক খাতের উন্নয়নে পরামর্শ চাওয়া হয়। তিনি আইটিসির ন্যাশনাল কনসালট্যান্ট হিসেবে নিজ দেশ বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি কনসালট্যান্সি এসাইনমেন্ট পালন করেন। 

 


গুলশানারা রাজ্জাক ফাউন্ডেশনের একজন ম্যানেজিং ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্বে আছেন আবু সাঈদ মোহাম্মদ কাসেম। এটি হলো একটি পারিবারিক ট্রাস্ট। এর উদ্দেশ্য হলো সমাজের দরিদ্র এবং বঞ্চিত মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়ে তাদেরকে সামনে টেনে তোলা। এই ফাউন্ডেশন ঢাকায় একটি ফ্রি প্রাইমারি স্কুল পরিচালনা করে। সেখানে আছে প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী। আরও পরিচালনা করে দোহারে একটি ৩০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল। তাতে আছে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা। এ ছাড়া এই ফাউন্ডেশন পরিচালনা করে একটি নার্সিং ইনস্টিটিউট, একটি নার্সিং কলেজ। উদ্দেশ্য, ডিপ্লোমা ও গ্রাজুয়েট ডিগ্রিসহ গুণগত মানসম্পন্ন নার্স তৈরি করা। 
আরএডিডিএ এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের বোর্ড অব ট্রাস্টিরও সদস্য আবু সাঈদ মোহাম্মদ কাসেম। এটি ঢাকার মিরপুর এলাকায় মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে কর্মকাণ্ড পরিচালনাকারী একটি বৃহৎ এনজিও। তিনি ডিসিসিআই ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পরিষদেরও একজন সদস্য। এটিও আরেকটি এনজিও। অভাবী মানুষদের সামাজিক সেবা দেয়ার জন্য এই এনজিও প্রতিষ্ঠা করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। 
অনেক চেষ্টা ও অনুরোধের পর ব্যক্তিত্বসম্পন্ন প্রচার বিমুখ ও মার্জিত রুচির জনাব কাসেমের সাক্ষাতৎকার গ্রহণের সম্মতি পাই। আলাপচারিতার মাধ্যমে জানতে পারি তাঁর সফল ব্যক্তিজীবনের  অনেক কথা। ইন্দিরা রোডস্থ তাঁর পিতার তৈরি স্নিগ্ধ, পল্লবীত, মনোরম পরিবেশের বাড়িতে গেলে জনাব কাশেম হাসি মুখে আমাকে বসতে দেন। প্রথমেই জানতে চাই তিনি কেমন আছেন, জবাবে তিনি বলেন, আল্লাহর রহমতে ভালো আছি, বয়সের অনুপাতে অনেক ভালো আছি। ৮২ বছর বয়সেও গলফ খেলতে পারি। বন্ধু বান্ধবদের সাথে আড্ডা দিতে পারি।

 


তাঁর জন্মস্থান ও  শৈশব সম্বন্ধে জানতে চাইলে তিনি জানান ১৯৪১ সালের ২২শে অক্টোবর পাবনা জেলায় জন্ম। অবশ্য সার্টিফিকেট অনুযায়ী জন্মতারিখ ১০ জানুয়ারি ১৯৪২। স্কুলের প্রধান শিক্ষকের ইচ্ছায় বয়স পরিবর্তন করা হয়েছিল। শিক্ষাজীবন সম্বন্ধে জানতে চাইলে তিনি জানান,তাঁর পিতা ঢাকা সেন্ট্রাল জেলের জেইলার হিসেবে ঢাকা বদলী হয়ে আসলে ১৯৪৮ সালে সাত বছর বয়সে ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে সেনফ্রান্সসিস স্কুলে কেজি শ্রেণীতে ভর্তি হন। সেখানে তিন বছর পড়ার পর ঢাকার নবকুমার স্কুলে ভর্তি হন, সেখানে ক্লাস থ্রি থেকে সিক্স পর্যন্ত পড়াশুনা করেন। তাঁর বাবা ১৯৫২ সালে অবসর গ্রহণের পর তারা তেজগাঁওয়ে বসতি গড়েন। তেজগাঁও আসার পর প্রথমে তিনি তেজগাঁও পলিটেকনিক্যাল স্কুলে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত ক্লাস সিক্স এবং সেভেনে পড়েন। সে সময়ে কলম্বো প্লান অনুযায়ী তেজগাঁওয়ে গভর্নমেন্ট টেকনিক্যাল হাই স্কুল প্রতিষ্ঠিত হলে সেখানে ক্লাস এইটে ভর্তি হন। যেটা বর্তমানে ইন্টারমিডিয়েট টেকনিক্যাল কলেজ, সেখান থেকেই তিনি মেট্রিকুলেশন টেকনিক্যাল এক্সমিনেশন পাস করেন। এ পরীক্ষায় তিনি মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। পরবর্তীতে ঢাকা কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন ১৯৫৭ সালে। ইন্টারমিডিয়েট পাস করার পর ১৯৫৯ সালে আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি হন। এ কলেজটিই ১৯৬২ সালে বুয়েট হয়েছে। এখান থেকেই তিনি ১৯৬৩ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেন। 

 


তার বাবা-মা সম্পর্কে কিছু জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাবা উচ্চপদস্থ প্রিজন্স অফিসার ছিলেন। তারপর তিনি ডেপুটি সুপারেনটেনডেন্ট হিসাবে ১৯৫২ সালে অবসর গ্রহণ করেন। মা ছিলেন সুগৃহিনী। দুই ভাই চার বোনের মধ্যে তিনি ছাড়া বর্তমানে আর কেউ বেঁচে নেই। 
জনাব কাশেমের কর্মজীবন সম্বন্ধে জানতে চাইলে তিনি জানান, ১৯৬৩ সালে বুয়েট থেকে পাস করার পর ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত তিনি EPIDC (East Pakistan Industrial Development Corporation)-এর কুষ্টিয়া সুগার মিলে সহকারী ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন। ১৯৬৬ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত আগাখানিদের একটা কোম্পানি IPS (Industrial Promotion Services)-এ কাজ করেন। ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত আইরিশদের মালিকানাধীন একটি বাংলাদেশী কোম্পানিতে তিনি এক্সিকিউটিভ ডায়রেক্টর হিসেবে কাজ করেন। প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী আগা ইউসুফ নামে এক ভদ্রলোক কোম্পানিটি কিনে তাঁকে পার্টনার করে নেন। তখন থেকেই জনাব কাসেমের ব্যবসায়ী জীবনের শুরু। এ প্রতিষ্ঠানে কাজ করার পর তিনি সম্পূর্ণরূপে নিজে এককভাবে ব্যবসা শুরুর সিদ্ধান্ত নেন। 

 


চাকরি না করে ব্যবসায় এলেন কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, চাকরি করার সময় তিনি উপলব্ধি করেছেন চাকরি এবং ব্যবসার পার্থক্যটা। চাকরি এবং ব্যবসার মাঝে একটা কাঁচের দেয়াল মাত্র। এটা ভেঙে ফেলতে পারলেই একজন উদ্যোক্তা হওয়া সম্ভব। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জিনিষপত্রের দাম হু-হু করে বেড়ে যাচ্ছিল। সে অবস্থায় চাকরি করে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে উঠে। এ ছাড়া চাকরি করে সন্তানদের জন্য কিছু করে যাওয়ারও সুযোগ থাকে না। 
ব্যবসা এবং কর্মজীবনে সফলতা অর্জনের প্রধান নিয়ামক কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, Determination বা দৃঢ়সংকল্প হলে সফল হওয়া সম্ভব। এছাড়া প্রয়োজন সততা ও নিষ্ঠা। শ্রমিক কর্মচারীদের প্রতি থাকতে হবে সহমর্মিমতা। তাদের ভালবাসতে হবে সন্তানের মতো। 
জনাব মোহাম্মদ কাসেমের কাছে জানতে চেয়েছিলাম ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ও আরো বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের উপায় কি? উত্তরে তিনি বলেন ব্যবসাকে বহুমুখী করতে হবে। শুধুমাত্র গার্মেন্টস, ঐষধ ও চামড়া শিল্পের উপর নির্ভর করে বসে থাকলে হবে না। এ ছাড়া Financial Sector-কে Reform করতে হবে। Capital Market Develop করতে হবে।

 


নতুন প্রজন্মদের উদ্দেশ্যে কিছু বলার জন্য অনুরোধ করলে তিনি বলেন, অবশ্যই উদ্যোগী হতে হবে। দেশে যথেষ্ট Opportunity রয়েছে। থাকতে হবে সৎ ও নিষ্ঠাবান। মানুষের প্রতি সহমর্মিতা থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে মানুষের চরিত্র গঠনে প্রথম স্তরে মা এবং দ্বিতীয় স্তরে প্রাইমারি স্কুল।
তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্বন্ধে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাঁর অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলো সুষ্ঠুভাবে চালানো ও এগুলোর প্রসার ঘটানো। সাধ্য অনুযায়ী দেশের জন্য কাজ করে যাওয়া। 


ভালোলাগা মন্দলাগা সম্বন্ধে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সকালে গলফ খেলতে, গান শুনতে এবং পরিবারের সাথে সময় কাটাতে ভালো লাগে। এ ছাড়া ১৯৬৩ ব্যাচের বুয়েট ছাত্রদের একটি সংগঠন আছে। যার নাম ‘Class 1963’ সে সংগঠনের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ রাখতে ও তাদের সাথে সময় কাটাতে ভাল লাগে। মানুষের ছল-চাতুরি ও হঠকারিতা তাঁর অপছন্দ। 

 


বাংলাদেশের জন্য তাঁর প্রত্যাশা কি জানতে চাইলে তিনি বলেন যে প্রত্যাশা নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল সে প্রত্যাশাগুলো দ্রুত পূরণ করতে হবে সেটাই আমার প্রত্যাশা। 
তাঁকে ধন্যবাদ ও সালাম জানিয়ে বিদায় নিতে চাইলে তিনি বাড়ির আঙ্গিনায় তাঁর তত্ত্বাবধানে তৈরি ও পরিচালিত নানা ধরনের সবজি ও ফল ফুলের চমৎকার গোছানো বাগান ঘুরিয়ে দেখান, তারপর সদর দরজা পর্যন্ত পৌঁছে দেন। তাঁকে ধন্যবাদ ও সালাম জানিয়ে বিদায় নেই। 

 

(মানবজমিন ঈদ সংখ্যা ২০২৪-এ প্রকাশিত)

 

 

পাঠকের মতামত

ওনি শ্রমিকদের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা কি পরিমাণ দেন তাতো লিখলেন না।

মিলন আজাদ
১২ এপ্রিল ২০২৪, শুক্রবার, ২:২৫ পূর্বাহ্ন

ঈদ সংখ্যা ২০২৪ থেকে আরও পড়ুন

   

ঈদ সংখ্যা ২০২৪ সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2024
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status