ঢাকা, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, রবিবার, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৪ শাওয়াল ১৪৪৫ হিঃ

খেলা

লিপু নয়, প্রধান নির্বাচক হিসেবে সুমনকে প্রত্যাশা করেছিলেন সুজন

স্পোর্টস রিপোর্টার
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, বুধবার
mzamin

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ক্রিকেট বোর্ডের ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যানও। কিন্তু তিনি নাকি প্রধান নির্বাচক হিসেবে গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর নিয়োগের ব্যাপারে কিছুই জানতেন না! লিপুকে নিয়োগ দেয়ায় বিস্মিত হয়েছেন সুজন। তিনি প্রধান নির্বাচক হিসেবে লিপুর জায়গায় হাবিবুল বাশার সমুনকে প্রত্যাশা করেছিলেন।
গতকাল চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে খালেদ মাহমুদ সুজনের দল দুর্দান্ত ঢাকার অনুশীলনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। প্রধান নির্বাচক হিসেবে গাজী আশরাফ হোসেন লিপুকে বেছে নেয়াকে কীভাবে দেখছেন, এমন এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘লিপু ভাইয়ের ক্রিকেট মেধা অনেক। তিনি অনেক সিনিয়র, অনেকদিন ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেট ফলো করছেন। জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ছিলেন। উনার বিচক্ষণতা নিয়ে কোনো প্রশ্নই থাকতে পারে না। অবশ্যই আমি মনে করি, উনি আসাতে অনেক ভালো হতেই পারে।’  তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক প্রধান নির্বাচক হওয়ায় সুজন একটু অবাকও হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
এর ব্যাখ্যা দিয়ে সুজন বলেন, ‘আমি উনার নামই শুনিনি আগে যে, উনি নির্বাচক হতে পারেন। খুবই সারপ্রাইজিং একটা ঘোষণা এসেছে বিসিবি থেকে। আমি সেখানে ছিলাম না, তাই আসলে বলতে পারবো না।’ অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি একই কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমি তো সেটা ক্লিয়ার করলাম, আমি জানি না কিছু। অবশ্যই (শকিং) আমি ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান, আমি জানিই না যে নির্বাচক নিচ্ছে যে কে হচ্ছে। খুবই বিস্ময়কর যে আমি জানবো না। আমার আসলে এই প্রতিষ্ঠানের থেকে প্রয়োজনটা কী সেটাও জানি না।’ তবে গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর ক্রিকেট মেধা থেকে অন্য দুই নির্বাচক আবদুর রাজ্জাক ও হান্নান সরকার উপকৃত হবেন বলে সুজন বলেন, ‘লিপু ভাই যথেষ্ট বুদ্ধিমান একজন মানুষ। আমরা যখন উনার সঙ্গে খেলেছি, উনি তরুণদের সেভাবেই সমর্থন দিয়েছেন। আমি মনে করি, সেভাবেই উনি গুছিয়ে নেবেন। রাজ্জাক-হান্নানের জন্যও ভালো। উনার মতো একজন সিনিয়র মানুষের থেকে শিখতে পারবেন।’ যদিও তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেট সম্পর্কে কেমন কতোটা ভালো জানেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ক্রিকেট যিনি খেলেছেন, তার ক্রিকেট জ্ঞান সম্পর্কে প্রশ্ন করাটা স্বাভাবিক না। বাংলাদেশ ক্রিকেটের অধিনায়কত্ব করেছেন। এত বছর ধরে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। মাঝে উনার হয়তো একটা বিরতি আছে। টিভিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দেখে তো আমরা অনেকে কথা বলতেই পারি। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে কী হচ্ছে, প্রিমিয়ার লীগ বা বয়সভিত্তিক ক্রিকেটগুলা বা অন্যান্য জায়গায় কী হচ্ছে? তবে আমার মনে হয় না, উনার জন্য খুব একটা কঠিন হবে। হয়তো একটু সময় লাগবে। মানিয়ে নিতে সময় লাগবে না। তবে উনার ক্রিকেট মেধা, বিচক্ষণতা, বোধ নিয়ে কোনো প্রশ্নই থাকতে পারে না।’  মিনহাজুল আবেদীন নান্নু না থাকলে প্রধান নির্বাচকের পদে তিনি হাবিবুল বাশার সুমনকে প্রত্যাশা করেছিলেন জানিয়ে বলেন, ‘আমি আশা করেছিলাম সুমনই হবে। কেন হয়েছে, যারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বা সিদ্ধান্তের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন তারাই বলতে পারবেন। আমি অবশ্যই মনে করি সুমন যোগ্য ছিল। সে বাংলাদেশের সফল ক্যাপ্টেন ছিল, সফল ক্রিকেটার ছিল। এত বছর দলের সঙ্গে কাজ করেছে। আমি আশা করেছিলাম নান্নু ভাইকে না রাখা হলেও প্রধান নির্বাচক হবে। যে সিদ্ধান্ত বোর্ড দিয়েছে, আমাদের সম্মান জানাতে হবে।’
 

পাঠকের মতামত

গাজী আশরাফ লিপু ঠিক আছে।

মিলন আজাদ
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, বুধবার, ৯:৫০ পূর্বাহ্ন

চাচার খবরদারি শেষ তাই আবোল তাবোল বলছে।

Shahidul
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, বুধবার, ৭:০৩ পূর্বাহ্ন

এরা এভাবেই দলের মধ্যে রাজনীতি ঢুকায়। এতো জনসোমুখ মনের কথা বলার দরকার কি, এদের কি কোনো কোড অফ কন্ডাক্ট বলে কিসু আছে। বোর্ড এর বিরুদ্ধে কি এভাবে কথা বলা যায়।

Riaz
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, মঙ্গলবার, ৮:০৪ অপরাহ্ন

খেলা থেকে আরও পড়ুন

   

খেলা সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2024
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status