ঢাকা, ১২ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৩ মহরম ১৪৪৪ হিঃ

প্রথম পাতা

ভয়েস অফ আমেরিকাকে রাষ্ট্রদূত হাস

আগের মানবাধিকার লঙ্ঘনের জবাবদিহি ও র‌্যাবের সংস্কার চায় যুক্তরাষ্ট্র

২৮ জুন ২০২২, মঙ্গলবার

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস বলেছেন, র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রভাব রয়েছে। তবে, অনেকে এই প্রভাব নিয়ে অতিরঞ্জিত কথাও বলছেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র র‌্যাব কর্তৃক আগে ঘটে যাওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের জবাবদিহি দেখতে চাওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন এমন কিছু না হয় সেজন্য বাহিনীটির সংস্কার চায়। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত রাষ্ট্রদূত পিটার হাস  দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরে ভয়েস অফ আমেরিকার বাংলা বিভাগকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক, রোহিঙ্গা ইস্যু, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়েও বিভিন্ন প্রশ্নের খোলামেলা জবাব দিয়েছেন তিনি। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন আনিস আহমেদ। 

সাক্ষাৎকারের শুরুতেই প্রশ্ন করা হয় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বর্ষপূর্তি নিয়ে। রাষ্ট্রদূত হাস বলেন, বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের, বন্ধুত্বের ৫০তম বর্ষপূর্তির এই সময়ের চেয়ে ভালো আর কি হতে পারে! গত ৫১ বছরে বাংলাদেশ অসাধারণ সব উন্নতি করেছে।

 একেবারে শূন্য থেকে শুরু করে কেবল স্বাধীনতার ধারণা নিয়ে পথচলা দেশটি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে চমৎকার উন্নতি করেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিবেচনায় দেশটি এশিয়ার মধ্যে অন্যতম। উন্নতি করেছে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণেও। আমার কাছে যেটা বিস্ময়কর সেটা হলো, ৯৬% টিকাদানের হার, যা বিশ্বের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ।

বিজ্ঞাপন
বিগত ৫০ বছরের এসব সাফল্যের পর এখন সময় সামনের ৫০ বছরটা কেমন যাবে সেটা ঠিক করা। কারণ, বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা লাভ করতে চলেছে এবং দেশটিকে গত ৫০ বছরের তুলনায় ভিন্নধর্মী, নতুন নতুন সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। তবে তিনি মনে করেন, গণতন্ত্রের পথে আরও বেশি অগ্রসর হওয়া, আরও অর্থনৈতিক উদারীকরণসহ যেসব চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের সামনে রয়েছে; সেগুলো ইতিমধ্যেই অতিক্রম করে আসা চ্যালেঞ্জগুলোর তুলনায় কিছুই না। 
গত বছর ‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনমূলক কাজে জড়িত থাকার’ অভিযোগে বাংলাদেশের বিশেষ পুলিশ র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এবং এর ছয়জন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। র‍্যাব কর্মকর্তাদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা নিয়ে রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য ছিল এমন: এটা একদম পরিষ্কার- আমাদের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বুঝিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রে রয়েছে গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার। এই ইস্যুটি (র‍্যাব) নিয়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরেই কথা বলে আসছি। 

বিচারবহির্ভূত হত্যা একটা ইস্যু। মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিবেদনগুলোতে র‍্যাব দ্বারা বিচারবহির্ভূত হত্যার বিষয়টি অনেক বছর ধরেই উঠে এসেছে। এসব নিয়ে উদ্বেগের কারণে আমরা ২০১৮ সালে র‍্যাবকে প্রশিক্ষণ প্রদানও বন্ধ করে দিয়েছি। সুতরাং, অবশ্যই র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার একটা প্রভাব তো রয়েছেই। এগুলো অবশ্যই পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আমি মনে করি, অনেকে এর প্রভাব নিয়ে অতিরঞ্জিত কথা বলছে। আমাদের সম্পর্ক অনেক বিস্তৃত, আমরা অনেক কিছু নিয়ে কাজ করি। সেটা একটা মাত্র ইস্যু। নিরাপত্তা ক্ষেত্রে যেমন আমরা নিরাপত্তা বাহিনীকে নিবিড়ভাবে প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছি। আমরা বাংলাদেশে ইতিপূর্বে ঘটে যাওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের জবাবদিহি দেখতে চাই এবং ভবিষ্যতে র‍্যাব যেন এমন কিছু না করে সেজন্য বাহিনীটির সংস্কার চাই। 

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে প্রধান তিনটি ক্ষেত্র কী এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্র বাড়ানোর জায়গাগুলো সম্পর্কে জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত হাস বলেন, গত তিন মাসের দিকে তাকালে চমৎকার সব কার্যক্রম দেখতে পাবেন। এই তিন মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পার্টনারশিপ ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে যাতে অংশ নিতে আন্ডার সেক্রেটারি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড বাংলাদেশে এসেছিলেন, ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ নিরাপত্তা সংলাপ হয়েছে, হনুলুলুতে মিলিটারি পার্টনারশিপ ডায়ালগ হয়েছে এবং অতি সম্প্রতি ওয়াশিংটনে দুই দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের অর্থনৈতিক সংলাপ হয় যাতে অংশ নিতে (প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা) সালমান এফ রহমান যুক্তরাষ্ট্র এসেছিলেন। সুতরাং, ওই চার ক্ষেত্রে আমরা কতোটা নিবিড়ভাবে, কতোটা একাগ্রতার সঙ্গে কাজ করছি বুঝাই যাচ্ছে। 

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় প্রদানে বাংলাদেশের উদারতার প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত হাস বলেন, রোহিঙ্গারা যখন বার্মাতে (মিয়ানমারে) গণহত্যার শিকার হচ্ছিল, তখন অন্য কোনো দেশ নয়, বাংলাদেশই তাদের আশ্রয় দিয়েছিল। আমার মনে হয়, বাংলাদেশ বা বিশ্বের কেউই তখন প্রত্যাশা করেনি যে, তারা ৫ বছর ধরে (এখন পর্যন্ত) এখানেই থাকবে। প্রথমত, তারা যেন নিরাপদে, আত্মমর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে (যেমনটি তারা চায়) সেটি নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, যতক্ষণ তারা নিজ দেশের বাইরে অবস্থান করছে ততক্ষণ তাদের জীবিকা, শিক্ষা এসব বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে। বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এসব নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে হবে যাতে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়, যাতে তারা নিজ দেশে ফিরে গিয়ে নিজেদের দক্ষতা দিয়ে টিকে থাকতে পারে, বেঁচে থাকতে পারে। 

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত জানান, এটা কেবল যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের নয়, সমগ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব। মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রয়েছে। আসিয়ানও এক্ষেত্রে চাপ প্র‍য়োগ করতে পারে। গণহত্যার সঙ্গে জড়িত অনেকের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও এক্ষেত্রে সকলের দায়িত্ব রয়েছে। 

সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ মুক্ত গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। উপস্থাপকের এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে মার্কিন দূত বলেন, কার্যকর গণতন্ত্রের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান হলো মুক্ত গণমাধ্যম। ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের কারণে এটা বাংলাদেশে চাপের মধ্যে রয়েছে। এই আইনের কিছু প্রস্তাবিত ‘রেগুলেশন’ বরং সাংবাদিকদের জন্য কাজ করাটাকে আরও কঠিন ও ভয়ঙ্কর করে তুলবে। সমাজ স্বাধীন ও মুক্ত হয় না যদি গণমাধ্যমকে তার প্রশ্ন করতে দেয়া না হয়, সে তার মত প্রকাশ করতে না পারে, সরকারের সমালোচনা না করতে পারে (বলছি না যে দায়মুক্তি দিয়ে)। সরকারের কোনো ভুল দেখলে তার সমালোচনা করার যেন তাদের সম্পূর্ণ অধিকার থাকে। আমি মনে করি, নির্বাচনের সময় এ বিষয়টি অত্যন্ত মূল্যবান এবং গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, সক্রিয় গণমাধ্যম ছাড়া অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। যুক্তরাষ্ট্রে আপনার দীর্ঘ অবস্থানের কারণে আপনি অবগত যে, এখানকারও অনেক মানুষ, অনেক রাজনীতিবিদ গণমাধ্যমকে পছন্দ করেন না কারণ গণমাধ্যম তাদের ঘাম ছুটিয়ে দেয়। 

বাংলাদেশে অবস্থানকালে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ চমৎকার একটা জায়গা। এ দেশের মানুষ খুব বেশি আন্তরিক। আমি যেহেতু অল্প কিছুদিন হলো এখানে এসেছি, তাই চাইলেও বেশি জায়গায় যেতে পারিনি। শুধু কক্সবাজারেই গিয়েছিলাম। জুলাইতে রাজশাহী ভ্রমণের মাধ্যমে শুরু করবো। আম খেতে যাবো। আগস্টে ইকো টুরিজম প্রজেক্টে সুন্দরবন যাবো। তারপর সেপ্টেম্বরে আবারো কক্সবাজার। নভেম্বরে যাবো চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলে। আমি অবশ্যই মিষ্টি দই চেখে দেখবো, (হেসে) প্রত্যেক জায়গার কাচ্চি বিরিয়ানি খেয়ে দেখবো যে আসলেই কোনটা সুস্বাদু। 

পিটার হাস মনে করেন, সরকারের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক আসলে তেমন কিছুই নয়। তারচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ব্যবসায়িক সম্পর্ক, শিক্ষার সম্পর্ক, পারিবারিক সম্পর্ক। তিনি বলেন, এ বছর ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলকে বাংলাদেশে আসতে দেখে খুবই ভালো লেগেছে। যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করতে আসা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা দ্রুততম হারে বাড়ছে দেখে আমি উদ্বেলিত হই। যুক্তরাষ্ট্রে এবং বাংলাদেশে ফিরে আসা বাংলাদেশি আমেরিকানদের সাফল্য আমাকে আনন্দিত করে। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে যেভাবে এগিয়ে নিতে চায় আমরাও ঠিক সেভাবেই এগিয়ে যেতে চাই।

পাঠকের মতামত

মার্কিন ব্ল্যাক সাইট গুলির জন্য মুসলিমরা দায়ী / গুয়ান্তানামো জেল খানার জন্য মুসলিমরা দায়ী / এবং গত সপ্তাহে একজন কৃষাঙ্গকে মার্কিন পুলিশ ষাট বার গুলি হত্যা করেছে / মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জিন্দাবাদ, জয় বাংলা মুর্দাবাদ /

mohd islam
৪ জুলাই ২০২২, সোমবার, ১:৩৭ অপরাহ্ন

পিটার হাসের সরল সিকারোক্তি ভালো লেগেছে যে যুক্তরাষ্ট্রেও অনেক রাজনীতিবিদ গনমাধ্যমের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কারন গনমাধ্যম তাদের ঘাম ছুটিয়ে দেয়। বাংলাদেশ সরকারও গনমাধ্যমের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কারন সরকারের কতৃত্ববাদী আচরন এবং দূর্নীতি, লুটপাট গনবিরোধী কাজগুলো যদি গণমাধ্যম প্রকাশ করে তবে সরকারের ঘাম ছুটে যাবে, গদি থেকেও জনগন নামিয়ে দিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে মানবাধিকার লঙ্গন হয় সত্য কিন্তু ওদের সরকার তার সুষ্ঠ বিচার এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে, আপনি ব্ল্যাক লাইভ ম্যাটার আন্দোলনে দেখুন একজন পুলিশই কিন্তু খুনী ছিলো কিন্তু তার বিরুদ্ধে সাধারন মানুষের বিক্ষোভ প্রদর্শনে বাঁধা দেয়নি রাষ্ট্রের কোন বাহিনী এবং মার্কিন আদালতে বিচার হয়েছে এবং হচ্ছে। পৃথিবীর কোন দেশ অপরাধমুক্ত নয়! প্রশ্নটা হলো রাষ্ট্র কি অপরাধীদের সাঁজা দিচ্ছে? নাকি রাষ্ট্র অপরাধীদের পৃষ্ঠপোষক! কিছুদিন আগেও ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন হাইকোর্টের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় নির্মমভাবে বিরোধী ছাত্রসংগঠেন নেতাকর্মীকে পিটিয়েছে, অথচ প্রধান বিচারপতি টু শব্দটিও করেননি, বিচার স্বপ্রনোদিত হয়েই তা আমলে নিতে পারতেন যেহুতু এটা ঘটেছিলো তার আঙিনায়! সরকারি বা বিরোধী যারাই অপরাধে লিপ্ত ছিলেন এবং নির্মমতার প্রদর্শন করে ছিলেন তারা শাস্তি পেতেন! অথচ বিচারবিভাগ তা করলেন না! সরকারি প্রশাসনের ব্যাপারে তো আর উদাহরন দেয়ার কিছু নাই যে তারা কিভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেন যারা সুবাদে ইতোমধ্যে কয়েকজনকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। এভাবে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান এবং সরকার যারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের পৃষ্ঠপোষক হয়ে উঠে এবং অনেকক্ষেত্রে উৎসাহিত করে তখনই তাদের বিচার করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কখনও সেটা জাতিসংঘ। সুতরাং যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার লঙ্ঘনের সাথে তুলনার কোন কারন নেই যেহুতু সেখানে সরকার এবং রাষ্ট্র মানবাধিকার লঙ্ঘন করেনা এবং অপরাধীদের কোন পৃষ্ঠপোষকতাও করা হয় না।

সোহেল
৩ জুলাই ২০২২, রবিবার, ১২:৪৬ অপরাহ্ন

আমরা বলি সরকারি হাসপাতাল, সরকারি বিমান সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় , সরকারি কর্মচারী ইত্যাদি ইত্যাদি।এটা ভুল। এগুলো রাষ্ট্রীয়। সরকারি হলে সরকার বদল হলে বিগত সরকার এগুলো সঙ্গে নিয়ে যেতো। কিন্তু এখন এটা বলা যায়। কারন ব্যবহারিক ক্ষেত্রে বর্তমান বাঙলাদেশে সরকারি পুলিশ, সরকারি প্রশাসন, সরকারি বিজিবি বা সরকারি MILITARY এবং নিদারুণ সত্য সরকারি বিচারালয় ও!! উচ্চ আদালত এখন পুরোপুরি সরকারি। অর্থাৎ বর্তমান সরকারের সরকারি। রাজনৈতিক মামলায় (ভিন্ন মতাবলম্বীদের মামলার ক্ষেত্রে অনেক সময় তাদের মন্তব্য সরকার দলীয় বক্তব্য মনে হয়। পদ্মা সেতু বিষয়ে কমিশন গঠনের আদেশে মনে হয় আওয়ামী লীগের তথ্যমন্ত্রীর কথা। ্্্্

nasym
২৮ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশ উন্নত হয়েছে...? কিসের উন্নতি...? কিছু সুউচ্চ বিল্ডিং, রাস্তা ঘাট উন্নত হওয়ার চিন্হ নয়। যে দেশ প্রবাসীদের পাঠানো ডলারের উপর বেশি নির্ভরশীল, বিদেশি অনুদান ও ঋনের উপর নির্ভর করতে হয়। সে দেশ কিসের উন্নত। যে দেশের কর্নধাররা বিদেশে চিকিৎসা করান, নিজে এবং পরবর্তী বংশধরদের ঠিকানা বিদেশে গড়েন, সন্তানকে বিদেশে পাঠিয়ে লেখা পড়া শিখান, সে দেশ কিসের উন্নত।

Md Emdadul Hoque
২৮ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ৯:১৫ পূর্বাহ্ন

রাষ্ট্রদূতের যা বুঝাতে চেয়েছেন, তার অনেকগুলো যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে। গনতন্ত্রের প্রশ্নে কোনো আপোষ কাম্য নয়।

সৈয়দ মোনাজজম বখত
২৮ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ২:১৭ পূর্বাহ্ন

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন চট্টগ্রাম থেকে ছাত্রদল নেতা সাফইকে পুলিশ আদালত চত্বর থেকে তুলে নিয়ে গেছে। র‌্যাব, পুলিশ, সরকার ও দল একাকার হয়ে গেছে। কে কাকে দেখবে। কে কাকে নিয়ন্ত্রণ করবে। তারাই সরকার, তারাই দল, তারাই বাহিনী। অতি সন্যাসীতে গাঁজন নষ্ট। একটি দলের মতো এতোটাই ক্ষমতা লোভী আর কখনো দেখা যায়নি।

আবুল কাসেম
২৮ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ১:২২ পূর্বাহ্ন

আশা করি যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রাশেদ
২৮ জুন ২০২২, মঙ্গলবার, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের জন্ম লগ্নে আমেরিকা বিরোধীতা করেছিল। এখনও পিছু ছাড়েনি বিরোধীতার। তারা কোথাকার মানবাধিকারের চবক দেয় । গুয়াদতামো বে কারাগারে অত্যাচারের কথা কি তারা ভুলে গেছে । কোন দেশের অগ্রগতি দেখলে না না বাহানা করে ছাপ সৃষ্টির চেষ্টা তাদের স্বভাব।

Kazi
২৭ জুন ২০২২, সোমবার, ৯:১৬ অপরাহ্ন

প্রথম পাতা থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

প্রথম পাতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status