ঢাকা, ২ জুলাই ২০২২, শনিবার, ১৮ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১ জিলহজ্জ ১৪৪৩ হিঃ

শেষের পাতা

হাইকোর্টের এজলাসে এসে কিশোরী নিজেই ধর্ষণের বিচার চাইলেন

স্টাফ রিপোর্টার
১৬ জুন ২০২২, বৃহস্পতিবার

ধর্ষণের শিকার হওয়া এক কিশোরী বিচার পেতে মা’কে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি হাইকোর্টের এজলাসে এসে ধর্ষণের বিচার চেয়েছেন। বুধবার সকালে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হলে ওই কিশোরী ডায়াসের সামনে এসে বিচার চান। পরে আদালত ওই কিশোরীর মামলাটি সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে নিতে নির্দেশ দেন এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ও জরুরিভিত্তিতে দেখতে বলেন। আইনজীবী বদরুন নাহার  মানবজমিনকে বলেন, এজাহারে মেয়েটি দাবি করেছে, তিনি এক বিজিবি সদস্য দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এরপর আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। লিগ্যাল এইড থেকে কিশোরীর পক্ষে আপিল করার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। শিগগিরই আপিল করা হবে।  সকালে হঠাৎ করে আদালতের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হলে ওই কিশোরী তার মা’কে নিয়ে ডায়াসের সামনে এসে দাঁড়ান। 

এ সময় আদালত তার কাছে জানতে চান আপনি কে? আপনি কী বলতে চান? আপনার কী হয়েছে? আপনার সঙ্গে উনি কে? তখন ওই কিশোরী বিচারককে নিজের পরিচয় দেন। তিনি বলেন, আমার বয়স ১৫ বছর। উনি আমার মা।

বিজ্ঞাপন
আমি ধর্ষণের শিকার। একজন বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সদস্য আমাকে ধর্ষণ করেছে। কিন্তু তাকে খালাস দেয়া হয়েছে।  আমরা গরিব মানুষ, আমাদের টাকা-পয়সা নাই। আমরা আপনার কাছে এর বিচার চাই। এ সময় আদালত ওই কিশোরীর কাছে জানতে চান যে তার কাছে কোনো কাগজপত্র আছে কি না? ওই কিশোরী মামলার কাগজপত্র আছে বললে আদালত উপস্থিত আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এখানে লিগ্যাল এইডের কোনো আইনজীবী আছেন? তখন আদালতে উপস্থিত থাকা লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবী বদরুন নাহার দাঁড়ান। আদালত তাকে ওই কিশোরীর মামলাটি সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে নিতে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে এবং জরুরি ভিত্তিতে দেখতে বলেন।

পাঠকের মতামত

আমি এই অভিযোগের সুষ্ঠু বিচার প্রত‍্যাসা করছি।

দিলীপ
২০ জুন ২০২২, সোমবার, ৮:৪৮ অপরাহ্ন

Very Very Good. This will be a good example

azad
১৫ জুন ২০২২, বুধবার, ১১:১৪ অপরাহ্ন

Need to establish counter punishment system in judiciary process. If lower court verdict goes against the police report then concern police official must be punished, similarly higher court differ with the lower court, lower court judge will be punished. Counter punishment system should be established everywhere in the society then we can be established good governance.

Mahbub
১৫ জুন ২০২২, বুধবার, ৯:১৫ অপরাহ্ন

মাননীয় আদালত এর জন্য রইল অফুরন্ত শুভকামনা,আশা করি মাননীয় বিচারক গন এ বিষয়ে Monitor করবেন ও বিচার প্রক্রিয়া সুষ্ট এবং নিরপেক্ষ হয়।

Raju
১৫ জুন ২০২২, বুধবার, ৯:০৭ অপরাহ্ন

এমনই হয়া উচিৎ আমাদের বিচারকের ভুমিকা। আদালতের ভুমিকা প্রসংশনীয়।

Akas
১৫ জুন ২০২২, বুধবার, ৮:০৩ অপরাহ্ন

Hope victim will get the justice.Police who did the injustice should be prosecuted

Mir
১৫ জুন ২০২২, বুধবার, ৫:২৭ অপরাহ্ন

বিচারককে অসংখ্য ধন্যবাদ। এটা নজীর হয়ে থাকবে বলে মনে হয়।

কামরুজ্জামান
১৫ জুন ২০২২, বুধবার, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন

শেষের পাতা থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

শেষের পাতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

পশ্চিমা চাপ মোকাবিলায় ভারতের সাহায্য/ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, দিল্লি ইতিবাচক

সাবেক স্ত্রী’র সঙ্গে পুলিশের পরকীয়ার জের/ ব্যবসায়ীকে থানায় এনে ক্রসফায়ারের হুমকি, ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com