ঢাকা, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, বুধবার, ২৫ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৬ রজব ১৪৪৪ হিঃ

অনলাইন

অর্থনৈতিক সংকট, পাকিস্তান কোন পথে?

মানবজমিন ডিজিটাল

(২ সপ্তাহ আগে) ২৪ জানুয়ারি ২০২৩, মঙ্গলবার, ১২:১৬ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ১২:১৫ পূর্বাহ্ন

mzamin

নির্বাচনের আগে জনপ্রিয়তা হারানোর ভয়ে পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাথে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করা থেকে নিজেদের বিরত রাখছে। অথচ এই চুক্তি সম্পন্ন হলে দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল হতে পারতো। অফিসিয়াল এবং কূটনৈতিক সূত্র সোমবার ডনকে জানিয়েছে যে উভয় পক্ষ এখনও সাতটি দাবি নিয়ে আলোচনা করছে। আইএমএফ চায় যে পাকিস্তানকে অর্থনৈতিক সহায়তা পুনরায় শুরু করার আগে সরকার তাদের শর্ত মেনে নিক। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- বৈদ্যুতিক ভর্তুকি প্রত্যাহার, গ্যাসের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করা, ডলারের গতি অব্যাহত রাখা এবং এলসি ব্লক না করা। সরকার ভয় পাচ্ছে যে এই দাবিগুলির বাস্তবায়ন করলে  প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়তে পারে। যার জেরে নির্বাচনের মুখে সরকার জনপ্রিয়তা হারাতে পারে। পাকিস্তানের বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক ইতিমধ্যেই সুই নর্দান গ্যাস পাইপলাইন লিমিটেড (এসএনজিপিএল) এবং সুই সাউদার্ন গ্যাস কোম্পানিকে (এসএসজিসি) মন্ত্রিসভা অনুমোদন সাপেক্ষে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত হার বাড়ানোর অনুমতি দিয়েছে। ইসলামাবাদ একটি ঋণ-ব্যবস্থার নবম পর্যালোচনার জন্য অপেক্ষা করছে যা পূর্ববর্তী সরকার আইএমএফের সাথে স্বাক্ষর করেছিল। এই পর্যালোচনার ফলে পাকিস্তানে তহবিলের পরবর্তী অংশ মুক্তি পাবে যা সেপ্টেম্বর থেকে অমীমাংসিত ছিল।

বিজ্ঞাপন
২০২২ এর আগস্টে আইএমএফ  পাকিস্তানের বেলআউট প্রোগ্রামের সপ্তম এবং অষ্টম পর্যালোচনা অনুমোদন করেছিল, ২০১৯ সালে তারা ১.১ বিলিয়নেরও বেশি নগদ মুক্তির অনুমতি দেয়। আইএমএফ কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তারা পাকিস্তানের সাথে কাজ চালিয়ে যেতে ইচ্ছুক, তবে দেশটিকে প্রথমে কিছু মৌলিক প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে হবে। আলোচনা সম্পর্কে সচেতন একজন কর্মকর্তা বলেছেন- "তারা মৌলিক বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা চাইছে যাতে তারা তাদের দলকে ইসলামাবাদে পাঠাতে পারে, কিন্তু অর্থমন্ত্রী তা করতে নারাজ।'' কর্মকর্তা বলেন যে আইএমএফ "বিদ্যুতের দাম এবং গ্যাসের ওপর কিছু আন্দোলনের জন্য জিজ্ঞাসা করছে।" ওই কর্মকর্তা বলেছেন যে আইএমএফ "বিদ্যুতের দামে কিছু সংস্কারের জন্য ইসলামাবাদকে নিজেদের অভিপ্রায় প্রদর্শনের কথা বলেছে , কিন্তু অর্থমন্ত্রী ইসহাক দার এক ইঞ্চিও সুযোগ দিচ্ছেন না।" ইসলামাবাদের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফকে অনেক দেরি হওয়ার আগেই হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আধিকারিক বলেছেন - যে তিনি  ব্যক্তিগতভাবে সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে  খুব বেশি কিছু আশা করেন না। কেন জিজ্ঞাসা করা হলে, কর্মকর্তা বলেছিলেন: "দার সাহেব বিনিময় হারকে বাজারের স্তরে নিয়ে যেতে দেবেন না। আমাদের পাশে আইএমএফ না থাকলে পরিস্থিতিও  স্বাভাবিক হবে না। "ইসলামাবাদের অন্য একজন কর্মকর্তা বলেছেন: “পাকিস্তান যদি আইএমএফের সাথে আলোচনার জন্য আরো অপেক্ষা করে, তবে বিপর্যয় নেমে আসবে।''

সূত্র : dawn.com
 

পাঠকের মতামত

পাকিস্তানের উদ্ভুত পরিস্থিতি থেকে বাংলাদেশকে সতর্ক হতে হবে ।

Kazi
২৪ জানুয়ারি ২০২৩, মঙ্গলবার, ১:১৪ পূর্বাহ্ন

একটু অসাবধান হলে বাংলাদেশ ও এই খাদে পড়তে পারে । তাই সরকারের সব সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাবধান হতে হবে। কুইক রেন্টাল চুক্তি গুলির নবায়ন বাতিল করে চিরদিন এর জন্য মুক্ত হতে হবে। ঐ সব বিদ্যুত কেন্দ্র এক ওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন না করে যে ক্যাপাসিটি চার্জ নিচ্ছে তা অযৌক্তিক ও বে আইনি কার্যকলাপ।

Kazi
২৪ জানুয়ারি ২০২৩, মঙ্গলবার, ১:০৭ পূর্বাহ্ন

অনলাইন থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

অনলাইন সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status