ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২২, সোমবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

বিশ্বজমিন

ইরানের একটি কারপার্কে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে অনেক শিক্ষার্থী, পুলিশের গুলি

মানবজমিন ডেস্ক

(১ মাস আগে) ৩ অক্টোবর ২০২২, সোমবার, ৯:৫৪ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ৪:০৬ অপরাহ্ন

ইরানের পুলিশের সঙ্গে দেশটির একটা নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ চলছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এবং সোশাল মিডিয়া থেকে খবর পাওয়া যাচ্ছে, অসংখ্য শিক্ষার্থী তেহরানের শরিফ ইউনিভার্সিটির গাড়ি রাখার স্থানে আটকে পড়েছে। সোশাল মিডিয়াতে যেসব ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে পুলিশের বন্দুকের গুলির কারণে ছাত্ররা দৌড়ে পালাচ্ছে।

বিবিসি জানিয়েছে, ইরানজুড়ে যে প্রতিবাদ চলছে তা গত চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বিক্ষোভ। সোশাল মিডিয়ার একটা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে শরিফ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী থেকে ছাত্ররা পালিয়ে বেড়াচ্ছে। দূর থেকে বন্দুকের গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। অন্য একটা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটা গাড়িতে যারা বসে ভিডিও করছিল তাদের গুলি করতে মোটরবাইকে করে নিরাপত্তা বাহিনীর লোকেরা আসছে।

ইরান ইন্টারন্যাশনাল সাইটসের খবরে বলা হচ্ছে ছাত্রাবাসগুলোতে পুলিশ হামলা করেছে এবং গুলি করেছে। অন্য একটা খবরে বলা হচ্ছে বিক্ষোভকারীদের উপর কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়েছে। রোববার ছিল এমন একটা দিন যখন অনেক বিক্ষোভকারী ছাত্ররা প্রথমবারের মত সেখানে যায়। খবরে বলা হচ্ছে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে সংঘর্ষের খবর শুনে একটু বেশি রাতের দিকে ক্যাম্পাসের প্রধান দরজায় বিক্ষোভকারীরা সমবেত হতে থাকেন। 

গত দুই রাতে তেহরান এবং দেশের অন্যান্য শহরগুলোতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। ইরান হিউম্যান রাইটস বলছে ইরানজুড়ে এখন পর্যন্ত ১৩৩জন নিহত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
নিরাপত্তা হেফাজতে মাহসা আমিনি নামে এক তরুণীর মৃত্যুর পর থেকে ইরানজুড়ে বিক্ষোভ চলছে। এই তরুণী পোশাক সংক্রান্ত বিধিনিষেধ ভঙ্গ করেছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছিল।

পুলিশি হেফাজতে থাকার পর হাসপাতালে এই তরুণীর মৃত্যু ঘটে এবং পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে তাকে মারধরের অভিযোগ করা হয়, যে অভিযোগ কর্তৃপক্ষ অস্বীকার করেছে। পুলিশ বলেছে তার উপর কোন নির্যাতন করা হয়নি তার হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হয়। তেহরানে ১৩ই সেপ্টেম্বর এই নৈতিকতা রক্ষা পুলিশ যখন মিজ আমিনিকে গ্রেপ্তার করে তখন হিজাবের তলা দিয়ে তার কিছু চুল দেখা যাচ্ছিল বলে অভিযোগ করা হয়। একটি আটক কেন্দ্রে তাকে নিয়ে যাবার অল্পক্ষণ পরই মাহসা আমিনি অজ্ঞান হয়ে যান এবং কোমায় চলে যান। তিন দিন পর তিনি হাসপাতালে মারা যান। অফিসাররা তার মাথায় লাঠির বাড়ি মেরেছে এবং তাদের একটি গাড়িতে মিজ আমিনির মাথা ঠুকে দিয়েছে এমন অভিযোগ পুলিশ বাহিনী থেকে অস্বীকার করা হয়। বিক্ষোভকারীরা বলছেন তারা যদি এখনই এর বিরুদ্ধে রুখে না দাঁড়ান তাহলে একদিন তাদেরও একই ভাগ্য বরণ করতে হতে পারে।
 

বিশ্বজমিন থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

বিশ্বজমিন থেকে সর্বাধিক পঠিত

আনোয়ার-মুহিদ্দিন ব্যর্থ/ প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেবেন রাজা

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status