ঢাকা, ৭ ডিসেম্বর ২০২২, বুধবার, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

শিক্ষাঙ্গন

হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন শিক্ষক

বিদ্যালয় চত্বরে অনুসারীদের নিয়ে লাঠি দিয়ে পেটালো ছাত্র

স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা থেকে

(২ মাস আগে) ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ২:৫৭ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ১২:২৫ পূর্বাহ্ন

mzamin

হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন শিক্ষক। তিনি নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই আক্রমণের শিকার হয়েছেন। আক্রমণকারী তারই শিক্ষার্থী। ছাত্রীদের উত্যক্তের অভিযোগে শিক্ষার্থীকে শাসন করেছিলেন শিক্ষক আবু বক্কার সিদ্দিক। আর তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে অনুসারীদের নিয়ে শিক্ষককে পিটিয়ে আহত করেছে শিক্ষার্থী ফারদিন হোসেন। এ ঘটনায় আমিনপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক আবু বক্কার সিদ্দিক।

গতকাল বৃহস্পতিবার পাবনার সুজানগর উপজেলার সাগরকন্দী রিয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।  আহত শিক্ষক আবু বক্কার সিদ্দিককে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।  তিনি এই বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক। আর ফারদিন হোসেন একই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র। সে উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মোক্তার হোসেনের ছেলে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হালিম বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর বখাটে ছাত্র ফারদিন হোসেনসহ তার অনুসারীরা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণীর ছাত্রীদের উত্যক্ত করে আসছিল।

বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে শিক্ষক আবু বক্কার সিদ্দিক প্রতিবাদ করেন এবং তাদের ধমক দিয়ে শাসন করেন। কিন্তু এতে বখাটে ছাত্র ফারদিন হোসেন শিক্ষক আবু বক্কার সিদ্দিকের উপর ক্ষিপ্ত হয়। এরই জের ধরে  বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে শিক্ষক বিদ্যালয়ে আসলে বখাটে ফারদিনসহ ওর অনুসারীরা তাকে বিদ্যালয় চত্বরে লাঠি সোটা দিয়ে বেধড়ক মারপিটে আহত করে।

শিক্ষক আবু বক্কার সিদ্দিক বলেন, একজন ছাত্র বেয়াদবি করবে, স্কুলের মেয়েদের উত্যক্ত করবে। আর তাকে ধমক দেয়া, শাসন করা কি আমার অপরাধ? এজন্য ছাত্র হয়ে শিক্ষকের গায়ে হাত তুলবে এটা মেনে নেয়া যায়না। অভিভাবকরা কি তার সন্তানদের শাসন করা আদব কায়দা শেখানো ভুলে গেছেন?

আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে বখাটেদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ফারদিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও খোঁজ মেলেনি।
 

পাঠকের মতামত

আমি যতদূর শুনেছি, কেউ কেউ বলছে দোষ ছাত্রের। ওই নাকি ছাত্রীকে বিরক্ত করতো; আবার কেউ কেউ বলছে দোষ শিক্ষকের। সে নাকি মেয়েটির সাথে অনৈতিক আচরণ করেছেন এবং দোষ ওই ছেলের উপর চাপিয়ে দিছে। যাই হোক, সঠিকভাবে তদন্ত করলে হয়তো বিষয়টার সত্য তথ্য পাওয়া সম্ভব। তবে, অপরাধী যেই হোক না কেন, একটা এলাকার জন্য দুইটাই খারাপ নয় কি?

মীর রাব্বি হোসেন
২ অক্টোবর ২০২২, রবিবার, ৬:০২ পূর্বাহ্ন

ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও অন্য শিক্ষকরা কি করছেন? ঐ ছাত্র কে টিসি দিয়ে বের করে দেয় না কেন?

Anwar Hossen
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ৯:০২ অপরাহ্ন

কঠোর শাসতি ঢাই

alim
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ৭:১১ পূর্বাহ্ন

স্কুল ছাত্রের এমন বখাটেপনা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেয়া যাবে না। এজন্য এদের অভিভাবকও দায়ী। তাদেরকেও শাস্তির আওতায় আনা হোক। যারা শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠাতে পারে, তাদের ও অভিভাবকদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রাপ্য। বখে যাওয়া এসব সন্ত্রাসীদের বয়স কোনোভাবেই বিবেচ্য বিষয় হতে পারে না। নির্মম এ সংবাদের ফলোআপ চাই।

Nayeem
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ৩:১০ পূর্বাহ্ন

এই কুলাঙ্গারকে এমন শাস্তি দেওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে কোন বদমাইশ শিক্ষকের দিকে চোখ তুলে তাকাতে না পারে।

মোঃ আজিজুল হক
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ২:২১ পূর্বাহ্ন

শিক্ষাঙ্গন থেকে আরও পড়ুন

শিক্ষাঙ্গন সর্বাধিক পঠিত

১০

ঝড়ের রাতে বগুড়া থেকে ঢাকায় আসতে বাধ্য হলেন বাবা-মা/ ছাত্রলীগ না করায় ঢাবি শিক্ষার্থীকে হলছাড়া করার হুমকি

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status