ঢাকা, ৭ ডিসেম্বর ২০২২, বুধবার, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

দেশ বিদেশ

নারীর মর্যাদা ধূলিসাৎ নেত্রীদের নীরবতা বিস্ময়কর: তানিয়া রব

স্টাফ রিপোর্টার
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার

ইডেন কলেজে জোর করে ‘নারীর অধিকার ও স্বাধীনতা’ হরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ‘জাতীয় সমাজতান্ত্রিক নারী জোট’ এর আহ্বায়ক তানিয়া রব। তিনি বলেন, সরকারি ছাত্র সংগঠন সুবিধা আদায়ের হীন ইচ্ছায় ‘নারী শিক্ষার্থী’দের পণ্য হিসেবে ব্যবহারের মাধ্যমে নারীর মর্যাদা লুণ্ঠন করে সর্বনাশের দিকে ঠেলে দিয়েছে। সরকারি ছাত্র সংগঠনের নেত্রীরা কথিত নেতাদের তুষ্ট করতে অনৈতিক কাজে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করতেন, এমন তথ্য প্রকাশের পর দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হয়েছে, ঘৃণা আর ধিক্কার জানাচ্ছে সর্বস্তরের মানুষ। অথচ বাংলাদেশের কোনো নারী সংগঠন বা নারীনেত্রী প্রতিরোধ বা প্রতিবাদে এগিয়ে আসছে না, এমনকি বিবৃতি প্রদান করে নিন্দাও করছে না, ?এটা বিস্ময়কর। গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।  তানিয়া রব বলেন, ইডেন কলেজের ভয়াবহ এবং জঘন্য তথ্য এবং বর্বরতম সংবাদ প্রকাশের পর যেখানে সারা দেশে বিদ্রোহের আগুন ছড়িয়ে দেয়ার কথা সেখানে নারী সংগঠন এবং নারী নেত্রীদের রহস্যজনক নীরবতায় প্রমাণ হয়, বাংলাদেশের সমগ্র নারী সমাজ কতো অসহায় এবং বিপদের মুখে অবস্থান করছে। বেপরোয়া নেত্রীদের পাল্লায় পড়ে ইডেন কলেজ হোস্টেল মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে। অথচ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। বরং অপরাধীদের অধিকতর প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে, বিতাড়িত হওয়ার পরও বীর বেশে তারা পুনরায় হোস্টেলে ফিরে আসছে। এসব হচ্ছে নির্বাচনবিহীন লুটেরা সংস্কৃতির প্রতিফলন।

বিজ্ঞাপন
ফলে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে অনৈতিক ‘গোষ্ঠীতন্ত্র’ বিস্তার লাভ করছে। এর বিপরীতে সামাজিক জাগরণ ও গণঅভ্যুত্থান প্রয়োজন। দোষীদের শাস্তির দাবি করে তিনি বলেন, নারীর মর্যাদা বিনষ্টকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। অবিলম্বে ‘তদন্ত কমিশন’ গঠনের মাধ্যমে নারী শিক্ষার্থীর ওপর নিপীড়ন নির্যাতনকারী প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। সকল শিক্ষাঙ্গনে সিট বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, মাস্তানি এবং অবৈধ,‘গণ আদালত’ বন্ধ করতে হবে। নারীর মর্যাদা হরণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যাদের অনৈতিক সুবিধা দিয়ে, যাদের আশীর্বাদে নেত্রীরা নিজেদের এমন বেপরোয়া করে তুলেছেন সেই ছদ্মবেশী মুখোশধারীদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনীতির নামে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং অনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত সংগঠনকে অবিলম্বে নিষিদ্ধ করতে হবে।

পাঠকের মতামত

আল্লামা আহমদ শফিরা নারীদের মর্যাদা সুরক্ষিত রাখা/থাকার জন্য কিছু বললে, দিক নির্দেশনা দিলে তারা হয়ে যায় তেতুল হুজুর। চতুর্দিকে নারীবাদীরা শেয়ালের মত চিৎকার চেচামেছি শুরু করে দেয়। শাহবাগে ঢোল তবলা নিয়ে একদল বসে যায়। এখন কোথায় সেই তথাকথিত নারীবাদীরী? এখন তাদের অসম্মানি মনে হয় না?

Md Rakib
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১০:০৯ অপরাহ্ন

নারী নেতৃরা ঘুমিয়ে আছেন, জেগে থাকলে হামলার শিকার হতে পারেন। সুতরাং ঘুমিয়েই থাক।

M. A. Hamid
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৯:৪০ অপরাহ্ন

এদেশের সব নারী নেত্রী, নারী সংগঠনগুলো তো প্রগতীশীল, তারা প্রগতীর ধারক, বাহক তাই তারা কিছু বলতে পারেন না।

মুহম্মদ নূরুল ইসলাম
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৯:২০ অপরাহ্ন

আমাদের দেশের স্কুল-কলেজ-ভার্সিটিগুলোতে যদি সামান্যতমও ইসলামী শিক্ষার ব্যবস্থা থাকতো, তাহলে জাতি এতো অধ:পতন দেখতো না।

আবদুল্লাহ আল কাফী
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৯:০৪ অপরাহ্ন

In the western world, people would say that the buck stops with the party chief and head of the government. Therefore, the chief and the prime minister should take full responsibility of the mischiefs by the party members and resign. In fact, the chief and the prime minister would have resigned immediately in those countries.

Nam Nai
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৬:০৭ অপরাহ্ন

দেশে নারী নেতৃত্বে কাছে নারীরাই নিরাপদ নয়। দেশে এখন নীতি-নৈতিকতা সম্পন্ন পুরুষ নেতৃত্বের প্রয়োজন।

Mohd Makbul Hossain
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৫:২৫ অপরাহ্ন

আল্লামা আহমদ শফিরা নারীদের মর্যাদা সুরক্ষিত রাখা/থাকার জন্য কিছু বললে, দিক নির্দেশনা দিলে তারা হয়ে যায় তেতুল হুজুর। চতুর্দিকে নারীবাদীরা শেয়ালের মত চিৎকার চেচামেছি শুরু করে দেয়। শাহবাগে ঢোল তবলা আর কনডম নিয়ে একদল বসে যায়। এখন কোথায় সেই তথাকথিত নারীবাদীরী? এখন তাদের অসম্মানি মনে হয় না? হা হা হা। এতেই বুঝা যায় যে তাদের আসল উদ্দেশ্য কি? অর্থাৎ যেখানে একটু ইসলাম ও আলেম উলামার গন্ধ পাওয়া যায় সেটাই দোষ হয়ে যায়, সেটা নারীদের অসন্মান করা হয়ে যায়। যদি ও তারা নারীদের ইজ্জত সন্মান সুরক্ষার কথা বলুক না কেন। আর অন্যরা তাদের কাপড় খুলে উলঙ্গ করে ইজ্জত সন্মান লুট করে নিলে ও তাদের অসন্মানি হয় না। কারন সেখানে ইসলামের গন্ধ নাই তো।

Salim Khan
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৫:২৫ অপরাহ্ন

দেশ বিদেশ থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

দেশ বিদেশ সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status