ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২২, সোমবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

প্রথম পাতা

ডুবছে হোমল্যান্ড লাইফ, বিনিয়োগ-আয় দু’টোই নিম্নমুখী

এমএম মাসুদ
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার

‘আপনি যেখানেই থাকুন, আমরা সর্বদা আপনারই পাশে’ স্লোগান নিয়ে ১৯৯৬ সালে যাত্রা শুরু করে হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। দ্বিতীয় প্রজন্মের এই বীমা কোম্পানিটির পেরিয়ে গেছে ২ যুগ এক বছর। দীর্ঘ এই সময়ে গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের আর্থিক নিরাপত্তায় পাশে তো থাকেইনি, উল্টো বিশাল দূরত্ব তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বীমা কোম্পানিটি ধারাবাহিকভাবে সংকুচিত হয়ে আসায় কমছে নতুন গ্রাহকের সংখ্যা, বিনিয়োগ   ও লাইফ ফান্ডের পরিমাণ। এ ছাড়া মেয়াদ শেষ হলেও দিতে পারছে না গ্রাহকদের বীমা দাবির টাকা। একই সঙ্গে ৪ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির মামলাও রয়েছে হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির বিরুদ্ধে। এদিকে কোম্পানিটির ওয়েবসাইটও আপডেট করা হয় নি। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) কাছে হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দেয়া ২০১৫ থেকে ২০২১ সালের নিরীক্ষিত এবং অনিরীক্ষিত ব্যবসা সমাপনীর হিসাব তুলনামূলক পর্যালোচনায় এই তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ২৫ বছরেও দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারেনি হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। এদিকে প্রায় ১৪ লাখ টাকার বীমা দাবি না দেয়ার অভিযোগে হোমল্যান্ড লাইফের ৭ পরিচালকের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা করেন মাগুরা জেলার ৪ জন গ্রাহক।

বিজ্ঞাপন
গত ২১শে সেপ্টেম্বর কোম্পানির বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিতে বৃটেন থেকে দেশে আসেন এই প্রবাসী পরিচালকরা। অংশ নেন কোম্পানির এজিএম-এ। সেখান থেকেই গ্রেপ্তার করে মতিঝিল থানা পুলিশ। ওইদিন গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। গত সোমবার তাদের জামিন আবেদন করা হলেও তা নাকচ করেছেন আদালত। 

আজ বৃহম্পতিবার মাগুরার আদালতে আসামিদের হাজির করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই ঘটনায় তোলপাড় চলছে দেশে-বিদেশে। এতে ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই ৭ পরিচালক প্রবাসে থেকে নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ বিনিয়োগ করে গড়ে তোলেন হোমল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি। প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন চেয়ারম্যান ও সিইও। তারাই সবকিছু দেখভাল করেন। অথচ চেয়ারম্যান ও সিইও বা ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নাম নেই সেই মামলায়। কোম্পানি সূত্রের দাবি বর্তমান চেয়ারম্যান এবং এমডি নেপথ্যে রয়েছেন। কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, কোম্পানির লেনদেনের বিষয়ে কেউ মামলা করলে বর্তমান চেয়ারম্যান এবং এমডি’র বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার কথা। তা না করে প্রবাসে থাকেন এমন ৭ উদ্যোক্তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া কোম্পানির আরও কয়েকজন পরিচালক থাকলেও তাদের মামলায় আসামি করা হয়নি।  প্রিমিয়াম সংগ্রহ কমেছে: প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ধারাবাহিকভাবে কমেছে হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রিমিয়াম সংগ্রহের পরিমাণ। গেল ৬ বছরে কোম্পানিটির প্রিমিয়াম সংগ্রহ কমেছে ৩৭.২৫ কোটি টাকা বা ২৭ শতাংশ। ২০১৫ সালে কোম্পানিটির মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ ছিল ১৩৮.১৯ কোটি টাকা। ২০২১ সালে এসে এই প্রিমিয়াম সংগ্রহ কমে দাঁড়িয়েছে ১০০.৯৪ কোটি টাকা। 

এর আগে ২০১৬ সালেও কোম্পানিটির মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ কমে যায় ২০.৯১ কোটি টাকা, সে বছর কোম্পানিটির মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ ছিল ১১৭.২৮ কোটি টাকা। এ ছাড়া ২০১৭ সালে ১১৩.২৬ কোটি টাকা, ২০১৮ সালে ৯৪.৩০ কোটি টাকা, ২০১৯ সালে ১০৮.৩৭ কোটি টাকা এবং ২০২০ সালে ১০০.৫৬ কোটি টাকা প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে হোমল্যান্ড লাইফ। বিনিয়োগ কমেছে: প্রতিবেদন মতে, হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বিনিয়োগও কমেছে অব্যাহতভাবে। গেল ৬ বছরে কোম্পানিটির সরকারি ও বেসরকারি খাতের মোট বিনিয়োগ কমেছে ৫৯.৭৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০২১ সালেই কমেছে ৯.৪৩ কোটি টাকার বিনিয়োগ। বর্তমানে হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সরকারি খাতের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৮১.৭৭ কোটি টাকা, যা ২০১৫ সালে ছিল ১০৮.৬৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ ২৬.৯২ কোটি টাকার বিনিয়োগ কমেছে। অন্যদিকে কোম্পানিটির বেসরকারি খাতের মোট বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ২২.৩০ কোটি টাকা, যা ২০১৫ সালে ছিল ৫৫.১৫ কোটি টাকা। 

অর্থাৎ অন্যান্য খাতের বিনিয়োগ কমেছে ৩২.৮৫ কোটি টাকা। লাইফ ফান্ড কমেছে: গত ৬ বছরে হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির লাইফ ফান্ড কমেছে ৩৯.০৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০২১ সালেই কমেছে ১৪.১৬ কোটি টাকার লাইফ ফান্ড। তথ্য অনুসারে, ২০১৬ সালের শুরুতে বীমা কোম্পানিটি লাইফ ফান্ড ছিল ২৮৫.৭৫ কোটি টাকা, যা ২০২১ সাল শেষে দাঁড়িয়েছে ২৪৬.৭১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০১৬ সালে ৪.৪১ কোটি টাকা, ২০১৯ সালে ১২.৯৯ কোটি টাকা, ২০২০ সালে ৯.৩২ কোটি টাকা এবং ২০২১ সালে ১৪.১৬ কোটি টাকা লাইফ ফান্ড কমেছে। অন্যদিকে ২০১৫ সালে ২৩.৩৩ কোটি টাকা, ২০১৭ সালে ১.২৯ কোটি টাকা এবং ২০১৮ সালে ০.৫৫ কোটি টাকা লাইফ ফান্ড বেড়েছে হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের। এদিকে ২০২১ সাল শেষে কোম্পানিটির লাইফ ফান্ড দাঁড়িয়েছে ২৪৬.৭১ কোটি টাকা। তবে কোম্পানিটির ওয়েবসাইটে লাইফ ফান্ডের পরিমাণ উল্লেখ করা হয় ২৮৩.১৮ কোটি টাকা।  প্রিমিয়াম তামাদি: হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ২০১৫ সাল থেকে সংগৃহীত নতুন বা ১ম বর্ষ প্রিমিয়াম গড়ে ৫৬ শতাংশই তামাদি হয়েছে দ্বিতীয় বছরে। অর্থাৎ প্রতি বছর ইস্যুকৃত নতুন পলিসির প্রায় ৪৪ শতাংশ পরবর্তী বছরে চালু থাকছে। সবশেষ ২০২১ সালেও কোম্পানিটির ৬৪ শতাংশ নতুন প্রিমিয়াম তামাদি হয়েছে। তথ্য অনুসারে, ২০২০ সালে কোম্পানিটির একক ও গ্রুপ ব্যতীত সংগৃহীত ৩৮.৭৯ কোটি টাকা ১ম বর্ষ প্রিমিয়াম থেকে পরবর্তী বছর ২০২১ সালে নবায়ন এসেছে ১৩.৯২ কোটি টাকা। অর্থাৎ বাকি ২৪.৮৭ কোটি টাকা বা ৬৪ শতাংশ প্রিমিয়ামই তামাদি হয়েছে। 

এ ছাড়া ২০১৬ সালে ৫৭.৫৬ শতাংশ, ২০১৭ সালে ৫০.২৭ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৫১.৭০ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৩৯.৭১ শতাংশ এবং ২০২০ সালে ৩৪.০৮ শতাংশ নতুন প্রিমিয়াম তামাদি হয়েছে। জানা গেছে, বর্তমানে হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৩ কোটি টাকা। তবে কোম্পানিটির ওয়েবসাইটে এর পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকা। যদিও কোম্পানিটির ওয়েবসাইটে পরিশোধিত মূলধনের তথ্যের সঙ্গে তিন তারকা চিহ্ন দেয়া হয়েছে, তবে সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি ওয়েবসাইটটিতে। আইন অনুসারে, লাইফ বীমা কোম্পানির উদ্যোক্তাদের সর্বনিম্ন পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ হবে ১৮ কোটি টাকা। বীমা আইন, ২০১০-এর ২১ ধারার তফসিল-১ এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আইডিআরএ’র সর্বশেষ (১৬ই জুন, ২০২১) নির্দেশনা অনুসারে, নতুন নিবন্ধন পাওয়া বীমা কোম্পানির প্রাথমিক খরচ নির্বাহের জন্য পরিশোধিত মূলধনের ২০ শতাংশ দুই পর্যায়ে উত্তোলন করতে পারে। তবে উত্তোলিত এই অর্থ পরবর্তী এক বছরের মধ্যে কোম্পানির অর্জিত প্রিমিয়াম আয় থেকে পুনর্ভরণের মাধ্যমে সংরক্ষিত ব্যাংক হিসাবে জমা করতে হবে। বীমা আইন, ২০১০-এর ২১ (৩) ধারার তফসিল-১ এর বিধান অনুসারে, দেশে নিবন্ধিত লাইফ বীমা কোম্পানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হবে ৩০ কোটি টাকা, যার ৬০ শতাংশ আসবে উদ্যোক্তাদের কাছ থাকে। আর বাকি ৪০ শতাংশ নেয়া হবে জনসাধারণের কাছ থেকে।  

ওদিকে হাজার হাজার গ্রাহক বীমা দাবি পেতে কোম্পানিটির কাছে দিনের পর দিন ধরনা দিয়ে আসছে। এমনকি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেও পাচ্ছে না বীমা দাবি। নতুন করে কেউ গেলেই পাঁচ-ছয় মাসের লম্বা তারিখ বলা হচ্ছে। হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি অর্থ সংকটে, নাকি কৃত্রিম সংকট তৈরি করে গ্রাহকদের হয়রানি করা হচ্ছে- এমন প্রশ্ন তুলেছেন বীমা কোম্পানিটির গ্রাহকরা।  সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পূর্ব দেলুয়ার বাসিন্দা মো. আলমগীর হোসেন। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বীমা পলিসি কেনেন তিনি। নিজের ক্ষুদ্র সঞ্চয় দিয়ে নিয়মিত পরিশোধ করেন বীমা পলিসির প্রিমিয়ার টাকা। ২০১৮ সালে বীমা পলিসিটির মেয়াদ শেষ হলেও এখনো বীমা দাবির টাকা পাননি তিনি। শুধু আলমগীর হোসেন নন, বীমা পলিসি কেনা অনেক গ্রাহক মেয়াদ শেষে বীমা দাবির টাকা পাচ্ছেন না। 

বীমা দাবির টাকা পেতে কোম্পানিতে ধরনা দিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন তারা। মনির ইসলাম নামের এক গ্রাহক অভিযোগ করেছেন, তার বীমার প্রফিট বোনাস দেয়ার কথা ছিল ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে। সেই প্রফিট বোনাস তুলতে গেলে তাকে বলা হয়েছে, চলতি বছরের নভেম্বর মাসের শেষদিকে যোগাযোগ করতে। কেন এতদিন অপেক্ষা করতে হবে জানতে চাইলে কোম্পানির হিসাব বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, অর্থ সংকট রয়েছে, এখন টাকা দেয়া সম্ভব না। এদিকে সম্প্রতি হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বিরুদ্ধে ৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা ভ্যাট ফাঁকির মামলা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর। অধিদপ্তর জানায়, অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানটির ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত লেনদেন খতিয়ে দেখা হয়। তাতে এই ভ্যাট ফাঁকির তথ্য পাওয়া যায়। সার্বিক বিষয়ে হোমল্যান্ড লাইফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

পাঠকের মতামত

হোমল্যান্ড লাইফ ইন্সূরেন্স এর অধিকাংশ আর্থিক আয় ব্যয়, প্রিমিয়াম আয় বেশির ভাগ তথ্য সাজানো! ভূয়া ব্যবসা দেখিয়ে পারফরমেন্স দেখিয়ে সাবেক এমডি /সিইও ১২ বছর দায়িত্ব পালন করেন এবং বর্তমান চেয়ারম্যান কে সুবিধা প্রদান করে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ১২০ কাঠা জমি বিক্রি করে বিভিন্ন ভাবে টাকা আত্মসাৎ করে। কোম্পানি কোটি কোটি রিনূয়াল ব্যবসা শো করে তার বিপরীতে বিনিয়োগ কোথায়! প্রকৃত পক্ষে ইন্সূরেন্স ব্যবসা না বোঝার কারণে মালিকদের ঠকাচ্ছে। এই কোম্পানির প্রদর্শিত ইনকাম আর বিনিয়োগ, ব্যাংক জমা এবং পেমেন্ট ক্রসচেক করলে আর্থিক শুভকংরের তথ্য বের হয়ে যাবে। যার পরিমাণ কয়েকশত কোটি টাকা।

Baki billah Khondaka
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১১:০১ পূর্বাহ্ন

সিইও এবং চেয়ারম্যানকে আগে আটক করেন, এরা প্রবাসী বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করে দেশকে রসাতলে নিতে চায়।

Titu Meer
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার, ৬:৫৪ অপরাহ্ন

প্রথম পাতা থেকে আরও পড়ুন

প্রথম পাতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status