ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২২, সোমবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

নির্বাচিত কলাম

বেহুদা প্যাঁচাল

ইডেন লাইফে শাকেরার এক্সপেরিয়েন্স, কি সেই হৃদয়বিদারক কাহিনী?

শামীমুল হক
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার

ছাত্ররাজনীতির কারণেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে টর্চারশেলের খবর আসে। কথায় কথায় ছাত্রদের ওপর নির্যাতনের খড়গ নামে। গেস্টরুম, র‌্যাগিং, ভর্তি ও সিট বাণিজ্য কোনোটিই বন্ধ হয় নি, বরং বেড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় যারা চালান, তারা হয় নির্বিকার, নয়তো ক্ষমতাসীন দলের কাছে আত্মসমর্পণ করে বসে আছেন। এসব ঘটনার একটিতেও দায়িত্বশীলরা কোনো ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে শোনা যায়নি। উপরন্তু দু’-একটি ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের কথায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের প্রাধ্যক্ষ, প্রক্টরিয়াল কাজে নিয়োজিত শিক্ষক কোনো প্রকার তদন্ত ছাড়াই নিরীহ শিক্ষার্থীকে পুলিশের কাছে তুলে দিয়েছেন এমন ঘটনাও ঘটেছে।  এমন করলে একপক্ষ আশকারা পাবে। নির্যাতিত পক্ষ দিন দিন ঝিমিয়ে পড়বে। প্রশাসনের প্রতি তাদের ক্ষোভ বাড়তে থাকবে


আলোচনা-সমালোচনা কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না ইডেন কলেজ ছাত্রলীগকে। সিট বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, ছাত্রীদের দিয়ে নেত্রীদের নোংরা খেলার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

বিজ্ঞাপন
এসবের ব্যাখ্যায় যাওয়ার আগে ইডেন কলেজের সাবেক ছাত্রী শাকেরা আরজুর ‘ইডেন লাইফ কষ্টের’ শিরোনামে লেখাটি চোখ বুলিয়ে নেয়া যাক। শাকেরার লেখা এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল। শাকেরা তার অভিজ্ঞতায় লিখেছেন-‘ইডেন নিয়ে মুখ খুললে শেষ হবে না। কিসের লেখাপড়া? সতীত্ব নিয়ে বেঁচে থাকাই দায়। শুধু ইডেন নয়; মেয়েরা এখন কোনো ভার্সিটিতেই নিরাপদ নয়। সুন্দরী হলে তো বর্গা ফ্রি। হল তো হল নয়; যেন...। জীবনে বহু বান্ধবীর কাছ থেকে শুনেছি তাদের সতীত্ব হারানোর হৃদয়বিদারক কাহিনী। অনেক মেয়ে ওপেন মুখ না খুললেও, বান্ধবীদের কাছে বলে। শাকেরা নিজের কথা বর্ণনা করেছেন এভাবে-আমার ইডেন লাইফ কেটে গেছে। প্রতিদিন দু’রাকাত নামাজ পড়ে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করতাম যেন, শকুনদের চোখে না পড়ি। আল্লাহ পাক দোয়া কবুল করেছেন। আমাদের  মেস মেম্বাররা সবাই ছিলাম নামাজি। ইডেন লাইফের এক্সপেরিয়েন্স আছে অনেক। অনেক সময় দেখতাম, চোখের সামনেই এক বান্ধবীকে ডেকে নিয়ে গেছে, একটু কান দিলে শুনতাম তার কষ্টের গোঙানির শব্দ। পাশের  মেসে ঢুকতেই দেখিছি বহু কিছু। কিছুই করার নেই, ছিল না। নিজেকে সেইফ রাখতে পারাই যে বড়ো বিষয়। পাশের রুমের এক বোন গেছে তিন দিন আগে। কয়েকজন ‘পৌরুষ ষাঁড়’ নিজেদের কাম বাসনা পূরণ করে ছেড়ে দিয়েছে। অগত্যা হলে এসে কাঁদলো। শুনলাম, সান্ত্বনা দিলাম, যাওয়ার আগেই তো ভাবতে পারতে। এইগুলা তো রুটিন হিসেবে চলে। অনেক মেয়ে ভিভিআইপি হোস্টেলে নম্বর দিয়ে আসে।

 ইডেনের ছাত্রীদের টেস্ট করলে অনেক মেয়ের ব্লাডে জীবাণু পাওয়া যাবে। হলগুলোতে সতীত্ব ঠিক রেখে থাকা কষ্টের। ইডেন নয়; বান্ধবীরা যারা অন্যান্য কলেজ-ভার্সিটিতে পড়ে খবর নিয়েছি, ফিজিক্যালি যন্ত্রণা আছেই। ভোগের রাজ্যে সবাই পাহারাদার। সবই চলে নিয়মিত, বাড়িতে যায় ভদ্র সেজে। এভারেজ ছেলেরা দায়ী নয়; কিছু মেয়েও আছে দুশ্চরিত্রের। ওরা যত পুরুষাঙ্গ দেখেছে, জীবনে এত কাঁচা মরিচও দেখে নাই। অনেক মেয়ে নিজ থেকেই ছেলে পটায়, নাইট কাটে নিজ খরচে। আজিমপুর, বকশীবাজারে  মেস নেয় কয়েকজন মিলে। এই তো  মেস নয়; সেক্স পাওয়ার কম্পিটিশন হাউস। এই  মেসেই কুমারিত্ব শেষ। সব হারিয়ে বাড়িতে যায়। আর বউ হয়ে ঢাকায় ফিরে।’ শাকেরার এ লেখা পড়ে চমকে উঠতে হয়। তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায় ন। কিন্তু গত ক’দিন ধরে ইডেন কলেজে যা হচ্ছে শাকেরার কথার প্রতিধ্বনিই শোনা যাচ্ছে ছাত্রলীগ নেত্রীদের মুখে। আর এসব কারণে কিছুদিন পরপরই সংবাদ শিরোনাম হয় কলেজটি। ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ নেত্রীদের নিয়ে বর্তমান সময়ে কথাবার্তা আর দু’গ্রুপের চুলোচুলি দেশজুড়ে এখন আলোচনায়। এখানে চলে অবাধে সিট বাণিজ্য। চলে নানা অনিয়ম। ছাত্রীদের ডেকে নিয়ে অশ্লীল ছবি তোলার অভিযোগও উঠেছে এ সময়ে। নেত্রীদের কথায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের রাত বিরাতে অন্দরমহলে যেতে হয়। 

 

 

না গেলে তার ওপর চলে নির্যাতনের খড়গ।  সমপ্রতি ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষের পর এক নেত্রী অভিযোগ করেছেন, হলে থাকা টার্গেটকৃত ছাত্রীদের নির্ধারিত ব্যক্তির সঙ্গে জোরপূর্বক যৌনতায় লিপ্ত হতে বাধ্য করছেন ছাত্রলীগের কিছু নেত্রী। এ ধরনের কাজে রাজি না হলে ওই ছাত্রীদের ওপর নেমে আসে নির্যাতনের খড়গ। সঙ্গে অর্থও আদায় করা হয়। ছাত্রলীগের ওই নেত্রী আরও অভিযোগ করেছেন, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কক্ষে ডেকে নিয়ে আপত্তিকর ছবি তুলে রাখতেন নেত্রীরা। পরে এসব ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে নির্ধারিত ব্যক্তিদের সঙ্গে একান্তে দেখা করতে পাঠাতেন। এর সঙ্গে নানা ধরনের ভয়ভীতিও দেখানো হতো এবং ওই নেত্রীরা রীতিমতো ব্যবসা শুরু করে দিয়েছিলেন বলে তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে এ ধরনের অভিযোগ ভয় এবং শঙ্কার। এই অভিযোগ ইডেনের কুৎসিত চেহারা সামনে এনেছে। শাকেরাও তার লেখায় এর বর্ণনা দিয়েছেন। অভিযোগটি লজ্জার। প্রশ্ন জাগে আমরা কোথায় যাচ্ছি? নৈতিক অধঃপতনের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছি না তো? ইডেনের মতো দেশের স্বনামধন্য কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এমন অভিযোগ পিলে চমকে যাওয়ার মতো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের পাঠান শিক্ষা অর্জন করতে। 

কিন্তু সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যদি হয় অধঃপতনের মাধ্যম তাহলে আর থাকেটা কি? দুর্ভাগ্য হলো ছাত্রলীগের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন এ ধরনের কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে যাচ্ছে। দিনের পর দিন একটি কলেজে এমন ঘটনা ঘটছে। কলেজের অধ্যক্ষ, হল সুপারসহ দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাজ কি? তাদের কি কারও কাছে জবাবদিহিতা নেই। শিক্ষাগুরু হিসেবে তারা কি তাদের সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে পারছেন না। কেন তারা এসব বেহায়াপনাকে প্রশ্রয় দিলেন?  এসব কি শুধু ইডেনেই হচ্ছে? এই তো কিছুদিন আগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ কর্মীদের হাতে নির্যাতিত হয়েছিলেন এক ছাত্রী। ওই ছাত্রী বন্ধুকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানে বেড়াতে গিয়ে ছাত্রলীগ কর্মীদের নির্যাতনের মুখে পড়েন। তাকে মারধর ও বিবস্ত্র করে ছবি তোলে ছাত্রলীগ কর্মীরা। সঙ্গে থাকা বন্ধুটিকেও মারধর করে বেঁধে রাখা হয়। সে ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। মামলাও হয়েছে। দুই বছর আগে সিলেটের এমসি কলেজের ঘটনা তো সারা দেশকে নাড়া দিয়েছে।  ইডেনের নানা ঘটনা এখন প্রকাশ্যে আসার কারণ ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে রেষারেষি। অত্যাচারিত হয়ে একটি গ্রুপ ফুঁসে উঠে। দু’টি গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এ নিয়ে মারধর, হামলা, সংঘর্ষ, হোস্টেল থেকে বের করে দেয়ার ঘটনাও ঘটে।

  একপক্ষ ছাত্রলীগের সভাপতি-সেক্রেটারিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। ঘটনা তদন্তে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে ছাত্রলীগ। কিন্তু তদন্তে নামার আগেই ১২ জনকে ছাত্রলীগ থেকে আজীবনের জন্য বহিস্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়ার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সিট বাণিজ্যে ও নানা অশোভন কাজের সঙ্গে জড়িত উল্লেখ করে কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস গণমাধ্যমে কথা বলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। গণমাধ্যমে কথা বলার সময় জান্নাতুল ফেরদৌস ও তার সঙ্গীদের ওপর পেছন থেকে রীভা এবং রাজিয়ার অনুসারীরা হামলা চালায়। এ ঘটনার পর কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ছাত্রলীগের একাংশ। এ দু’জনের বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। প্রশ্ন হলো কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কোন যুক্তিতে তদন্তের আগেই ১২ ছাত্রলীগ নেত্রীকে বহিষ্কার করলেন? এর কোনো উত্তর হয় না। শাক দিয়ে হয়তো নেতারা মাছ ঢাকতে পারবেন।  একসময় ছাত্র নেতাদের দেখলে সাধারণ মানুষ শ্রদ্ধায় মাথানত করতেন।

 ছাত্র নেতারা ছিলেন অনেকের আদর্শ। আজ আমরা কি দেখছি? কি শুনছি? এতে করে ছাত্ররাজনীতির ওপর মানুষের আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে। ছাত্ররাজনীতির গতিপথ বদলে গেছে। এখন সরকারদলীয় ছাত্র নেতাকর্মীরা উন্মুখ হয়ে থাকেন বিরোধী ছাত্র সংগঠনকে শায়েস্তা করতে। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দু’দফা পেটানোর দৃশ্য দেশবাসী দেখেছে। মঙ্গলবারও ছাত্রদলের নতুন কমিটির নেতারা অনুমতি নিয়ে ভিসিকে ফুল দিতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। বেধড়ক পিটুনি দেয়। যদিও ছাত্রলীগ বলছে, এটা তাদের কাজ নয়। ছাত্রদলের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের ফল এটি। এই যখন ছাত্ররাজনীতির অবস্থা তখনই সুর উঠে  বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র রাজনীতির দ্বার খোলার। কিন্তু এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ওই সব প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা-পরিচালকরা। একই সঙ্গে ওই সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও সেখানে ছাত্ররাজনীতি ঢুকতে না দেয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে। ছাত্ররাজনীতির কুফলের কারণেই এই অনীহা। 

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় যে পার্থক্য, তা হলো ছাত্র ও শিক্ষকদের দলীয় রাজনীতি। দলীয় লেজুড়বৃত্তির কারণে ছাত্র রাজনীতিতে সহিংসতা এখন নিত্যসঙ্গী। ছাত্ররাজনীতির কারণেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে টর্চারশেলের খবর আসে। কথায় কথায় ছাত্রদের ওপর নির্যাতনের খড়গ নামে। গেস্টরুম, র‌্যাগিং, ভর্তি ও সিট বাণিজ্য কোনোটিই বন্ধ হয় নি, বরং বেড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় যারা চালান, তারা হয় নির্বিকার, নয়তো ক্ষমতাসীন দলের কাছে আত্মসমর্পণ করে বসে আছেন। এসব ঘটনার একটিতেও দায়িত্বশীলরা কোনো ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে শোনা যায়নি। উপরন্তু দু’-একটি ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের কথায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের প্রাধ্যক্ষ, প্রক্টরিয়াল কাজে নিয়োজিত শিক্ষক কোনো প্রকার তদন্ত ছাড়াই নিরীহ শিক্ষার্থীকে পুলিশের কাছে তুলে দিয়েছেন এমন ঘটনাও ঘটেছে।  এমন করলে একপক্ষ আশকারা পাবে। নির্যাতিত পক্ষ দিন দিন ঝিমিয়ে পড়বে। প্রশাসনের প্রতি তাদের ক্ষোভ বাড়তে থাকবে। তাই সকল অভিযোগই গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন। ইডেনের ঘটনায়ও তদন্ত করা দরকার। এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করা জরুরি। পাশাপাশি ছাত্ররাজনীতির ধারায় আমূল পরিবর্তন কীভাবে আনা যায়, সেদিকে সবার নজর দেয়া প্রয়োজন। এমনটা হলে ছাত্ররাজনীতি ফের আশার আলো দেখাতে পারে দেশবাসীকে।  

পাঠকের মতামত

সমাজ চরম অধঃপতন এর নিচ দিয়ে যাচ্ছে, এখনই প্রয়জন ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করার ,,,শিক্ষা অঙ্গন শুধু শিক্ষার জন্য,রাজনীতির জন্য না,,, আগে দেখতাম জমিদারের বংশের লোকেরা রাজনীতি করে ফকির হয়ে যেত,,আর এখন ফকিন্নির বংশের লোকেরা রাজনীতি করে জমিদার হয়ে যাচ্ছে,,,, নতুন এই পতিতালয় বন্ধ করে,,ইহাকে গার্মেন্টস সেক্টরে রূপান্তর করলে লক্ষ কর্ম সংস্থার বেবস্থা হবে, এবং দেশের অর্থনীতি উন্নতি হবে,,,,

mobinul islam
২ অক্টোবর ২০২২, রবিবার, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ন

ছাত্র রাজনীতি চিরতরে নিষিদ্ধ করা উচিৎ। ছাত্র রাজনীতি বন্ধ না হলে এগুলো চলতে থাকবে। কারণ যে সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকবে তাদের অংগ সংগঠন গুলোকে ব্যবহার করবে কখনো এদেরকে নিয়ন্ত্রণ করবে না। পৃথিবিতে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখন কোন দলের অংগ সংগঠন নাই। এমনকি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক রাস্ট্র ভারতেও। ছাত্রী রাজনীতি নিষিদ্ধ করা এখন যুগের দাবি।।

মিলন আজাদ
১ অক্টোবর ২০২২, শনিবার, ৭:০৩ অপরাহ্ন

Who does not know this???????????????????????????????????

Anon
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার, ১০:১২ অপরাহ্ন

পতনের শব্দ শুনি।

গোলাম রব্বানী
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৫:২৮ অপরাহ্ন

STOP STUDENT POLITICS IN COLLEGES AND UNIVERSITIES.UNTILL FURTHER ...

OMAR FARUK
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৯:২৭ পূর্বাহ্ন

I think student politics in Eden should be banned like BUET immediately It seems very powerful people are behind this .

SlaveofAllah
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৯:০০ পূর্বাহ্ন

Very critical situation. The prime minister own self should handle the matter. She should figure out who are the leaders involve to make the Eden students their sex toys. Where is the nation moving. Is it our development and achievements? If it continues then no good people will want marry eden student. A lot of questions will arise. The government should take necessary actions to stop this kind of shameless activities . All the criminal should face the court so that victims get establish their rights . If not then wait for the punishment from Allah . Thanks

SlaveofAllah
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৮:৫৬ পূর্বাহ্ন

৯৬-২০০০ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের ধর্ষন, পরবর্তীতে বিশ্বজিত হত্যা, বুয়েটের দেশপ্রেমিক ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা, এমসি কলেজে নারীকে গণধর্ষণ সহ হাজারো ধর্ষন অপকর্ম করে চলেছে ছাত্রলীগ।

এ কে এম জামসেদ
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৩:১৯ পূর্বাহ্ন

বেহুদা পেচাল এর কলাম লেখক সম্মানিত শামীমুল হক সাহেবকে বলছি, ঐ সমস্যার সমাধান কি? আপনার পরামর্শ গুলো উপস্থাপন করুন। আপনি উদ্যোগ গ্রহণ করুন। আপনার পরামর্শ উপযুক্ত হলে অভিভাবকগন আপনাকে সমর্থন করবেন এবং তা বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। পেচাল চালিয়ে যান। একদিন সফলকাম হবেন।

আপনার শুভাকাঙ্খী
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৩:১৮ পূর্বাহ্ন

আওয়ামীলীগ এই ৩ টার্ম এর শাসনের বড় অর্জন ছাত্রলীগ। বিশ্বজিত হত্যা, বুয়েটের আবরার ফাহাদ হত্যা, এমসি কলেজে নারীকে দাবেধে গণধর্ষণ এভাবে গুণে বা লিখে শেষ না করার মতো শত অপরাধ এর পর ইডেনে যে কান্ডটি প্রকাশ পেলো জাতির কাছে আওয়ামীগ কি জবাব দিবে। তারা যে আদর্শ লালন করেন সেই আদর্শের সাথে এসব ঘটনা কি সাংঘর্ষিক নয়? আর ছাত্রলীগই কি জবাব ছাত্র সমাজের কাছে যাবে?

ইয়াসীন খান
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ২:৩৭ পূর্বাহ্ন

ছাত্রলীগের নেত্রীদের বিয়ে করার আগে HIV test করে নিয়েন।

Gulshan
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ২:২২ পূর্বাহ্ন

ইডেনের এই পাপিষ্ঠরা না থাকলে, নেতাদের মনরঞ্জন করবে কে? যাদের মন রঞ্জন করা হয়েছে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হউক।

এন,এম,হোসাইন আকবর চৌ
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১:১৫ পূর্বাহ্ন

BSL ভয়ংকর ছাত্র সংগঠন। রিভা রাজিয়ারা যাদের আশ্রয়ে প্রশ্রয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠছে জাতির সামনে তাদের পরিচয় তুলে ধরতে হবে।

abdullah al muktadir
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন

ছাত্রলীগ একটি পশু সংগঠন । পশুরা যাহা যাহা করে তারাও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে তাহা তাহা করছে । তাই সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্র রাজনীতি নিষিধ্ব করা এখন সময়ের দাবি । এসব হায়েনাদের লালসার শিকার সাধারন ছাত্র ছাত্রীরা হবে এটা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না ।

mamun
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার, ১১:৫২ অপরাহ্ন

কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিভাবকদের সংগঠন করা হোক। কোনো অভিভাবকের একটি সন্তানের ওপর যদি কোনো ছাত্র সংগঠন নির্যাতনের খবর পাওয়া যায় সঙ্গে সঙ্গে সকল অভিভাবক ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে, প্রতিশোধ নিতে হবে, প্রতিরোধ করতে হবে। ছেলে মেয়েদের নিরাপত্তার জন্য অভিভাবকদের চুপ করে বসে থাকার দিন শেষ। এখন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সংগঠনটি হবে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক। কোনো রাজনৈতিক দলের লোক অভিভাবক সংগঠনের সদস্য হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। যে সকল অভিভাবক তাঁদের সন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে চান তাঁরা বিষয়টি বিবেচনা করবেন।

আবুল কাসেম
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার, ১১:৩৩ অপরাহ্ন

কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিভাবকদের সংগঠন করা হোক। কোনো অভিভাবকের একটি সন্তানের ওপর যদি কোনো ছাত্র সংগঠন নির্যাতনের খবর পাওয়া যায় সঙ্গে সঙ্গে সকল অভিভাবক ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে, প্রতিশোধ নিতে হবে, প্রতিরোধ করতে হবে। ছেলে মেয়েদের নিরাপত্তার জন্য অভিভাবকদের চুপ করে বসে থাকার দিন শেষ। এখন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

আবুল কাসেম
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার, ১১:২৯ অপরাহ্ন

আমার ও সন্তান আছে। এখন তো তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন।so Please stop Politics in education sector asap

Khalil
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার, ১১:১২ অপরাহ্ন

I reiterate "problem is in the Head, no use blaming Nails and Toes; if the Head functions properly and fairly, Nails and Toes cannot betray". Is anyone there who doesn't know, who mentors BCL?

Citizen
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার, ১০:২৩ অপরাহ্ন

ছাত্রলীগ একটি ঘৃনিত নাম এখন সবার কাছে

Md.Shahed Sultan
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার, ১০:২০ অপরাহ্ন

অত্যাচারিত গ্রপ ফুসে না উঠলে কি হতো। রীভা রাজিয়াদের দৌরাত্ব লাগামহীন ভাবে চলতো। লাগাম কেউ দেয়নি এখনো। বরং আহত হবার অভিনয় পর্ব শেষে বহাল তবিয়তে পুস্প মাল্যে বরিত হয়ে পরবর্তী ভয়ংকর দৃশ্য মঞ্চায়নের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছে। তখনো ঐ একই কারন দেখিয়ে হা হুতাশের ফিরিস্তি বেরুবে। কারন রিভা রাজিয়ারা সংঘঠনর ঐতিহ্যের আশ্রয়ে প্রশ্রয়ে এতোটা বেপরোয়া হয়ে উঠতে পেরেছে।

মোহাম্মদ হারুন আল রশ
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার, ৮:২১ অপরাহ্ন

যাদের কাছে পাঠানো হতো তাদের নাম পরিচয় জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে।

বাহাউদ্দীন বাবলু
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার, ৫:৩২ অপরাহ্ন

World er kotao nai ai Student Politics? Bangladesh a Satro Rajniti Nisiddho kora oti Joroori

salman
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার, ৩:৪৯ অপরাহ্ন

ছি ছি ছি!!! এইসব কথা শুনে মুখ দিয়ে থু থু আসে! বমি আসে এই ছাত্রলীগ শুনলে।

মিলু
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার, ১২:০৯ অপরাহ্ন

আমার ও সন্তান আছে। এখন তো তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন।

Sujon
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

নির্বাচিত কলাম থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

নির্বাচিত কলাম থেকে সর্বাধিক পঠিত

সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ/ কি খেলা হবে ১০ই ডিসেম্বর?

প্রেম-পরকীয়া নিয়ে দুই নায়িকার বাহাস/ হারিয়ে যাচ্ছে কি ভালো সিনেমার আলোচনা?

১০

কাওরান বাজারের চিঠি/ ম্যারাডোনা, আম্পায়ারিং এবং পরীমনি

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status