ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার, ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিঃ

শেষের পাতা

একতরফা নিষেধাজ্ঞার ক্ষতির বিষয় জাতিসংঘে তুলবেন প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার

বাকিংহাম প্যালেসে বৃটিশ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে আজ লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে অবস্থানের পর ২০শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৭৭তম সাধারণ অধিবেশনে যোগদানের লক্ষ্যে নিউ ইয়র্কে যাবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে গতকাল সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন জানান, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে একতরফা নিষেধাজ্ঞায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষতির কথা জাতিসংঘে তুলে ধরে সংকট সমাধানে আলোচনার ওপর জোর দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ২৩শে সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্ক পর্বে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিবারের মতো এবারও সেখানে বাংলায় বক্তৃতা দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বক্তব্যের বিষয়বস্তু সম্পর্কে ধারণা দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির ক্ষতি কাটিয়ে না উঠতেই ইউক্রেন সংঘাত বিশ্বকে সামষ্টিক অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে যে প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হবে সে বিষয়টি এবং সংকট মোকাবিলায় একতরফা জবরদস্তিমূলক পদক্ষেপ কিংবা নিষেধাজ্ঞার মতো সিদ্ধান্ত না নিয়ে সংকট সমাধানে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান এবং বহুপাক্ষিকতাবাদকে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে গুরুত্বারোপ করতে পারেন। এক প্রশ্নের জবাবে মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে পাবলিকলি বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞার কারণে, নিষেধাজ্ঞা যাদেরকে আঘাত করার জন্য করা হয়েছিল, তার পরিবর্তে বিশ্ববাসী এর ফলে কষ্ট পাচ্ছে, অসুবিধায় পড়েছে।

 বিভিন্ন দেশ এর জন্য অসুবিধায় পড়েছে। উদ্দেশ্য ছিল যাকে শাস্তি দেয়ার, সে অতো অসুবিধায় পড়ছে কিনা, আমি জানি না।

বিজ্ঞাপন
কিন্তু অন্যান্য লোকজন বহু কষ্টে আছে। এর আগে অনেক যুদ্ধ হলেও ক্ষতির বিবেচনায় এবারের ভিন্ন পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, যুদ্ধের তো শেষ নাই, ছোটখাটো যুদ্ধ লেগেই আছে। কিন্তু সে সমস্ত যুদ্ধ অনেক সময় আমাদের অর্থনীতিকে বা আমাদের মুদ্রাস্ফীতিকে ওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে না।  কিন্তু এবারে, বিশেষ করে নিষেধাজ্ঞার কারণে আমাদের জনজীবনে মুদ্রাস্ফীতি, সাপ্লাই চেইন, ট্রানজেকশন চেইন এগুলোতে বেশ প্রভাব পড়েছে। তো, সেটাই দুঃখজনক। এই জন্য এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় যাতে সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিলে পরে এটা আরও ফলপ্রসূ হবে এবং মানুষের অমঙ্গল কম হবে। সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়েও প্রশ্ন উঠে। প্রধানমন্ত্রীর সফরে র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি আসবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন বলেন, অবশ্যই আসবে, এটা আমরা সবসময় তুলি। এটা আসবে। আমরা এটা প্রতিনিয়ত তুলছি। এতে কোনো ব্যত্যয় হবে না। র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা কতোটুকু যৌক্তিক? এমন প্রশ্নের জবাবে মোমেন বলেন, সেটি আমি জানি না। যারা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন, তারা কিছু লোক বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিস্তারিত বক্তব্য দেননি যে, কী কী কারণে তারা নিষেধাজ্ঞাটি আরোপ করলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা (যুক্তরাষ্ট্র) মোটামুটি বলে দিয়েছেন যে, নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। কিন্তু কী কারণে দিলেন- সেটি আমরা জানতে চাই। এটি হলে আমরা আরও ভালোভাবে বিষয়টি সম্পর্কে পদক্ষেপ নিতে পারতাম। কিন্তু তারা নির্দিষ্ট করে বলেননি যে, এ কারণে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।  

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যাওয়ার আগে ১৯শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লন্ডনে অবস্থান করবেন তিনি। ১৯শে সেপ্টেম্বর বাকিংহাম প্যালেসে বৃটিশ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দেয়ার পর নিউ ইয়র্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী।  জাতিসংঘের বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেয়ার পর প্রধানমন্ত্রী ২৫শে সেপ্টেম্বর থেকে ১লা অক্টোবর ওয়াশিংটন সফর করবেন। নিষেধাজ্ঞার প্রভাবের পাশাপাশি বাংলাদেশের অভাবনীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং প্রযুক্তিখাত বিকাশে সরকারের কার্যক্রম বক্তৃতায় তুলে ধরবেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের মতো ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যে টিকা এবং প্রতিষেধকের ন্যায্য ও আরও ন্যায়সঙ্গত বণ্টনের আহ্বান বক্তৃতায় পুনর্ব্যক্ত করতে পারেন শেখ হাসিনা। আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে উপায় খুঁজে বের করার জন্য আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়কে আহ্বান জানাতে পারেন। মোমেন জানান, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের বলিষ্ঠ অবস্থান, সন্ত্রাস ও সহিংস উগ্রপন্থার বিষয়ে বাংলাদেশের ‘জিরোটলারেন্স’ নীতি, সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ অভিবাসন, অভিবাসীদের মৌলিক পরিষেবা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা, জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ফিলিস্তিন সম্পর্কিত বিষয়সমূহ তার বক্তব্যে উঠে আসবে। তিনি জানান, রানীর শেষকৃত্যে যোগ দেয়ার কারণে ১৯শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শিক্ষাব্যবস্থার বিবর্তন নিয়ে একটি শীর্ষ সম্মেলনে উপস্থিত থাকতে পারবেন না শেখ হাসিনা। 

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ওই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধিত্ব করবেন বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ২০শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্ল্যাটফরম অব উইমেন লিডার্স-এর উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সভায় প্রধানমন্ত্রী সংকট মোকাবিলায় তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীদের উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে তার নেতৃত্বের সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরতে পারেন। চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপের (জিসিআরজি) উচ্চ পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হবে ২১শে সেপ্টেম্বর। এ গ্রুপে ছয়জন চ্যাম্পিয়নের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অন্যতম। চলতি বছরের মার্চে জাতিসংঘ মহাসচিব খাদ্য, জ্বালানি ও আর্থিক বিষয়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শেখ হাসিনাসহ মোট ছয়টি দেশের রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানগণের সমন্বয়ে এ গ্রুপটি গঠন করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উচ্চ পর্যায়ের এ সভায় বর্তমান প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তার সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করবেন। উক্ত বৈঠকে জি-৭, জি-২০ প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। ২২শে সেপ্টেম্বর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিট্যান্স (এএমআর) বিষয়ক একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় কো-চেয়ার হিসেবে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এবারের অধিবেশনে দ্য ফিউচার অব ডিজিটাল কো-অপারেশন: বিল্ডিং রেজিলিয়েন্স থ্রু সেইফ, ট্রাস্টেড অ্যান্ড ইনক্লুসিভ ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং ‘বহুপাক্ষিকতাবাদ ও খাদ্য নিরাপত্তা’ বিষয়ক আলাদা দুটি উচ্চ পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হবে।

 এ দুটি উচ্চ পর্যায়ের সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন শেখ হাসিনা। প্রথম সভায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় অংশ নিতে পারেন বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মোমেন জানান, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে এবার কোনো পার্শ্ব অনুষ্ঠান জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ভেতরে হবে না। তবে, রোহিঙ্গা সমস্যা ও টেকসই আবাসন নিয়ে আলাদা দুটি অনুষ্ঠান আয়োজন করবে বাংলাদেশ। পাশাপাশি জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ভেতরে পদ্মা বহুমুখী সেতু বিষয়ক একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। রোহিঙ্গা বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের পার্শ্ব অনুষ্ঠান ২২শে সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে, যাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অংশ নেবেন।  যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ওআইসি সেক্রেটারিয়েট, কানাডা, সৌদি আরব, তুরস্ক, গাম্বিয়া, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া রোহিঙ্গা বিষয়ক পার্শ্ব অনুষ্ঠানটি কো-স্পন্সর করবে। জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনার, জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত, এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মহাপরিচালক অনুষ্ঠানে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ব্রিফ করবেন। ২১শে সেপ্টেম্বর টেকসই আবাসন বিষয়ক পার্শ্ব অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ এবং জাতিসংঘ আবাসন সংস্থা যৌথভাবে এর আয়োজন করছে।  কসোভোর প্রেসিডেন্ট, ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট, স্লোভেনিয়ার প্রেসিডেন্ট,  কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী, জাতিসংঘ মহাসচিব, জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রসিকিউটর, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের নির্বাহী পরিচালকের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা।

 মোমেন জানান, প্রতিবারের ন্যায় এবারও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের আয়োজনে একটি গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে দেশের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধাগুলো উপস্থাপন করবেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা তাদের বিনিয়োগ প্রস্তাব বাংলাদেশের কাছে তুলে ধরবেন। প্রতি বছরের মতো এবারও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজনে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারত সফরে যাওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত যাওয়া হয়নি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর। সে সময় শারীরিক অসুস্থতার কথা বলেছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।  জাতিসংঘে সফরে শিক্ষামন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীসহ নিজেও প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হবেন বলে বুধবার জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন। ভারত সফরে না যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, এবারের সফরে তার যাওয়া হচ্ছে কিনা? উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইনশাআল্লাহ যাচ্ছি। সবই উপরওয়ালার ইচ্ছা। আমরা জানি না, হঠাৎ করে যদি আমার খুব অসুবিধা হয়ে যায়, মরেও যেতে পারি। ভারত সফরে না যাওয়ার পর তার মন্ত্রিত্ব থাকা নিয়েও বিভিন্ন ধরনের আলোচনা উঠেছিল। এ বিষয়ে আব্দুল মোমেন বলেন, কেউ কেউ বাড়ন্তভাবে এগুলো বলে থাকেন। আমি আশা করি, তারা বুঝতে পারবে।

শেষের পাতা থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

শেষের পাতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং স্কাইব্রীজ প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, ৭/এ/১ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status