ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার, ১১ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৯ সফর ১৪৪৪ হিঃ

নির্বাচিত কলাম

সাফ কথা

একজন নিভৃতচারী শহীদুল জহির ও বর্তমানের আমলা লেখকরা

কাজল ঘোষ
৩১ আগস্ট ২০২২, বুধবার

কমিটির যোগ্য বই বাছাইকারীদের চিনে রাখা জরুরি। কেননা, নবীরুল ইসলাম কোন তরিকায় কমিটির সকলকে বশ করলেন যে ২৯টি বই সকল আমলাদের পড়ার জন্য নির্বাচিত হলো। ভাগ্যিস এই তালিকাটি পত্রিকায় রিপোর্ট হওয়ায় সবার চোখে পড়েছে এবং বাতিল হয়েছে না হলে সরকারি কর্মকর্তাদের ‘জ্ঞানচর্চা ও পাঠাভ্যাসের’ কি করুণ হাল হতো? যাক এ যাত্রায় বেঁচে গেলেন সরকারি কর্মকর্তারা


নিজে লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত তিন দশক। প্রথম বই প্রকাশ হয়েছে ২০০০ সালে। পত্রিকায় কাজ করি। বলা যায় পেশাজীবী লেখক। যখন যে বিষয় নিয়ে লেখা দরকার তাই করি। অমুকের সাক্ষাৎকার, তমুকের ওপর একটি স্টোরি, সাম্প্রতিক ইস্যু নিয়ে লেখালেখি, বেড়াতে গেলে ভালো লাগা জায়গাগুলো নিয়ে লেখা চলেই। নিমাই ভট্টাচার্যের একটি জনপ্রিয় বই আছে ‘মেম সাহেব’। বলা চলে বাংলা সাহিত্যে জনপ্রিয় সিরিজের এটি একটি।

বিজ্ঞাপন
তারুণ্যের শুরুতে গোগ্রাসে পড়েছি। সেখানে একটি দারুণ শব্দ ব্যবহার করেছেন তিনি সাংবাদিকদের নিয়ে, ফেরিওয়ালা জার্নালিস্ট। লেখক বুঝাতে চেয়েছেন যে সকল সাংবাদিকরা খবরের ফেরি করে আয় করেন তাদের। এই লাইনটি পড়া অব্দি নিজেকেও একজন ফেরিওয়ালা জার্নালিস্ট মনে হয়। প্রসঙ্গটির অবতারণা করেছি একজন লেখক ও সাংবাদিক হিসেবে ব্যক্তিগত অবস্থান স্পষ্ট করতেই।  পেশাগত লেখালেখির এই তিন দশকে আজব আজব বিষয় চোখে পড়েছে। প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছে অনেক বিষয় নিয়ে। যেমন,  আমাদের দেশে প্রশাসনের বিভিন্ন ক্যাডারে কর্মরত অনেকেই লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তাদের ডজন ডজন বই মেলার মাঠে দেখেছি। এদের কেউ ছড়াকার, কেউ কবি, কেউবা কথাসাহিত্যিক। তাদের দাপটে ঈদ সংখ্যাগুলোতে সৃজনশীল লেখকদের অনেকেই জায়গা পেতেন না। 

অনেক খোঁজখবর নিয়েছি এসব লেখকদের মেধার উৎস কি? কীভাবে তারা রাষ্ট্রের সম্পদ পাচার রোধের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে লেখালেখি করেন? যারাই প্রথম সারিতে ঠাঁই করে নিয়েছেন সেই কর্মকর্তারা অর্থের বিনিময়ে ভালো লিখতে পারে এমনদের মেধাকে কিনে নিয়েছেন। আরও সহজ করে বললে তারা অর্থ দিয়ে ভালো লিখতে পারে এমনদের পুষেছেন।  একুশে বইমেলা এলেই সেইসব কাস্টমস কর্মকর্তাদের বইয়ে বাজার সয়লাব হয়ে যেত। তাদের অনেকেই প্রয়াত হয়েছেন। কেউ কেউ এখনো এসব বই প্রকাশের মোহ থেকে কিছুটা সরে এসেছেন। অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠানের কর্তা ব্যক্তিদের দেখেছি লেখকদের ভাড়া করে বই লিখাতে। সেটি যদি নিজের আত্মজীবনী হয় বা সাক্ষাৎকারভিত্তিক হয় তাতে কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়। যেমন, পৃথিবীখ্যাত ব্যক্তিদের আত্মজীবনী বা বায়োগ্রাফি কিন্তু অনুলিখন বা সহ লেখকরাই লিখেছেন। আমেরিকান অনেক প্রেসিডেন্ট রয়েছেন, এশিয়ারও অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রয়েছেন যাদের বই অন্যেরাই লিখে দিয়েছেন। যারা লিখেছেন তাদের নামও রয়েছে বইয়ের প্রিন্টার্স লাইনে। এটি সিদ্ধ। কারণ বড় বড় রাজনৈতিক বা সামাজিক ব্যক্তিত্বদের পক্ষে নিজের লেখালেখি করার মতো সময় বের করা সত্যিই দুরূহ কাজ। এর বিনিময়ে সহ লেখকরাও অর্থ নিয়েছেন। আমাদের দেশেও এটি আছে।

 কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, যেসব লেখাকে আমরা মৌলিক বলে দাবি করি বা সৃজনশীল বলে আখ্যায়িত করি তেমন লেখা যখন অন্যেরা লিখে দেন এটি কোন ধরনের অপরাধের আওতায় পড়ে?  আরও জঘন্যতম যে ঘটনাটি ঘটে তা হচ্ছে, চুরি-চামারি, কাটিং, পেস্টিং আর অর্থ দিয়ে অন্যের সৃজনশীল লেখা নিজের নামে কেনা এইসব লেখক যখন রাষ্ট্রীয় পুরস্কারে ভূষিত হন। রাষ্ট্রযন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত একটি গ্রুপ এইসব লেখকদের পাঠানো নানা উপঢৌকনে খুশি হয়ে তাদের লেখার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন এবং তাদের গলায় স্বর্ণ শাপলা ঝুলিয়ে দেন তখন তাদের নিজেদের বুক কাঁপে কিনা? তাদের বিবেক বলে কিনা এটা অন্যায়? আমার হাত দিয়ে এই অন্যায় হয়েছে, তা ঠিক হয়নি। তবে এই চিত্রটি যে কয়বার বদলেছে তা শুধুমাত্র সাংবাদিকদের লেখালেখি আর চারপাশে সংঘবদ্ধ প্রতিবাদের আওয়াজে।    বিতর্ক চলছে একটি বই ক্রয়ের তালিকা নিয়ে। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই তালিকাটি বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু কথা হচ্ছে একজন আমলা-কাম লেখক নবীরুল ইসলামের ২৯টি বই কী করে তালিকায় প্রবেশ করলো। যারা এই বাছাই কমিটিতে ছিলেন তাদের কী একবারও মনে হয়নি এটি অযৌক্তিক বা অন্যায়। বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে। নোবেল জয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বই কোন তালিকায় এতগুলো স্থান পেয়েছে তা খুঁজে দেখার দায়িত্ব সেই কমিটিকে দিলে ভালো হতো। কী অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কমিটির সদস্যরা এমন গাঁজাখুরি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তাদের তালিকাও জনসমক্ষে প্রকাশ করা দরকার। কমিটির যোগ্য বই বাছাইকারীদের চিনে রাখা জরুরি।

 কেননা, নবীরুল ইসলাম কোন তরিকায় কমিটির সকলকে বশ করলেন যে ২৯টি বই সকল আমলাদের পড়ার জন্য নির্বাচিত হলো। ভাগ্যিস এই তালিকাটি পত্রিকায় রিপোর্ট হওয়ায় সবার চোখে পড়েছে এবং বাতিল হয়েছে না হলে সরকারি কর্মকর্তাদের ‘জ্ঞানচর্চা ও পাঠাভ্যাসের’ কি করুণ হাল হতো? যাক এ যাত্রায় বেঁচে গেলেন সরকারি কর্মকর্তারা। না হলে অতিরিক্ত সচিব নবীরুল ইসলামের চাপিয়ে দেয়া এই বই-ই পড়তে হতো সরকারি কর্মকর্তাদের। এমন ঘটনা এবারই প্রথম নয়। কিছুদিন আগেই স্বাধীনতা পদকের জন্য ঘোষিত নামের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয় আমির হামজা নামক একজন ব্যক্তিকে। ঐ ব্যক্তিকে পুরস্কার দেয়া হয়েছিল সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য।  শুনে অবাক হবেন আপনারা, মাত্র দুটি বইয়ের জন্য সাহিত্যে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদকটি পেয়েছিলেন তিনি। আরও মজার বিষয় হচ্ছে আমির হামজার বই দুটি পুরস্কার ঘোষণার মাত্র কয়েক বছর আগেই প্রকাশিত। ‘বাঘের থাবা’ ও ‘পৃথিবীর মানচিত্রে একটি মুজিব তুমি’ তড়িঘড়ি প্রকাশ করা হয়েছে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ এই পদকটি বাগিয়ে নিতে। আর তা করেছেন প্রয়াত আমির হামজার সুযোগ্য সন্তান সরকারের উপ-সচিব মো. আসাদুজ্জামান। সন্তান হিসেবে পিতা একজন ফৌজদারি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ার পরও তিনি সেই চেষ্টা করতেই পারেন। 

 

 

আর ক্ষমতার প্রভাব বলয়ে সেই কাজটি করতে আসাদুজ্জামান সক্ষমও হয়েছেন। প্রশ্ন থাকে, এ ধরনের রাষ্ট্রীয় পদকে নাম ঘোষণার আগে নানারকম সংস্থা দিয়ে যাচাই বাছাই করা হয়, কমিটিতেও যোগ্য মানুষেরা থাকেন তারা সকলেই কি আমির হামজার নাম চূড়ান্ত হওয়ার সময় জেগে জেগে ঘুমাচ্ছিলেন? ঘটনার পরম্পরা জানার পর যে কারও পক্ষেই বুঝতে অসুবিধা হবে না, কী ঘটে আমলাদের টেবিলে টেবিলে।  আমাদের সামনে হয়তো দুটি দৃষ্টান্ত আছে। যে ঘটনাগুলো নিয়ে অনুসন্ধানী রিপোর্ট হয়েছে। প্রশাসন বাধ্য হয়েছে এমন অসদুপায় অবলম্বনের জন্য তা বাতিল করতে। কিন্তু এর বাইরে অনেকরকম বই ক্রয় হয়ে থাকে। অনেক রকম পুরস্কার দেয়া হয়ে থাকে। বিশেষ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে। পূর্বের সেইসব তালিকাগুলোও যাচাই করে দেখা দরকার। পূর্ববর্তী দুজনের মতো আরও কোনো কোনো লেখকের নাম যুক্ত হয়েছে কিনা তালিকায় যাদের লেখা কেউ পড়েনি, যাদের বই কেউ কখনো দেখেনি। এগুলো প্রকাশিত হয়েছে শুধুই সরকারি টাকাগুলো নয়ছয় করে নিজেদের পকেটে নেয়ার জন্য।  কিন্তু প্রভাবশালী আমলা ছিলেন, লেখক হিসাবেও উচ্চতর আসনে অভিষিক্ত ব্যক্তিগতভাবে এমন বেশক’জন লেখককে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। একজন আব্দুশ শাকুর আর অন্যজন সদ্য প্রয়াত মাহবুব তালুকদার।

 আব্দুশ শাকুর নিজ লেখার প্রতি যে ধরনের যত্নশীল ছিলেন তা প্রায় মিথের পর্যায়ে পড়ে। শোনা যায় তিনি বই প্রকাশের আগে সম্পাদনায় এত বেশি খুঁতখুঁতে ছিলেন যে, বানান ও সম্পাদনা সংশ্লিষ্টদের বাড়ি চলে যেতেন। আর যতক্ষণ না সমাধান পেতেন ততক্ষণ বইপত্র নিয়ে চুলছেঁড়া বিশ্লেষণ করতেন। এমন অনেক হয়েছে যে, বই প্রকাশের জন্য প্রেসে চলে গেছে তিনি তা আটকে দিয়েছেন। অন্যদিকে সাবেক নির্বাচন কমিশনার, সদ্য প্রয়াত মাহবুব তালুকদার সরকারের পাঁচজন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কাজের সংযোগ পেয়েছেন। বঙ্গভবনে কাজের অভিজ্ঞতা, দীর্ঘ আমলা জীবনের অভিজ্ঞতা ও কমিশনের কাজ নিয়ে বই লিখেছেন নির্মোহভাবে। এই দুজন মানুষ জীবদ্দশাতে তাদের বই সরকারি ক্রয়ের জায়গায় নিতে দেন-দরবার করেছেন এমন কথা কখনো শুনিনি।  আরেকজন নিভৃতচারী অথচ বাংলা সাহিত্যের বাঁক পরিবর্তন করা লেখক শহীদুল জহির। যিনি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের আমলা ছিলেন। কিন্তু মানুষটির লেখক জীবন ছিল একেবারেই আলাদা।

 

আর হালের আমলা নবীরুল ইসলামরা লেখক হতে চান নিজেদের যোগ্যতায় নয় আমলা হওয়ার সুবিধা বলয় ব্যবহারের মাধ্যমে। লেখালেখি যে কেউ করতে পারেন বা পারবেন এটা তার মৌলিক অধিকার। কিন্তু কারা লেখক বা কার লেখা বই দেশের মানুষের পড়া দরকার তার যাচাই বাছাইয়ে দরকার নির্মোহভাবে সেই লেখক ব্যক্তিটিকে জানা

 

 তিনি সচিবালয়ে তার দপ্তরে যখন কাজ করতেন তখন কেউ জানতেন না তিনি এত বড় শক্তিমান লেখক। তিনি আমলা জীবনে সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে কাজ শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উপ-সচিব পর্যন্ত হয়েছিলেন অথচ বিস্ময়করভাবে কতোটা নির্মোহ ছিলেন। কতোটা নৈর্ব্যত্তিক জীবনযাপন করেছেন। গ্রীন রোডের ছোট সরকারি কোয়ার্টারের চিলেকোঠায় বসে বাংলা সাহিত্যে নতুন মাত্রা যুক্ত করেছেন। মানুষটির চলনে বলনে কখনো তার প্রকাশ সহকর্মীরা পর্যন্ত দেখেননি। আর হালের আমলা নবীরুল ইসলামরা লেখক হতে চান নিজেদের যোগ্যতায় নয় আমলা হওয়ার সুবিধা বলয় ব্যবহারের মাধ্যমে। লেখালেখি যে কেউ করতে পারেন বা পারবেন এটা তার মৌলিক অধিকার। কিন্তু কারা লেখক বা কার লেখা বই দেশের মানুষের পড়া দরকার তার যাচাই বাছাইয়ে দরকার নির্মোহভাবে সেই লেখক ব্যক্তিটিকে জানা এবং লেখকের লেখা সত্যিকার অর্থেই নিজের লেখা কিনা তা নিবিড়ভাবে পরখ করা। প্রকাশিত বইয়ের ভেতরে কী আছে বা যার বই নির্বাচিত করছি সেই লেখকটি ধান্ধাবাজ বা অসততা করে লেখক হয়েছে কিনা তার যাচাই হওয়া উচিত নৈর্ব্যক্তিক ভাবে।

পাঠকের মতামত

শুধুমাত্র শহীদুল জহির নয় আরও অনেক আমলা লেখক আছেন, যাদের লেখা এ সাংবাদিক সাহেবের বোধগম্য হবে না। ড. আকবর আলী খানের 'পরার্থপরতার অর্থনীতি ' পড়ে দেখুন, বুঝতে পারেন কি না!

আলম পাটোয়ারী
৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার, ৫:০৭ পূর্বাহ্ন

একজন প্রণব ভট্টর জন্য পুরো কাস্টমস ডিপার্ট্মেন্টের লেখকদের নিয়ে কথা বলা সাংবাদিক ভাইয়ের ঠিক হয়নি। প্রণব ভট্ট ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হিসেবে জীবদ্দশায় নাম করেছিলেন। তার এই সাময়িক নাম করার পিছনে ভূমিকা রেখেছেন টিভি মিডিয়ার প্রযোজক, সংবাদপত্রের সাহিত্য সম্পাদক, প্রকাশক, সেলিব্রিটি লেখক আর তথাকথিত সাংবাদিক ভাইয়েরা। কীভাবে এবং কিসের বিনিময়ে তাঁদের এই অধঃপাত হয়েছে, তা নিশ্চয়ই প্রতিবেদক ভাইয়ের জানা আছে।

সিরাজুল ইসলাম মুনির
১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৪:৫১ পূর্বাহ্ন

"সব শালা কবি হবে, পিঁপড়ে গোঁ ধরেছে উড়বেই, দাঁতাল শুয়োর এসে রাজাসনে বসবেই।"- খোলা কবিতা মোহাম্মদ রফিক

Aminul
৩১ আগস্ট ২০২২, বুধবার, ৫:২৪ পূর্বাহ্ন

কবি,লেখক, বিজ্ঞানী হওয়া অত্যন্ত দুরহ ব্যপার। প্রখর মেধার লোকজন শুধু কবিতা, উপন্যাস, আবিষ্কার করতে পারেন।ভারাটে লোকজন দিয়ে কবির, উপন্যাস লেখার কথা শুনতাম প্রয়াত প্রেসিডেন্ট এরশাদের নাম।যাহোক এখন আমলা নামক মহাক্ষমতাধর লোকজন ভারাটে কবি,লেখক হয়েছেন।কারণ ক্ষমতা যেতে হলে তাদের উপর ভরসা করে যেতে হবে। ক্ষমতা না যেতে পারলে এত লুটপাট কেমনে করবে।

জাহিন
৩১ আগস্ট ২০২২, বুধবার, ৩:১৬ পূর্বাহ্ন

সাহিত্যের সামগ্রি নজরদারির বাইরে থাকলে তা ওৎ পেতে থাকা সুবিধাবাদি কপটদের দখলে চলে গেলে বিকাশমান বুদ্ধিবৃক্তিক ধারা ব্যহত হয়-সে বিবেচনায় নিবন্ধটি ওদের প্রতি যথাযথ সতর্ক বার্তা বলেই বিবেচিত হয়েছে।

মোহাম্মদ হারুন আল রশ
৩১ আগস্ট ২০২২, বুধবার, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন

নবীরুল সহ ক্রয় তালিকার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আইনের আওতায় আনা উচিত। একটা সভ্য দেশে এরকম অসততা কল্পনা করা যায়না। সামান্য ৯ কোটি টাকার ক্রয়াদেশেই যারা এরকম দুর্নীতি আর ছোটলোকি প্রদর্শন করে তাদের হাতে রাষ্ট্রের কোন সম্পদ নিরাপদ নয়। এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত যাতে ভবিষ্যতে এরকম ধান্দাবাজি করার সাহস কেউ না দেখায়।

ধান্দাবাজ আমলা-লেখক
৩০ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১১:২৭ অপরাহ্ন

সমসাময়িক এরকম অনেক লেখক পাওয়া যায় যারা কেবল সুযোগের যথাযথ ব্যবাহার করার জন্য লেখক নামের তকমা পেয়েছেন !সেটা চাকরি বা তার বাইরেও আছে ! হাজার অনিয়মের মধ্যে এটা একটা মাত্র !!

hiron
৩০ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ৮:২৭ অপরাহ্ন

Shahidul Zahir( Shahidul Haque) died as a secretary to the government of Bangladesh on 23rd March 2008

Md. Robiul Islam
৩০ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ৭:৫২ অপরাহ্ন

Lekha ti pore kadte shuru korlam. Evabe amader ar kadabe na ❤️❤️❤️❤️❤️❤️

Hasan
৩০ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১:২৪ অপরাহ্ন

শহীদুল জহিরের ছিল সাহিত্যচর্চা করা প্রতিভা আর হাল আমলাদের বইয়ের নামগুলো দেখে ও তাদের ব‍্যবসার ধরণ দেখেই বুঝা যাচ্ছে তাদের প্রতিভা হোল নগদ হালুয়ারুটি প্রাপ্তির সফলতায়।

আনিস উল হক
৩০ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন

নির্বাচিত কলাম থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

নির্বাচিত কলাম থেকে সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট / আমরা এখানে কীভাবে এলাম?

বেহুদা প্যাঁচাল: মমতাজের ফেরি করে বিদ্যুৎ বিক্রি, রাব্বানীর দৃষ্টিতে সেরা কৌতুক / কি হয়েছে সিইসি কাজী হাবিবের?

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং স্কাইব্রীজ প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, ৭/এ/১ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status