সরঞ্জামের অভাব সত্ত্বেও গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে ২৫০টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে উদ্ধারকর্মীরা। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা। গাজার সিভিল ডিফেন্স মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল চলমান উদ্ধার অভিযান নিয়ে আল জাজিরার সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ থামার পর থেকে আমরা ২৫০ টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছি। এর মধ্যে কয়েকটি মৃতদেহ সড়কে পড়ে ছিলো। ধ্বংসস্তূপ অপসারণের জন্য ভারী যন্ত্রপাতির ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এখনও ১০ হাজার মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন। যাদের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। যুদ্ধের ধ্বংসাবশেষ ও বিস্ফোরক পদার্থ মানুষের জীবনের জন্য একটি বড় হুমকি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ বলেছেন, ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী সীমানাসহ একটি শক্তিশালী এবং কার্যকর ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা পাকিস্তানের মধ্যপ্রাচ্য নীতির ভিত্তি হিসেবে রয়ে গেছে। এক্সে এক পোস্টে শেহবাজ বলেছেন, গতকাল মিশরে গাজা শীর্ষ সম্মেলনে পাকিস্তানের অগ্রাধিকার ছিলো গাজার ওপর চাপিয়ে দেয়া গণহত্যার অবসান। ডনাল্ড ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরষ্কারের জন্য মনোনীত করার ঘোষণার পর যখন তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এমন সময় ওই মন্তব্য করলেন শেহবাজ।
এদিকে জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজা পুনর্গঠনে প্রজন্মের পর প্রজন্ম সময় লাগবে। বলা হয়েছে, ইসরাইলকে অবিলম্বে গাজায় তাঁবু ও ক্যারানভাস পৌঁছে দিতে হবে। বালাক্রিশান নামের জাতিসংঘের বিশেষ দূত বলেন, মানুষ ওই এলাকাগুলোতে ধ্বংসস্তূপ ছাড়া আর কিছুই পায়নি। বলেন, ভুক্তভোগীরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।
