ঢাকা, ১৯ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ৪ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২০ মহরম ১৪৪৪ হিঃ

প্রথম পাতা

চলন্ত বাসে বর্বরতা

আগেও এ ধরনের ঘটনায় জড়িত ছিল ওরা

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
৬ আগস্ট ২০২২, শনিবার

টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় আরও ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল ভোরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও মৌচাক   এলাকার সোহাগপল্লী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এনিয়ে এ ঘটনায় মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হচ্ছেন কালিয়াকৈরের কাঞ্চনপুরের আলীর ছেলে মো. আউয়াল (৩০), একই উপজেলার শিলাবহ পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাহেজের ছেলে নুরনবী (২৬)। গতকাল দুপুর ১২টায় দিকে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার তার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এ সময় এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরও বলেন প্রাথমিকভাবে আসামিদের সকলের মধ্যেই মাদক গ্রহণের সব রকমের লক্ষণ রয়েছে এবং তারা পূর্বেও এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল। এদিকে গ্রেপ্তারকৃত রাজা মিয়াকে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের পর বৃহস্পতিবার থেকেই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। তার কাছ থেকে বাস ডাকাত চক্রের সম্পর্কে তথ্য নেয়া হচ্ছে। এর আগে তারা আরও কোনো ডাকাতি কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছে কিনা, তাদের দলের সদস্য সংখ্যা, তারা আর কী ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থেকে ঈগল পরিবহনের একটি বাস নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

বিজ্ঞাপন
রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জের একটি খাবার হোটেলে যাত্রা বিরতি করে। সেখান থেকে যাত্রা শুরুর পর ৩ দফায় যাত্রীবেশী কয়েকজন ডাকাত বাসে ওঠে। বাসটি টাঙ্গাইল অতিক্রম করার পর ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে চালককে জিম্মি করে বাসটি তাদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। তারা যাত্রীদের হাত, পা, চোখ বেঁধে তাদের সব লুটে নেয়। এ সময় বাসে থাকা একাধিক নারী যাত্রী ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হন। পরে বাসটি টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের দিকে ডাকাতরা নিয়ে যায়। রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাসটি মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া নামক স্থানে রাস্তার খাদে পড়ে যায়। পরে স্থানীয় লোক ও ফায়ার সার্ভিস যাত্রীদের উদ্ধার করে। পরে পুলিশ আসলে যাত্রীরা ডাকাতি ও নির্যাতনের বিষয়টি জানান। ওই বাসের যাত্রী হেকমত মিয়া বাদী হয়ে মধুপুর থানায় বাস ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করেন।

পাঠকের মতামত

ধষ’কদের সর্বোচ্চ শাজা অথবা বিষেশ অংগ কেটে দেয়ার আইন করা জরুরী।কারন ইহা ১জন নারী -তার পরিবারের ঊপর সাঁড়া-জীবন অন্ধকার নিয়ে আশে।প্রতিটি ধরষকের উন্মুক্ত বিচার চাই।শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমের যারা (পুরুষ/নারী)ফাঁদে ফেলে তাদেরো কঠিন বিচার পোরয়োজন।

Mohammad Huda
৬ আগস্ট ২০২২, শনিবার, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন

ধষ’কদের সর্বোচ্চ শাজা অথবা বিষেশ অংগ কেটে দেয়ার আইন করা জরুরী।কারন ইহা ১জন নারী -তার পরিবারের ঊপর সাঁড়া-জীবন অন্ধকার নিয়ে আশে।প্রতিটি ধরষকের উন্মুক্ত বিচার চাই।

Mohammad Huda
৬ আগস্ট ২০২২, শনিবার, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন

রিমান্ডে নিয়ে সকল তথ্য পাওয়ার পর এদেরকে ক্রসফায়ারে দেয়া উচিৎ।

S. M. Shamim
৬ আগস্ট ২০২২, শনিবার, ১:৪৭ পূর্বাহ্ন

এরা যদি আগেও এই কাজ করে থাকে। তারা যদি মাদক সেবী হয়। তারা যদি আগেও এসব অপ্ রাধ করে থাকে। তাহলে তারা আমাদের ছোট ছোট বন আমাদের মা আদরের মেয়েদের জীবন নস্ট করেছে ধর্ষন খুনের চেয়েও জঘন্য কাজ। তারা ভবিষ্যতেও এই কাজ করবে আর আমাদের চৌকশ পুলিশ অফিসার রা এদের ধরে আদালতে দিবে আর আফালত কন অজ্জাত কারনে বারবার তাদের ছেড়ে দিবে। এটা হবে না। এসব খুন ধর্ষন বন্ধ করতে হলে শুধু আসামি ধরলে হবে না মূল সমস্যার দিকে নজর দিতে হবে। যদি দেখা যায় অপরাধি বার বার ছাড়া পেয়ে জঘন্য অপরাধ করে যাচ্ছে৷ তাহলে জারা বিচারের সাথে জড়িত ছিল তাদের খুজে বের করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। প্রকাশ্যে তাদের জানাতে হবে কিভাবে এরা ছড়া পেল।

নাসির আহমেদ খান
৫ আগস্ট ২০২২, শুক্রবার, ৭:৫৯ অপরাহ্ন

প্রথম পাতা থেকে আরও পড়ুন

প্রথম পাতা থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status