ঢাকা, ১৬ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৭ মহরম ১৪৪৪ হিঃ

শিক্ষাঙ্গন

খেলার মাঠে রাজনৈতিক সমাবেশ

আমি ভীষণভাবে লজ্জিত ও দুঃখিত: শিক্ষামন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার

(২ সপ্তাহ আগে) ২৮ জুলাই ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন

ফাইল ছবি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে আয়োজিত থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকায় নিজে লজ্জিত ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। বিব্রত মন্ত্রী বলেছেন, আমি আসলে খুবই বিব্রত। এটা আমার অজান্তেই ঘটেছে। আমি গত পরশুদিন ঢাকার দক্ষিণখানে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গিয়েছি। আমি চলে আসার পর জেনেছি যে সেখানে আশপাশের বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেই মাঠ ব্যবহার করে। সেখানে সেই রাজনৈতিক সমাবেশটি হয়েছে। পরে আমি খোঁজ নিয়ে জানলাম, আমাকে বলা হলো সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শিক্ষাকার্যক্রম চলেছে। যদিও বলা হয়েছে শিক্ষা কার্যক্রম চলেছে, আসলে কতটা চলেছে সেটা আমি জানি না। ওখানে যখন প্যান্ডেল করা হয়েছে তখন শিক্ষা কার্যক্রম একেবারে নির্বিঘ্নে হয়েছে এটা মনে করার কোনো কারণ নেই। সে কারণে আমি সত্যিই ভীষণভাবে লজ্জিত ও দুঃখিত।

বিজ্ঞাপন
  
বুধবার রাতে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।  

গত সোমবার রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায় পাশাপাশি পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে আয়োজন করা হয়েছিল থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। 
দীপু মনি বলেন, দু-একটি সংবাদমাধ্যমে খবরটি এসেছে। যেহেতু তিনি শিক্ষামন্ত্রী, তাই এ বিষয়ে বলতে চান। সবাই বলছেন, খেলার মাঠের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। খোলা মাঠ বলতে এখন শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মাঠ। এর বাইরে খুব বেশি মাঠ নেই। এলাকাভিত্তিক রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় যে অনুষ্ঠানই করা হোক না কেন, দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিকল্প কোনো মাঠ না থাকার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ-প্রাঙ্গণ ব্যবহার করা হয়।

দীপু মনি বলেন, ‘আমাদের একটি মোটামুটি নির্দেশনা আছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত অনুষ্ঠান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে করার। কিন্তু বাইরের কোনো অনুষ্ঠান নিরুৎসাহিত করি। কোনো এলাকায় হয়তো বিকল্পই নেই। কিছুই করার থাকে না। তখন বলা হয়, যেন শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত না হয়। আমি আসলেই খুবই বিব্রত। আমার অজান্তেই ঘটনাটি ঘটেছে।

 

পাঠকের মতামত

যোগ্য দলের যোগ্যনেতা। আর সব কয়টার মতো এই মহিলাও নির্লজ্জ। বার-বার সমাবেশ করতেও দিবেন, আবার বার-বার বিব্রতও হবেন, এটা কোন ধরনের অভদ্রতা?

Arif
১৩ আগস্ট ২০২২, শনিবার, ৯:৩০ অপরাহ্ন

লজ্জিত হবার কি আছে যা করবেন সবইতো দেশের জন্য ই করছেন

হেলাল
২৮ জুলাই ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১১:১৪ অপরাহ্ন

If you are ashame why are you not taking action ? Please don't try to wash your hand ,that's shameful political gathering is doing by your party.

Nannu chowhan
২৮ জুলাই ২০২২, বৃহস্পতিবার, ৬:৩৯ অপরাহ্ন

লজ্জা শব্দটা যে নিজেও লজ্জিত হলো!

Nilima
২৮ জুলাই ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১:৩২ পূর্বাহ্ন

There is nothing to be ashamed and sorry, because educational institutions at present in Bangladesh are being used as your party office.

Iqbal Mirza
২৮ জুলাই ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১:০৯ পূর্বাহ্ন

লজ্জা থাকলেতো লজ্জিত হবেন।

ফরাজি লিটন
২৮ জুলাই ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন

স্কুল ও কলেজের মাঠ গুলো তো বাপ দাদার সম্পত্তি। কাজেই লজ্জিত হবার কিছু নেই।

pipilika
২৭ জুলাই ২০২২, বুধবার, ১১:১১ অপরাহ্ন

ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না । পস্তাবেন কেন। খোঁজ খবর নিয়ে জেনে শুনে গেলেই হত।

Kazi
২৭ জুলাই ২০২২, বুধবার, ১১:০৩ অপরাহ্ন

আর কত হাসবেন, ম্যাম! লজ্জিত? আপনাদের পলিটিক্সের উন্মাদনা দেশটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে।

Robin
২৭ জুলাই ২০২২, বুধবার, ১০:০৮ অপরাহ্ন

শিক্ষাঙ্গন থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

শিক্ষাঙ্গন থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status