ঢাকা, ১৩ নভেম্বর ২০২৪, বুধবার, ২৮ কার্তিক ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৬ হিঃ

বিশ্বজমিন

উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারি

মানবজমিন ডেস্ক

(১ মাস আগে) ১২ অক্টোবর ২০২৪, শনিবার, ৪:০৬ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ৪:৩১ অপরাহ্ন

mzamin

যুক্তরাষ্ট্রের তেলসমৃদ্ধ মিত্রদের বড় আকারে সতর্কতা দিয়েছে ইরান। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের মতো মার্কিন মিত্রদের এই সতর্কতা পাঠানো হয়েছে গোপন কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে উদ্ধৃত করে এক রিপোর্টে এসব তথ্য দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি। এতে বলা হয়েছে আরব প্রতিবেশী এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের সতর্ক করে ইরান বলেছে, যদি তাদের ভূখণ্ড অথবা আকাশসীমা ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণে ইসরাইলকে ব্যবহার করতে দেয়া হয় তাহলে তার কঠোর প্রতিশোধ নেয়া হবে। 

এ মাসে শুরুর দিকে ইসরাইলকে টার্গেট করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরান। তার জবাবে তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ নেয়ার হুমকি দিয়েছে ইসরাইল। ওই হামলার ফলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইসরাইলি কর্মকর্তারা। ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা বা তেলক্ষেত্রের ওপর প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে তারপর। এই হামলা করতে যদি ইসরাইলকে কোনো দেশ তাদের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান।  ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মতে, ওইসব দেশ এরই মধ্যে আরেকটি বৃহত্তর যুদ্ধে নিজেদের জড়ানোর বিষয়ে অস্বীকৃতি জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনকে। এসব জ্বালানিসমৃদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোর কর্মকর্তাদের আশঙ্কা তাদের তেলক্ষেত্র নিয়ে। এসব তেলক্ষেত্র প্রকৃতপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তায় আছে। তাদের আশঙ্কা যদি শত্রুতা বৃদ্ধি পায়, যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে তাহলে এসব স্থাপনা হতে পারে প্রধান টার্গেট। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন আছে বর্তমানে ওই অঞ্চলে। যদি ওইসব স্থাপনায় হামলা হয় তাহলে মার্কিন বাহিনীও বড় রকম ঝুঁকিতে থাকবে।  উপসাগরীয় দেশগুলোর বড় উদ্বেগের মধ্যে অন্যতম হলো- যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে বিশ্ব তেলের বাজারে তার বড় প্রভাব পড়বে। তারা মনে করেন ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ হলে তাতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল রপ্তানি বিঘ্নিত হবে। এই প্রণালীকে বিশ্ব বাজারে তেল সরবরাহের চেকপয়েন্ট হিসেবে দেখা হয়। ফলে সেখানে কোনো রকম বিঘ্ন ঘটলে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠবে। তাতে শুধু ওই অঞ্চলই অস্থিতিশীল হবে এমন না। একই সঙ্গে বিশ্ববাজারও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মতে, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত সহ আরব নেতারা  ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলায় জড়িত হওয়া এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে ইরানের কথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’ জাহাজকে লক্ষ্য করে। ইরানের পেট্রোলিয়াম পরিবহনের সঙ্গে জড়িত বহু কোম্পানি এবং জাহাজকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় নিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক যোদ্ধাগোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দেয়ার আর্থিক লাইফলাইন কর্তন করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

 

পাঠকের মতামত

ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ বাধলে মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলো বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবে। কারণ ইজরায়েলকে ইরানে বিমান হামলা বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করতে হলে মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোর আকাশ ব্যবহার করতে হবে।

হারুন রশিদ মোল্লা
১২ অক্টোবর ২০২৪, শনিবার, ৬:০৫ অপরাহ্ন

সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, মিশর আমেরিকার দালাল। এদেরকে ইরানের ছাড় দেয়া উচিৎ নয়।

এম,এইচ, বারী
১২ অক্টোবর ২০২৪, শনিবার, ৫:৩৬ অপরাহ্ন

বিশ্বজমিন থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2024
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status