বাংলারজমিন
বাগমারাতে আনন্দের জোয়ার
জমি পছন্দ হলেই দখল নিতেন সাবেক এমপি কালাম
স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী থেকে
৫ অক্টোবর ২০২৪, শনিবাররাজশাহী-৪ আসনের সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের বাগমারা এলাকায় কোনো জায়গা পছন্দ হলেই দখলে নেয়া ছিল তার নেশা। নামমাত্র মূল্যে তার নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী দ্বারা দখলদারী করতেন তিনি। এমনকি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাড়িঘর দখলেরও অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। সাত থেকে আটজনের অস্ত্রধারী এক ক্যাডার বাহিনী ছিল তার, ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন বাগমারাতে। তার এমপি হওয়া ৭ মাসের হলেও এর আগে তাহেরপুর পৌর মেয়র ছিলেন কয়েক মেয়াদে। গত বুধবার রাত ৮টার দিকে রাজধানীর শেওড়াপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৪ ও র্যাবের গোয়েন্দা শাখা। সরজমিন জানা গেছে, আবুল কালাম আজাদ ওরফে ভেকু কালাম গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দের জোয়ার বইছে তার এলাকা বাগমারাতে। গত ৫ই আগস্ট দুপুরের আগে বাগমারার ভবানীগঞ্জ বাজারে তার দলীয় ক্যাডার ছাত্রলীগ-যুবলীগসহ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের নিয়ে বোমা, ককটেল, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেন। তার সন্ত্রাসী বাহিনীরা পশ্চিম বাগমারা ৬ জন ছাত্রকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। তার অল্প সময়ে ক্ষমতা থাকা হলেও বাগমারাকে যেন তিনি ত্রাসের রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন। এমনকি এলাকায় শত শত বিঘা ধানি ও আবাদি জমিতে পুকুর খনন করে প্রত্যেক পুকুরে তার নিজস্ব মেয়ার নিয়েছেন জবরদস্তি করে। ৫ই আগস্টের পর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। বাগমারা থানার ওসি তৌহিদুল ইসলাম জানান, তাকে ৫ই আগস্ট ছাত্রদের ওপর হামলাসহ বাগমারা থানার ৫টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তিনি সবকটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এরমধ্যে ৩টি মামলায় আগামী রোববার আমরা আদালতের কাছে রিমান্ড আবেদন করা হবে।
আওয়ামীলীগের মধ্যে কি কোন সৎ লোক ছিল না ? আমাদের এলাকার এমপির তো এই মাস্তানি আচরণ আমরা দেখিনি । বংশ পরিচঢয় অনেক সময়েই কুকাজের বিরোদ্ধে ঢাল হয়। বংশ মর্যাদা রক্ষার জন্য এসব লোক কুকাজ করতে পারে না । আমাদের আওয়ামীলীগের এমপি 2019 সালের নির্বাচনে বিজয়ী।