ঢাকা, ১৬ আগস্ট ২০২২, মঙ্গলবার, ১ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৭ মহরম ১৪৪৪ হিঃ

শিক্ষাঙ্গন

নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ানো যাবে না

স্টাফ রিপোর্টার

(১ মাস আগে) ১৫ জুলাই ২০২২, শুক্রবার, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষক তার নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না। এমন বাধ্যবাধকতা রেখে শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সময়ের বাইরে শিক্ষকদের কোচিং-প্রাইভেটের সুযোগ রাখা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করা খসড়া অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট টিউশনের মাধ্যমে পাঠদানের জন্য কোচিং সেন্টার পরিচালনা করা বা কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করা নিষিদ্ধ বলে গণ্য হবে না। তবে কোচিং সেন্টারে কোনো শিক্ষক তার নিজ প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীকে পাঠদান করাতে পারবেন না। এমনকি কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষক নিজ প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীকে প্রাইভেটও পড়াতে পারবেন না। কোচিং চালাতে গেলে নিবন্ধন নিতে হবে। তবে সরকার নির্ধারিত অর্থের বিনিময়ে ও অভিভাবকদের সম্মতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণি কার্যক্রমের বাইরের সময় অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করা যাবে। অবশ্য এ বিষয়ে ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী আদেশ রয়েছে।

২০১১ সাল থেকে শিক্ষা আইনের খসড়া নিয়ে আলোচনা চলছে। অবশেষে শিক্ষা আইনের খসড়া প্রণয়ন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায় নোট-গাইড বই মুদ্রণ, বাঁধাই, প্রকাশ বা বাজারজাত নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
কেউ এই বিধান লঙ্ঘন করলে জেল-জরিমানা ভোগ করতে হবে। ১৯৮০ সালে করা একটি আইনেও অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত নোট-গাইড নিষিদ্ধই আছে। এ জন্য এখন নোট-গাইডের পরিবর্তে অনুশীলন বই বা সহায়ক পাঠ্যবই চলছে। প্রস্তাবিত আইনেও সরকারের অনুমোদন নিয়ে সহায়ক বই বাঁধাই, প্রকাশ বা বাজারজাত করার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে  কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কোনো শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সহায়ক বই কেনা বা পাঠে বাধ্য করতে পারবেন না। এসব বই কিনতে বা পাঠে বাধ্য বা উৎসাহ দিলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে।
 

পাঠকের মতামত

ক্লাশে পড়ানোর দায়িত্ত ছাড়াও শিক্ষকদের যদি দায়িত্ত দেয়া হয় যে প্রতিদিন অথবা সপ্তাহে একটা নির্দিস্ট সময় ক্লাশের বাইরে স্কুলে ছাত্র ছাত্রীদের লেখাপড়ায় সাহায্য করতে হবে তাহলে মনে হয় অনেক ছাত্র ছাত্রীদের আর কোচিং নিতে হবেনা। এতে অনেক ছাত্র/ছাত্রী বিশেষ করে যারা আর্থিক অসচ্ছল তাদের উপকার হবে। এটা চালু করতে হলে শিক্ষকদের বেতন অবশ্যই বাড়াতে হবে যেহেতু তারা অতিরিক্ত সময় দিচ্ছেন। আমি বিদেশে একটা university তে পড়াই এবং আমাদের ছাত্রদের লেখা পড়ায় অতিরিক্ত সাহায্য লাগলে তারা আমাদের কাছে আসে। তারা পয়সা খরচ করে কোন কোচিং center এ যায়না।

Dr. Mohammed Hashmat
১৯ জুলাই ২০২২, মঙ্গলবার, ৯:২২ অপরাহ্ন

এবার সরকারের সিধান্ত প্রশংসা যোগ্য।যদি এটি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়। ফলে আমাদের মতো গরিব ছাত্র-ছাত্রীর সুদিন আসবে।

Mohammad
১৫ জুলাই ২০২২, শুক্রবার, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন

শিক্ষাঙ্গন থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

শিক্ষাঙ্গন থেকে সর্বাধিক পঠিত

প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status