ঢাকা, ২০ জুলাই ২০২৪, শনিবার, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৩ মহরম ১৪৪৬ হিঃ

প্রথম পাতা

পেনশন স্কিম

কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা

স্টাফ রিপোর্টার
২২ জুন ২০২৪, শনিবার

অনড় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা। তারা সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয় স্কিম’ থেকে অন্তর্ভুক্তির বিপক্ষে আন্দোলন করে আসছেন দু’মাস ধরে। তারা বৃহৎ আন্দোলনে যাওয়ার আগে ৩০শে জুন পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে ১লা জুলাই থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিলেন।  তার আগে ২৫শে জুন থেকে টানা তিনদিন অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করবেন শিক্ষকরা। ৩০শে জুন পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন তারা। তারপরও দাবি আদায় না হলে ১লা জুলাই থেকে টানা সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে যাবেন শিক্ষকরা। তবে ১লা জুলাইয়ের আগে ক্লাস বর্জন করলেও পরীক্ষা চলবে। 

শিক্ষকরা তিনটি দাবি জানিয়েছেন। এগুলো হলো- গত ১৩ই মার্চ অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারি করা প্রত্যয় স্কিমের পেনশন বিষয়ক বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি এবং শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তন। দাবিগুলো আদায় না হওয়ায় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আন্দোলন চলমান রেখেছে। 

গত ৪ঠা জুন দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের ডাকা অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালিত হয়।

বিজ্ঞাপন
এদিন দুপুরে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কলা ভবনে ফেডারেশনের নেতারা ২৪শে জুন পর্যন্ত সরকারকে সময় বেঁধে দেন।

গত ৪ঠা জুন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা ঘোষণা দেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পয়লা জুলাই থেকে কোনো একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চলবে না। তিনি বলেন, প্রত্যয় স্কিম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বাদ দিলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। কিন্তু সমস্যা সমাধানে আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনাই করা হয়নি। এটি বৈষম্যমূলক পেনশন স্কিম। এটি থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বাতিল করা না হলে ১লা জুলাই থেকে সর্বাত্মক আন্দোলন চলবে। 

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া বলেন, এখনো আমরা আমাদের অবস্থানে অনড়। আগামীকাল (আজ) আমাদের শিক্ষকদের বৈঠক আছে, এখান থেকে আমরা কর্মপরিকল্পনা ঠিক করবো।
 

পাঠকের মতামত

অনড় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা। ---বিভিন্ন গোষ্ঠীভুক্তির কারণে জনগণের সাথে বৈষম্য করা যাবে না এটা সংবিধান বলেছে। অতএব পেনশনে কোন শ্রেণী থাকবেনা, সরকারি বেসরকারি বলতে কোন বিভাজন থাকবে না; যার যেমন আয় সে সেই অনুপাতে জমা দিবে ,নির্দিষ্ট সময়ের পর তার সেই জমাটাকার অনুপাতিক হারে পেনশন পাবে এই একটিই সিস্টেম হবে।পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ পেনশন ব্যবস্থা ইতালিতে আছে। এ ব্যাপারে ইতালির সহায়তা নেওয়া যেতে পারে!

Amir
২২ জুন ২০২৪, শনিবার, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন

সুদ মুক্ত ঐচ্ছিক পেনশন স্কীম চাই। বাধ্যতামূলক করা যাবে না কোনোভাবেই।

ইরফান
২২ জুন ২০২৪, শনিবার, ৭:২৫ পূর্বাহ্ন

প্রথম পাতা থেকে আরও পড়ুন

   

প্রথম পাতা সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2024
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status