ঢাকা, ১৫ জুলাই ২০২৪, সোমবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৮ মহরম ১৪৪৬ হিঃ

অনলাইন

কাস্টমসের সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

স্টাফ রিপোর্টার

(১ মাস আগে) ১৩ জুন ২০২৪, বৃহস্পতিবার, ৬:৪৯ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ১২:০৭ পূর্বাহ্ন

mzamin

কাস্টমসের সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরীর বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। চারটি মোবাইল কোম্পানিকে প্রায় ১৫৩ কোটি টাকা সুদ ছাড়ের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় তাকে এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এই আদেশ দেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর শুনানিতে অংশ নেন। আদালতের নির্দেশনায় ওই কমিশনারকে বিদেশ ভ্রমণে ৬০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে, ঢাকা-১-এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. শাহ আলম শেখ বাদী হয়ে ওয়াহিদা রহমানের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। তার বিরুদ্ধে আইনবহির্ভূতভাবে একক নির্বাহী সিদ্ধান্তে ১৬টি নথিতে ১৫২ কোটি ৮৯ হাজার ৩৯০ টাকা অপরিশোধিত সুদ মওকুফ করে সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়েছে, ওয়াহিদা রহমান মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও এয়ারটেলকে ওই সুবিধা দিয়েছিলেন। তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বৃহৎ করদাতা ইউনিটের কমিশনার হিসাবে অবসরে যান। বর্তমানে তিনি অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) আছেন।
জানা গেছে, চারটি প্রতিষ্ঠানের স্থান ও স্থাপনা ভাড়ার ওপর আইনিভাবে কর প্রযোজ্য হওয়ায় তা মেনে নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে যথাসময়ে ১৮৯ কোটি ৭৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা পরিশোধ করার কথা বলে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত কর মেয়াদে তা পরিশোধ না করায় মূসক আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য হারে প্রদেয় সুদের পরিমাণ হয় ১৫২ কোটি ৮৯ হাজার ৩৯০ টাকা। মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯১-এর ধারা ৩৭(৩) অনুসারে সুদ আদায়ের জন্য কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী অতি দ্রুত সুদের হিসাব করার নির্দেশ দেন। 

সুদ হিসাবে সরকারের পাওনা অর্থের মধ্যে গ্রামীণফোন লিমিটেডের কাছে ৫৮ কোটি ৬৪ লাখ ৮৮ হাজার ৬৯৭ টাকা, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনের কাছে ৫৭ কোটি ৮৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫১ টাকা, রবি আজিয়াটার কাছে ১৪ কোটি ৯৪ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং এয়ারটেল বাংলাদেশের কাছে ২০ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ৯৫২ টাকা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন
ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিন থেকে পাঁচ মাস পর ভিন্ন আদেশে ওই সুদ মওকুফ করে দেন ওয়াহিদা রহমান।

 

পাঠকের মতামত

দুর্নীতি ক্যামনে হইল? তাকে তো কাস্টমসের আইনে সুদ মওকুফের ক্ষমতা দেওয়া হইসে। তিনি তো সুদের টাকা বাসায় লইযা যান নাই।

অজিতকুমার
১৩ জুন ২০২৪, বৃহস্পতিবার, ১১:৪৮ অপরাহ্ন

এক জন কাষ্টম কমিশনারের ফাইনেসিয়াশ পাওয়ার অন লিমিট। তিনি চাইলে ১কোটি টাকা জরিমানা করতে পারেন আবার নাও করতে পারেন। এই নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবেনা।কেহ অসন্তুষ্ট হলে বিচারের পরবর্তী ধাপে যেতে পারেন

Zahid Hussain
১৩ জুন ২০২৪, বৃহস্পতিবার, ৯:৪৪ অপরাহ্ন

উনি কি এখনো দেশে আছেন ?

Andalib
১৩ জুন ২০২৪, বৃহস্পতিবার, ৬:৫৭ অপরাহ্ন

অনলাইন থেকে আরও পড়ুন

আরও খবর

   

অনলাইন সর্বাধিক পঠিত

Logo
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2024
All rights reserved www.mzamin.com
DMCA.com Protection Status