অনলাইন

‘সব দেশেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে কিছু মৃত্যু হয়, বাংলাদেশেও হয়েছে’

অনলাইন ডেস্ক

২১ জানুয়ারি ২০২২, শুক্রবার, ৫:০১ অপরাহ্ন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, সব দেশেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে কিছু মৃত্যু হয়, বাংলাদেশেও কিছু হয়েছে। আগে বেশি ছিল এখন খুব কম হয়েছে। তিনি বলেন, যখনই একটা মৃত্যু হয় তখন জুডিশিয়াল প্রসেসে সেটির তদন্ত হয়। দু’টি ক্ষেত্রে র‌্যাব অন্যায় করেছিল, জুডিশিয়াল প্রসেসে সেগুলোর বিচার হয়েছে। শুক্রবার সুনামগঞ্জে তিনটি স্কুল-মাদ্রাসা পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো ব্যক্তি বিশেষের ওপর হঠাৎ করে এই যে নিষেধাজ্ঞাগুলো দেয়া হয়েছে, সেটা কিন্তু খুব জাস্টিফাইড না। ওরা বলেছে যে, গত ১০ বছরে ৬শ জন মিসিং হয়েছে। আমেরিকাতে প্রতিবছর এক লাখ মানুষ মিসিং হয়। এর দায়দায়িত্ব কে নেবে? আর আমাদের দেশে মিসিং যারা হয়, পরবর্তীতে দেখা যায় আবার সে বের হয়ে আসছে। যারা অভিযোগ করেছে আমি তাদের আহ্বান জানিয়ে বলি- আসেন, দেখেন, লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন, সত্য ঘটনা উদঘাটন করেন। তারপর আপনারা সিদ্ধান্ত নেবেন।

তিনি বলেন, কিছু লোক আছে যারা আইন-শৃঙ্খলা পছন্দ করে না। যারা সন্ত্রাস পছন্দ করে তারাই র‌্যাবকে পছন্দ করে না। কারণ র‌্যাব তাদের বিরুদ্ধে কাজ করে। তিনি আরও বলেন, এই র‌্যাব তৈরি করেছে আমেরিকা ও বৃটিশরা। দে হ্যাভ বিন ট্রেইনড বাই ইউএসএ। ইউএসএ তাদের শিখিয়েছে তাদের রুলস অ্যান্ড এনগেজমেন্ট। কীভাবে মানুষের সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে, হাউ টু ইন্টারগেশন। এগুলো সব কিছু শিখিয়েছে আমেরিকা। তাদের যদি রুলস অ্যান্ড এনগেজমেন্টে কোনো দুর্বলতা থাকে, কোনো উইকনেস থাকে, এই রুলস অ্যান্ড এনগেজমেন্টে যদি কোনো হিউম্যান রাইটস ভায়োলেট হয়, অবশ্যই সেখানে নতুন করে ট্রেনিং দেয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের র‌্যাব কাজে-কর্মে অত্যন্ত দক্ষ। তারা খুব ইফেক্টিভ, ভেরি ইফিশিয়েন্ট। তারা করাপ্ট নয়। এ জন্যই তারা জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। আমাদের দেশের সন্ত্রাস তাদের কারণেই কমে গেছে। হলি আর্টিসানের পর গত কয়েক বছরে আর কোনো সন্ত্রাসী তৎপরতা হয়নি। এটা সম্ভব হয়েছে র‌্যাবের কারণে। স্বয়ং ইউএস স্ট্যাট অব ডিপার্টমেন্ট সেটা স্বীকার করেছে।
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com