প্রথম পাতা

রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে তালা

উত্তাল শাবি, অবরুদ্ধ ভিসি, পদত্যাগের দাবি

ওয়েছ খছরু ও আরাফ আহমদ, সিলেট থেকে

১৮ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার, ৯:৩৭ অপরাহ্ন

নিজ বাসভবনেই অবরুদ্ধ ভিসি প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন আহমদ। গতকাল বিকাল সাড়ে ৪টায় কয়েকশ’ শিক্ষার্থী তার বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। এ সময় ভিসি বাসভবনের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশের সামনেই ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ভিসি বিরোধী স্ল্লোগানে উত্তাল করে তোলেন ক্যাম্পাস। সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীদের একাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকে অবস্থান নেন। এ সময় ফটকের বাইরে জল কামান সহ নানা সরঞ্জাম নিয়ে বিপুলসংখ্যক পুলিশ অবস্থান করছিল। বাসায় ভিসি অবরুদ্ধ হওয়ার পর ক্যাম্পাসে  ফের মুখোমুখি অবস্থায় রয়েছে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থী ও পুলিশ। এই অবস্থায় বাড়ছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। বাড়ছে উত্তেজনাও। গতকাল সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় হাজার ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এখন একটাই দাবি- ভিসি ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগ। এ কারণে দুপুরেই তারা ক্যাম্পাসে ভিসিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন। নতুন ভিসি নিয়োগের জন্য তারা রাষ্ট্রপতি বরাবর চিঠি দেবেন বলে জানিয়েছেন। রোববার রাত থেকে ক্যাম্পাসজুড়েই ছড়িয়ে পড়ে ছাত্র বিক্ষোভ। টানা চারদিন বিক্ষোভ করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেছা চৌধুরী হলের ছাত্রীরা। রোববারের সংঘর্ষের পর শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে ওই হলের প্রভোস্ট পদত্যাগ করেন। এরপর শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও গতকাল দুপুর ১২টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে রাত থেকেই ভিসি’র পদত্যাগ দাবিতে এক দফা আন্দোলন শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকাল থেকেই ফের তারা আন্দোলন শুরু করে। প্রথমে শতাধিক শিক্ষার্থী অবস্থান নিলেও দুপুরের মধ্যে প্রায় ৬-৭শ’ শিক্ষার্থী একত্রিত হয়ে যায়। ফলে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে ওঠে। দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তরফ থেকে ব্রিফিং করা হয়। এই ব্রিফিংয়ে শিক্ষার্থী সাব্বির আহমদ ও শাহরিয়ার আলম জানান- পদত্যাগের দাবিতে ক্যাম্পাসে ভিসি ফরিদ উদ্দিন আহমদকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। ‘বিতর্কিত’ ওই ভিসিকে সরিয়ে নতুন ভিসি নিয়োগ দিতে তারা রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি দেবেন বলে জানান। তারা বলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে পুলিশ ডেকে শিক্ষার্থীদের পিটিয়েছেন ভিসি ফরিদ উদ্দিন আহমদ। পুলিশের এই হামলার জন্য তারা ভিসিকেই দায়ী করেন। এমন ঘটনা অতীতে ক্যাম্পাসে কখনোই ঘটেনি বলে জানান তারা। বিকাল ৪টার দিকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। তারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে তারা ভিসি ভবনের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় ভিসি নিজ বাসাতেই ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করলেও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তিনি বাসাতে থাকেন। দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে সার্বিক বিষয় নিয়ে কথাও বলেন। এ সময় তিনি বলেন- আন্দোলনে বহিরাগতদের ইন্ধন রয়েছে বলে দাবি করেন। জানান- বহিরাগতরা এসে ক্যাম্পাসের পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিনি শিক্ষার্থীদের ফিরে যাওয়ার তাগিদ দেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা আর ভিসি’র কোনো আহ্বানকেই পাত্তা দিচ্ছে না। তাদের দাবি হচ্ছে- পুলিশের হামলায় অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আইসিটি ভবনের সামনের সিঁড়িতে ফেলে শিক্ষার্থীদের বেধড়ক পিটিয়েছে পুলিশ। এরপর গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে। ভিসি মুক্ত হতেই পুলিশ দিয়ে হামলা চালিয়েছেন। যে ভিসি এমন ঘটনা ঘটাতেন পারেন তার পক্ষে আরও অনেক কিছুই সম্ভব। ভিসি’র আচরণ নিয়েও তারা শঙ্কিত। এজন্য ভিসি’র অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তারা সরে যাবেন না। আন্দোলনেই ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। দুপুরের পর শিক্ষার্থীরা হল ত্যাগের পরিবর্তে তিনটি ছাত্র হল দখলে নিয়েছে। এসব হলে আর শাবি কর্তৃপক্ষের কারো কর্তৃত্ব নেই। এর বাইরেও ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ভিসি ভবন, প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। এসব ভবনে দুপুরের পর থেকে আর কেউ ঢুকতে পারছে না। এছাড়া কয়েকটি ডিপার্টমেন্টের ভবনেও তালা ঝুলিয়ে রাখা হয়। বিকালে শিক্ষার্থীরা ভিসি ভবনের সামনে অবস্থান নিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাধা না দিলেও ভিসি ভবনের ফটকের কাছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সতর্ক অবস্থান নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। সন্ধ্যার একটু আগে শিক্ষার্থীদের একাংশ ফটকের সামনে অবস্থান নেন। ফটকের বাইরে পুলিশ জলকামান নিয়ে অবস্থান করছিল। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রণসাজ নিয়েছে পুলিশ। এদিকে- শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে পুলিশি হামলার ঘটনায় সাবেক শিক্ষার্থীরাও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। অবরুদ্ধ ভিসি’র সামনেই এমন ঘটনা হতবাক করেছে সবাইকে। এ কারণে হামলার ঘটনায় সিলেটেও ঝড় উঠেছে। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে- পুলিশের হামলায় ১০-১২ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের তরফ থেকে তাদের খোঁজ-খবর নেয়া হয়নি। এমনকি তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়নি। উল্টো শিক্ষার্থীদের প্রতিপক্ষ ভেবে ভিসি গত কয়েকদিন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করে গেছেন।

গুলি করলো কে: শাহ্‌জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুলি করলো কে- এ প্রশ্ন এখন সিলেটে। বিষয়টি নিয়ে এখনো অন্ধকারে পুলিশ। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরাও গুলির বিষয়ে কিছুই জানেন না। অথচ রোববার ক্যাম্পাসের আইসিটি ভবনের সামনে সংঘর্ষের সময় অনেকেরই গায়ে গুলি লেগেছে। গুরুতর আহত হওয়া নারী কনস্টেবলের পায়েও গুলি লেগেছে। যে ধরনের গুলি ওই কনস্টেবলের গায়ে লেগেছে সেটি পুলিশের না। পুলিশ সংঘর্ষের সময় সাউন্ড গ্রেনেড ও ওপর দিয়ে রাবার বুলেট ছুড়ে। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) আশরাফ উল্লাহ তাহের মানবজমিনকে জানিয়েছেন- ক্যাম্পাসে ওইদিন কে গুলি ছুড়েছে এ প্রশ্ন আমাদেরও। আমরা এ নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছি। আমাদের তরফ থেকে গুলিবর্ষণ করা হয়নি। গুলির বিষয়টি নিয়ে পুলিশের তরফ থেকে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এদিকে- কয়েকজন শিক্ষক ও ছাত্রের গায়েও গুলি লেগেছে। তবে- সেটি গুরুতর নয়। শিক্ষার্থীরা এই গুলিবর্ষণের ঘটনার জন্য অবশ্য পুলিশকে দায়ী করেছে।  

বহিরাগতদের ‘ইন্ধন’ রয়েছে- দাবি ভিসি’র: শাহ্‌জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের আন্দোলন বহিরাগতের ইন্ধনে হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ভিসি প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন আহমদ। দুপুরে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন- ‘খুব অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী তারা হয়তো বিভ্রান্ত হয়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। আমি যতটুকু জেনেছি; এখানে অনেক বহিরাগত এসে শামিল হয়েছে। বহিরাগতরা তাদের ইন্ধন দিচ্ছে। আজকের যে ঘটনা আমার কাছে তথ্য আছে অনেক বহিরাগত এখানে ঢুকেছে। রাতের বেলাও তারা ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে ওদের সাহায্য করেছে। বেশির ভাগ ঘটনাই ঘটাচ্ছে বহিরাগতরা। খুব দুঃখজনক এ ঘটনা।’ ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদ শাবিকে বাংলাদেশের একটি অন্যতম বিশ্ববিদ্যালয় দাবি করে বলেন- ‘শিক্ষা গবেষণা ও অবকাঠামো সবদিক থেকে আমরা সবার উপরে ছিলাম। যে কারণে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুন্দর কার্যক্রমকে ব্যাহত করার জন্য একটা চিহ্নিত স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই কাজগুলো করে যাচ্ছে।’ উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তিনি শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন- ‘আমরা তোমাদের পাশে আছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম যাতে স্বাভাবিক থাকে সেটি আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। বহিরাগতদের ইন্ধনে হঠকারী কোনো সিদ্ধান্ত না নিতে ভিসি শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানান। নতুবা বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত বলে জানান তিনি।’ করোনা পরিস্থিতি সহ নানা দিক বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয় ও হল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়ে ভিসি বলেন- ‘সবার স্বাস্থ্য বিবেচনা করেই বিশ্ববিদ্যলয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’ রোববারের সংঘর্ষের ঘটনার বিষয়টি উল্লেখ করে ভিসি বলেন- ‘যখন ঘটনাটি শেষ হতে যাচ্ছিলো তখন বহিরাগতদের ইন্ধনে এমন ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ তিনঘণ্টা ধরে অবস্থান করলেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বহিরাগতরা অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করায় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। আন্দোলন ও সংঘর্ষের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কোনো উদ্যোগ নেই বলে জানিয়েছেন ভিসি। বলেন- আমরা চাই, উদ্ভূত পরিস্থিতি সমাধানের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ও পরীক্ষায় ফিরিয়ে নিয়ে আসতে।

ঘটনা ন্যক্কারজনক- শিক্ষক সমিতি: শাহ্‌জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট কমিটির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলায় বিবৃতি দিয়েছে শাবি শিক্ষক সমিতি। সোমবার বিকালে শাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. তুলসী কুমার দাস ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মদ মহিবুল আলম স্বাক্ষরিত এক  প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ বিবৃতি জানান তারা। বিবৃতিতে তারা জানান, রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ে  যেসব ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে তাতে শাবি শিক্ষক সমিতি স্তম্ভিত, মর্মাহত এবং লজ্জিত। নারকীয় এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদেরকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা। এছাড়া শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের যারা আহত হয়েছেন তাদের সুচিকিৎসা প্রদানের জন্য প্রশাসনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন শাবি শিক্ষক সমিতি। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তারা।

ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল: পুলিশের নগ্ন হামলার প্রতিবাদে সিলেট জেলা ছাত্রদল বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টায় মিছিলটি নগরীর দরগাহ্‌ গেট থেকে শুরু করে বন্দরবাজার পয়েন্টে এসে মিছিল পরবর্তী পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সিলেট জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ  হোসেন সুমন এর সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক  দেলোয়ার হোসেন নাদিমের পরিচালনায় পথসভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা ছাত্রদলের সহ- সভাপতি মাহমুদুর রহমান বাবর, মুহিবুর রহমান লিটন, সুহেদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোতাকাব্বির  চৌধুরী সাকি, যুগ্ম সম্পাদক আলী আকবর রাজন, আনোয়ার  হোসেন সুজন, পলাশ চন্দ্র ধর,  রেদওয়ান আহমদ, সজিবুর রহমান, নজরুল ইসলাম সুমন,  সেলিম আহমদ আসিফ, দপ্তর সম্পাদক খালেদুর রহমান সানি, সদর উপজেলার আহ্বায়ক আবুল কাশেম মো. সুহেল, গোয়াইনঘাট উপজেলার আহ্বায়ক সাহেদ আহমদ,  জৈন্তাপুর উপজেলা আহ্বায়ক বদরুল আলম শাওন, সদস্য সচিব সুহেল আহমদ রিমন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সদস্য সচিব আবুবকর সিদ্দিক,  কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সদস্য সচিব ইকবাল হোসেন প্রমুখ।
প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে
মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।
ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০
ই-মেইল: [email protected]
Copyright © 2022
All rights reserved www.mzamin.com