জেলা আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার মুরাদ

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (১ মাস আগে) ডিসেম্বর ৭, ২০২১, মঙ্গলবার, ৬:০২ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১১:০০ পূর্বাহ্ন

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর ডা. মুরাদ হাসানকে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে জেলা আওয়ামী লীগের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট বাকী বিল্লাহ।

প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের পর ডা. মুরাদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নিতে মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা। ওই বৈঠকে তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাকী বিল্লাহ জানান, জামালপুর সরিষাবাড়ী উপজেলার ৪ আসনের এমপি, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সদ্য পদত্যাগকারী, জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন ডা. মুরাদ হাসান। তার উদ্ধত পূর্ণ আচরণ ও সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য জামালপর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগের জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মুরাদকে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ বহিষ্কার করবে বলে জানিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

নারীদের নিয়ে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেয়ায় ডা. মুরাদ হাসানকে একদিনের মধ্যে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার রাতে তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে এ বার্তা দেয়ার পর মঙ্গলবার দুপুরে তিনি পদত্যাগপত্র সচিবালয়ে পাঠিয়ে দেন।।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Ahsan Rizvi Chowdhur

২০২১-১২-০৭ ২০:০৬:৫৬

There was clear evidence of rapping or threat to rape in that phone call -verbal abuse is a sexual harassment and it is a criminal offence - who will ensure the justice? It was clear Murad using his power to take sexual advantage on celebrity- is it a requirement that media person has no right to preserve their integrity - they have to give their body and mind to so called leaders, MPs, Ministers or Dons?

আবুল কাসেম

২০২১-১২-০৭ ০৬:৫৮:১৬

একজন চিকিৎসকের কাছে একজন রোগীর জীবন কিছুক্ষণের জন্য হলেও আশ্রয় খোঁজে, নিরাপদ আশ্রয়। কিন্তু, যার মধ্যে নৈতিকতার বালাই নেই তিনি কি কোনো রোগী বা অন্য যে কোনো মানুষকে নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার জন্য নির্ভরযোগ্য বিবেচিত হতে পারেন কিনা তা প্রশ্ন সাপেক্ষ নিশ্চয়ই এবং তিনি ডাক্তারি সনদ ব্যবহার করার অধিকার রাখেন কিনা তাও প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন। নারী জাতির কুৎসা রটনা করে যে গুরুতর অপরাধ তিনি করেছেন তা ক্ষমার অযোগ্য কিনা তাও প্রাসঙ্গিক ভাবে সামনে চলে আসে। যে কেউ ফেসবুকে লাইক, শেয়ার ও কিছু একটা পোস্ট করলে হুহু করে মুহূর্তের মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হতে দেখা যায়। এমনকি মান হানির মামলাও হয়ে থাকে। যিনি মোবাইল ফোনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে অশ্রাব্য কথামালা দিয়ে নৈতিকতার স্খলন ঘটিয়েছেন তাঁর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বা মানহানীর কোনো মামলা হওয়ার খবর শোনা যায়নি। শুধু পাদ পদবি থেকে বহিষ্কার হওয়াই যদি উপযুক্ত শাস্তি গণ্য করা হয় তাহলে অন্যদের বেলায় মামলা হতে দেখা যায়। সামাজিক সুবিচার, মানবিক মর্যাদা ও মূল্যবোধ বজায় থাকুক।

Golam nabi

২০২১-১২-০৭ ১৯:১৯:৪৫

All the educational certificate should be ceased from him or canceled by board then at least the 1st . step may complete.

wow

২০২১-১২-০৭ ১৮:৩২:৫৩

ডাক্তার সনদ বাতিল করে, ডাক্তারী পেশার সন্মান রক্ষা করা হোক। ডাক্তার পদবীটা ওর নামের সাথে মানায় না।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পুলিশ কর্মকর্তা

১৭ জানুয়ারি ২০২২

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকায় মীর আব্দুল হান্নান হান্নান (৫৮) নামের এক পুলিশ কর্মকর্তা অজ্ঞান পার্টির ...

আইভীর হ্যাটট্রিক

১৬ জানুয়ারি ২০২২

৪টার পরও ভোট দেওয়ার লাইন

১৬ জানুয়ারি ২০২২

শনাক্তের হার ১৭.৮২

নতুন শনাক্ত ৫২২২, আরও ৮ জনের মৃত্যু

১৬ জানুয়ারি ২০২২



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



ফেনী আইনজীবী সমিতির নির্বাচন

বিএনপি-জামায়াত ১০টি, আওয়ামী লীগ ৪টিতে জয়ী

কৃষিমন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

‘শাস্তি নয়, সতর্ক করতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা’

DMCA.com Protection Status