বেইজিং অলিম্পিক বর্জনের ঘোষণা দেবে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড! বিবেচনা করছে বৃটেন, কানাডা

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন (১ মাস আগে) ডিসেম্বর ৭, ২০২১, মঙ্গলবার, ২:১৩ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ৭:৫৩ অপরাহ্ন

চীনে ‘চলমান গণহত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের’ প্রতিবাদে ২০২২ সালের বেইজিং শীতকালীন অলিম্পিক বর্জনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পথ অনুসরণ করতে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। ফলে তার সরকারও যুক্তরাষ্ট্রের মতো বেইজিং অলিম্পিক বর্জন করতে পরে। তবে এক্ষেত্রে তারা সরাসরি কূটনৈতিকভাবে বর্জনের ঘোষণা না দিয়ে একটু ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করতে পারে। ব্যবহার করতে পারে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে আরোপিত বিধিনিষেধকে। একই পন্থা অনুসরণ করতে যাচ্ছে নিউজিল্যান্ডও। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন গার্ডিয়ান।

গার্ডিয়ান অস্ট্রেলিয়া জানতে পেরেছে, এ বিষয়ে খুব শিগগিরই ঘোষণা দেয়া হতে পারে। এক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া সরকার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের মতো শক্তিশালী অবস্থান নেবে না। তারা করোনা ভাইরাস সংক্রমণে বিধিনিষেধকে ব্যবহার করতে পারে।
তবে এক্ষেত্রে কোন্ রকম ভাষা ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে এখনও অস্ট্রেলিয়া সরকার বিবেচনা করছে বলে বলা হয়েছে, যাতে বোঝা যায় তারা সত্যিকার অর্থে বর্জন করছে না। এর পরিবার্তে তারা বলতে পারে, করোনা ভাইরাসের বিধিনিষেধের কারণে কর্মকর্তারা সফরে যেতে পারবেন না। কারণ, তারা গেলে তাদেরকে হোটেলেই বেশির ভাগ সময় অবরুদ্ধ হয়ে থাকতে হবে।

একই সঙ্গে নিউজিল্যান্ড সরকারও মঙ্গলবার জানিয়ে দেবে যে, তারা শীতকালীন ওই অলিম্পিকে কূটনৈতিক কোনো প্রতিনিধি পাঠাবে না, যারা হবেন মন্ত্রীপর্যায়ের। এক্ষেত্রে করোনা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফ্যাক্টরের উল্লেখ করা হয়েছে। গার্ডিয়ান আরো লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্র যখন কূটনৈতিকভাবে গেমস বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে, তখন প্রতিক্রিয়া কি ঘটে তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। তারা নিজেরা কোনো পদক্ষেপ নেয়ার চেয়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে পদক্ষেপ নেয়ার কথা বিবেচনা করে থাকে সবসময়। অন্যদিকে বৃটেন ও কানাডা তাদের অবস্থান বিবেচনা করছে। সহসাই তাদের সিদ্ধান্ত পাওয়া যেতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার ক্রীড়ামন্ত্রী রিচার্ড কোলবেক মঙ্গলবার বলেছেন, বেইজিং শীতকালনী অলিম্পিকে কমনওয়েলথ প্রতিনিধির বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। দেশটির পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা এবং বাণিজ্য বিষয়ক কমিটির চেয়ার লিবারের পার্টির সিনেটর এরিক আবেটজ বলেছেন, চীনের স্বৈরাচারী কমিউনিস্ট শাসকরা মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে অন্যদের পদাঙ্ক অনুসরণ করা আবশ্যক।

আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন অন্যান্য খবর

এভাবেও খোলে ভাগ্যের চাকা!

২৫ জানুয়ারি ২০২২



বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status