গণফোরামের একাংশের কাউন্সিল-

মন্টু সভাপতি, সুব্রত সম্পাদক

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (১ মাস আগে) ডিসেম্বর ৩, ২০২১, শুক্রবার, ৭:১৮ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১:০১ অপরাহ্ন

গণফোরামের একাংশের সভাপতি পদে মোস্তফা মহসীন মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে কাউন্সিল অধিবেশনে নতুন এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর আগে সকালে এ অংশের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।
অধিবেশনে উত্থাপিত সাংগঠনিক প্রস্তাব, রাজনৈতিক প্রস্তাব ও অর্থবিষয়ক প্রস্তাবের ওপর বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার নেতারা আলোচনা করেন। সাংগঠনিক অধিবেশনে কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে নতুন কমিটি নির্বাচনের জন্য বিষয় নির্বাচনী কমিটি গঠিত হয়। বিষয় নির্বাচনী কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে মোস্তফা মোহসীন মন্টুকে সভাপতি ও সুব্রত চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫৭ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করে। নির্বাচনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন এডভোকেট মহসিন রশিদ। নির্বাচনী কমিটির পক্ষে নতুন কমিটির সদস্যদের নাম পড়ে শোনান অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ ও অ্যাডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক।
এদিকে আগামীর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গণফোরামের দুই অংশই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দলটির একাংশের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। শুক্রবার সকালে গণফোরামের একাংশের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে এক লিখিত বার্তায় তিনি এ আশা প্রকাশ করেন।
ড. কামাল বলেন, আমি সব সময় ঐক্যের কথা বলেছি।
আশা করি, গণফোরামের সব নেতা-কর্মী ও সমর্থক ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করবে।
নেতৃত্বে বিভক্তির জের হিসেবে ড. কামালের নেতৃত্বাধীন গণফোরাম দুই ভাগ হয় গত বছর। দুই অংশই আলাদাভাবে জাতীয় কাউন্সিলের তারিখ ঘোষণা করে। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরামের এই অংশের কাউন্সিল জানুয়ারিতে হবে।
উদ্বোধনীতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দেশের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে বলেন, এ সরকারকে বিদায় করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। আসুন সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে এ সরকারের বিরুদ্ধে একটি গণ আন্দোলন গড়ে তুলি। পরবর্তীতে একটি জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করতে হবে।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সভাপতি আসম আবদুর রব বলেন, এই সরকার একটি ফ্যাসিস্ট-স্বৈরাচারী সরকার, অনির্বাচিত সরকার, ভোট ডাকাতির সরকার, গণবিরোধী সরকার। এ সরকারকে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে হটাতে হবে। এজন্য দেশের মানুষের আজকে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে। তিনিও জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠার কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমার বোন শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করব, বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে যেতে দিন। মানবতা দেখিয়েছেন, আরেকটু দেখান।
ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি ঐক্যফ্রন্টে গিয়েছিলাম ড. কামাল হোসেনকে দেখে। তার ওপর ভরসা করে। বিএনপিকে দেখে নয়। যতদিন বিএনপিতে জামায়াত থাকবে, ততদিন আমি বিএনপির নেতৃত্বে কোনো জোটে যাব না।
নাগরিক ঐক্যের আহ্ববায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, দেশে এখন একটা দুঃশাসন চলছে। তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারপারসন, জনপ্রিয় একজন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ। তাকে দ্রুত বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাঠানো খুব জরুরি।
কেন্দ্রীয় নেতা জগলুল হায়দার আফ্রিকের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী ও আবদুস সালাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, জাসদের নাজমুল হক প্রধান, বিকল্পধারার শাহ আহমেদ বাদল, রাষ্ট্র বিজ্ঞানের অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, জেএসডি’র তানিয়া রব প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

আকাশ

২০২১-১২-০৩ ২০:০০:২৫

কাদের সিদ্দিকী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে শ্রদ্ধা রেখে বলছি বতর্মানে জামায়াত ইসলামী আওয়ামী লীগের চেয়েও জনপ্রিয়। বিশ্বাস না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে দেখুন।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



ফেনী আইনজীবী সমিতির নির্বাচন

বিএনপি-জামায়াত ১০টি, আওয়ামী লীগ ৪টিতে জয়ী

DMCA.com Protection Status