রোহিঙ্গা শিবিরে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পে আগ্রহী পশ্চিমা দেশগুলো

কাজী সোহাগ

শেষের পাতা ২৪ অক্টোবর ২০২১, রোববার | সর্বশেষ আপডেট: ২:০৪ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পে অধিকতর আগ্রহী হয়ে উঠছে পশ্চিমা দেশগুলো। তাদের সঙ্গে রয়েছে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ।  রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ইস্যুকে পাশ কাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তারা এ আগ্রহ দেখিয়ে আসছে। এতে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের স্থায়ীভাবে বসবাসে উৎসাহিত করতে পারে এবং প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করতে পারে। বিষয়টি বিবেচনা করে প্রত্যাবাসনের স্বার্থে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জীবনমান ও সুযোগ-সুবিধাসমূহ যৌক্তিক ও সীমিত পর্যায়ে রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই প্রস্তাবে অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ২৩তম বৈঠকের কার্যবিবরণীতে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। গত ১৯শে অক্টোবর সংসদ সচিবালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সংসদীয় কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করে।
এতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের মাধ্যমে মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রাখার জন্য নানামুখী কূটনৈতিক তৎপরতা চলমান রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রভাবশালী প্রতিবেশী দেশসমূহ এবং পশ্চিমা দেশসমূহসহ বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী/পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীরা এবং জাতিসংঘের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করে রোহিঙ্গা বিষয়ে তাদেরকে কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত হতে আহ্বান জানিয়ে আসছেন। পাশাপাশি, বহুপাক্ষিক ফোরামসমূহে গৃহীত কূটনৈতিক উদ্যোগের আওতায় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং নিরাপত্তা পরিষদের মিয়ানমার সংক্রান্ত সকল বৈঠক ও কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে। সংকটটির স্থায়ী সমাধানে জাতিসংঘের জোরালো ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহে নিযুক্ত কূটনীতিকরাও এ বিষয়ে তাদের স্বাগতিক সরকারের মাধ্যমে মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে সংকটটির স্থায়ী সমাধানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। প্রতিবেদনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন ভূমিকা তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের কার্যক্রম দ্রুত শুরুর জন্য দ্বিপক্ষীয় এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা এবং আন্তর্জাতিক মহলকে অধিকতর সম্পৃক্ত করে বহুপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে মিয়ানমার সরকারের ওপর এ বিষয়ে চাপ প্রয়োগের জন্য সর্বোচ্চ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার কর্তৃক সংগঠিত অপরাধের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে মানবাধিকার লংঘনের বিচার ও দায়বদ্ধতার বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক উদ্যোগসমূহে বাংলাদেশ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের চলমান ৭৬তম অধিবেশনে অংশগ্রহণকালে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি যথাযথ গুরুত্বসহকারে তুলে মিয়ানমারের সামপ্রতিক রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে প্রত্যাবাসনে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও এই সংকটের একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের জোরালো ভূমিকা ও অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, যে মিয়ানমারকে অবশ্যই তাদের নাগরিকদের প্রত্যাবাসনে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এই বিষয়ে তিনি আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়কে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গীকার করেন। সাধারণ অধিবেশনে যোগদানের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ক্রাইসিস: ইমপারেটিভ ফর এ সাসটেইনেবল সলিউশন শীর্ষক একটি উচ্চ পর্যায়ের সাইড ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- প্রথমত, টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা এবং সে লক্ষ্যে আবশ্যিকভাবে সমস্ত প্রচেষ্টামতো বিনিয়োগ করা। দ্বিতীয়ত, মিয়ানমারে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উদ্ভূত অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও এ সংকট সমাধানে চেষ্টা অব্যাহত রাখা। তৃতীয়ত, মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের নিজ দেশে টেকসই প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে এ সংকট সমাধানের বিষয়টি আসিয়ানের এজেন্ডায় গুরুত্বসহকারে অন্তর্ভুক্ত করা এবং মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে রোহিঙ্গাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি করা যাতে রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরে যেতে উৎসাহিত হয়। চতুর্থত, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে জাতিসংঘ এবং অংশীদারদের অবশ্যই বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ এবং প্রকল্প নিতে হবে এবং পঞ্চমত, মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার লক্ষ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে আস্থা তৈরির জন্য তাদের বিরুদ্ধে নিপীড়নকারীদের বিচারের আওতায় আনা এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এবং মানবাধিকার কাউন্সিলের অন্যান্য আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়াসমূহের প্রতি আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের সমর্থন আদায় করা। প্রতিবেদনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলা হয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জাতিসংঘের চলমান সাধারণ অধিবেশনে যোগদানকারী বিভিন্ন দেশ ও আঞ্চলিক সংস্থার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে তাদের সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি এবং ইউরোপীয় কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জোসেপ বরেলের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের অনুকূলে পরিবেশ সৃষ্টির জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি উত্থাপন করেন এবং নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং রোহিঙ্গাদের তাদের স্বদেশে টেকসই প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারের চলমান রাজনৈতিক সংকট এবং সহিংসতা অবসানের জন্য আগস্টে ব্রুনাইয়ের দ্বিতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরিওয়ান ইউসুফ মিয়ানমারে আসিয়ান জোটের বিশেষ দূত হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। এই প্রেক্ষিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিয়ানমারের সংকট নিরসনে আসিয়ান জোটের গৃহীতব্য সকল কার্যক্রমে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে সংকটটির স্থায়ী সমাধানে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করেন। পরবর্তীতে গত ২৮শে আগস্ট পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার সঙ্গে একটি ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে মিলিত হয়ে তার নিকট বাংলাদেশের প্রত্যাশা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে তার সঙ্গে বাংলাদেশের নিবিড়ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এতে আরও বলা হয়, গত ৩০শে আগস্ট পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউএনএইচসিআর এর মহাপরিচালক ফিলিপ্পো গ্রান্ডির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে  ইউএনএইচসিআরকে অনুরোধ করেন। গত ৩১শে আগস্ট পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেনেভায় বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মহাপরিচালকের সঙ্গে বৈঠককালে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের প্রতি ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং এর সমর্থনের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্বের ওপর জোর দেন। গত ৬ই সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাবের সঙ্গে একটি ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের স্বদেশে প্রত্যাবাসনে সক্রিয় ভূমিকা পালনের জন্য বৃটিশ সরকারকে অনুরোধ করেন। এই সময় বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের রাখাইন রাজ্যে ফিরে যেতে এবং মিয়ানমারের ওপর চাপ বজায় রাখতে যুক্তরাজ্যের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। গত ১৬ই সেপ্টেম্বর লন্ডনে অনুষ্ঠিত ২১তম কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রীদের বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন এবং ভাসানচরে তাদের আংশিক স্থানান্তরের বিষয়ে বর্তমান অচলাবস্থা তুলে ধরেন। পাশাপাশি মিয়ানমার সরকার যেন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে বাধ্য হয় এ বিষয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহের প্রতি আহ্বান জানান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- রোহিঙ্গাদের অর্থ ও মানবিক সহায়তার নামে তাদেরকে বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে রাখার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকসহ যে সকল দাতা সংস্থা/দেশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পরিকল্পনা করে তা রাখাইনে বাস্তবায়ন বা বিনিয়োগের মাধ্যমে সেখানে প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে অবদান রাখার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সর্বদা তাদেরকে পরামর্শ প্রদান করছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র সচিব জাতিসংঘসহ দাতা দেশ এবং সংস্থাসমূহের সঙ্গে তাদের সকল বৈঠকে এই বিষয়ে আহ্বান জানানো অব্যাহত রেখেছেন। ক্যাম্পে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদান কার্যক্রম জাতিসংঘের পক্ষে ইউএনএইচসিআর কর্তৃক এবং বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদনক্রমে বার্ষিক ভিত্তিতে প্রণীত জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান (জেআরপি) এর আওতায় পরিচালিত হয়। সর্বশেষ ২০২১ সালের জন্য গৃহীত জেআরপি’র খসড়াতেও জাতিসংঘ কর্তৃক রোহিঙ্গাদের জীবনমান উন্নয়ন ও সুযোগ-সুবিধাসমূহ বৃদ্ধির অনেক অনুষঙ্গ অন্তর্ভুক্ত করা হলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের স্বার্থে এরকম অনেক প্রস্তাবনায় অসম্মতি জ্ঞাপন করে। ফলে জাতিসংঘ এ ধরনের প্রস্তাবনা/অবস্থান হতে সরে আসে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Amir

২০২১-১০-২৫ ১০:৫২:০৩

রোহিঙ্গা শিবিরে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পে আগ্রহী পশ্চিমা দেশগুলো ---------রোহিঙ্গাদের এদেশে রেখে দেবার ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর অভিপ্রায় এখন আর চাপা নেই!

Abdur Rahim

২০২১-১০-২৩ ১৯:১০:৪৬

এভাবে ১০০ বছরেও রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো যাবেন। তাদেরকে পুশ ব্যাক করা হোক।

আপনার মতামত দিন

শেষের পাতা অন্যান্য খবর

সিলেটে এগিয়ে গেল নৌকা

২৯ নভেম্বর ২০২১

খালেদা জিয়ার বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে ২৬৮৪ চিকিৎসকের বিবৃতি

২৮ নভেম্বর ২০২১

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবি জানিয়েছেন ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ...

শনাক্তের হার ১.১৫

করোনায় আরও ২ জনের মৃত্যু

২৮ নভেম্বর ২০২১

দেশে একদিনে করোনায় আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৭ হাজার ...

উল্টো চাপে বাংলাদেশ

২৮ নভেম্বর ২০২১



শেষের পাতা সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status