বাংলাদেশের ভূমিকায় সন্তুষ্ট ভারত

বিশেষ সংবাদদাতা, কলকাতা

ভারত (১ মাস আগে) অক্টোবর ১৬, ২০২১, শনিবার, ৯:১৮ পূর্বাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ৫:৪৬ অপরাহ্ন

সাম্প্রতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে তার প্রশংসা করেছে ভারত। বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকারের সময়েচিত ব্যবস্থা গ্রহণে বড় রকমের সংঘাত এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ঘটনার পরই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করে অরিন্দম বাগচি বলেন, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ার পরস্পরবিরোধী খবরগুলির মোকাবিলাও বাংলাদেশ সরকার বিচক্ষণতার সঙ্গে করেছে। হাসিনা সরকারকে সমস্যায় ফেলা এবং ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ককে বিঘ্নিত করার যে চেষ্টা হয়েছিল তা ফলবতী হয়নি বলেই মনে করছে ভারত।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মোঃ মাহবুব আলম (আশিক

২০২১-১০-১৮ ১৬:৫৮:০৪

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে, জাতিগত দ্বন্ধ উষ্কে দেয় এমন কোন অপকর্ম বা এমন কোন দুর্ঘটনার অবতারনা হলে, হোক সেটি তৃতীয় কোন পক্ষের ইন্দন, হোক নিজেদের পরসংস্কৃতি চর্চার আগ্রহ থেকে সৃষ্ট মতভেদ, বা হতে পারে অন্য কোন কারন। এর সঠিক কারন নিরুপন এবং আইনী ব্যবস্থা গ্রহন যে কোন দেশের সরকার প্রধানের দায়িত্ব বটে। তবুও কিছু কিছু ব্যাপার থাকে যেগুলোর কোন যৌক্তিকতা নাই, অর্থাৎ নিছক সখের বসে বা জ্ঞানের পরিধির স্বল্পতার কারনে হোক, কোন অন্যায় করার মতো বিষয় এটি বা অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়ার মতো বিষয়ও যদি হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে প্রচলিত আইনের প্রয়োগ ঘটানোই সমিচিন এবং যথার্থ হবে। কারন এখন একটি বিষয় আমরা প্রায়ই লক্ষ্য করেছি যে আকাশ সংস্কৃতির যুগে, ইন্টারনেটের যুগে যে কোন ঘটনা বা দুর্ঘটনা খুব দ্রুত ছড়িয়ে যাচ্ছে বিশ্বময়, অথচ খুব স্বল্প সময়ে। তাই স্বদেশের প্রচলিত আইনের প্রয়োগ বা তারও পূর্বে বিশ্বব্যাপী এর পক্ষে বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা বা প্রতিবন্ধকতা বা প্রতিহিংসা প্রকাশের জন্য ছড়ানোর জন্য তুমুল ঝড় উঠে। তখন মুল কারন আর আলোচনার বিষয় না হয়ে সংঘাতই আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে। তাই আমাদের আরও অনেক বেশী সচেতন ও দেশের আইন-কানুনকে সময়-উপযোগী করন বিষয়টি মাথায় রেখে সামনের দিকে আগে বাড়তে হবে। ধন্যবাদ।

ওবাইদুল

২০২১-১০-১৬ ১৭:০৬:০৯

বাংলাদেশ সরকারের উচিৎ ভারতে সংখ্যা লুঘু বিশেষ করে মুসলিমদের উপর নির্যাতন হোলে সাহস করে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি প্রচার করা আর বাংলাদেশের রাস্ট্রদুতকে নির্যাতনের অঞ্চলে যাওয়ার ব্যাবস্থা করা। আসামে সেখানকার স্থানীয় সরকার কর্তৃক মুসলিমদের তাঁদের পিতৃপুরুষের ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদের পর বাংলাদেশ সরকার কোন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে বলে কোন সংবাদ পত্রে দেখা যায় নি !!!!!

মোঃ জহিরুল ইসলাম

২০২১-১০-১৬ ০০:৫৬:২৮

বাংলাদেশে সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু বলতে কোন বিভাজন নেই, সকলেই বাংলাদেশি। বাগচি দাদা আপনাদের মন-মানসিকতায় পরিবর্তন আনুন। বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে যে সম্প্রীতির বন্ধন আছে আমাদের দেশে সেখান থেকে আপনারা শিক্ষা গ্রহণ করুন মশাই।

Shahid Ullah

২০২১-১০-১৬ ১৩:২৩:৪৫

সম্প্রীতির বাংলাদেশ থেকে ভারত শিক্ষা নিবেন।

Monzur

২০২১-১০-১৬ ১৩:০৭:৪৮

বাংলাদেশ এ ত একজনের মৃত্যু হয়নি, কিন্তু ভারতে ! বুধবার (১৩ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে অযোধ্যার কোর্খানা এলাকায় এমন ঘটনা ঘটেছে। ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, প্যান্ডেলে চার যুবক ঢুকে গুলি করতে শুরু করে। তাদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার ও একটি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। গুলিতে ১২ ও ১৪ বছর বয়সী দুই কিশোরী আহত হয়েছে। তারা একই পরিবারের। তাদের লখনৌ থেকে অযোধ্যা জেলার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ বলছে, পারস্পরিক শত্রুতা থেকে এই হামলা হয়েছে। দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করা হয়েছে। শীঘ্রই তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।

Emon

২০২১-১০-১৫ ২১:১২:১৯

ভারতেও উগ্রবাদী BJP সমর্থকদের মুসলিম বিদ্বেষ ও হত্যা বন্ধ করতে হবে।আশাকরি সম্প্রীতির বাংলাদেশ থেকে ভারত শিক্ষা নিবেন।

আপনার মতামত দিন

ভারত অন্যান্য খবর



ভারত সর্বাধিক পঠিত



টিকিটের সর্বোচ্চ দাম দু’লক্ষ টাকা

রক্তচাপ বাড়াচ্ছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ

DMCA.com Protection Status