কুকুরের মাংস খাওয়া বন্ধের ইস্যু তুললেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন (৩ সপ্তাহ আগে) সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১, সোমবার, ৭:৩৮ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১:২৯ অপরাহ্ন

কুকুরের মাংস খাওয়া বন্ধের ইস্যুটি নতুন করে আজ সোমবার আলোচনায় এনেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন। দেশটিতে কুকুরের মাংস খাওয়া একটি পুরনো রীতি। কিন্তু সোমবার সাপ্তাহিক মিটিংয়ে প্রধানমন্ত্রী কিম বু-কায়ুমের কাছে প্রেসিডেন্ট মুন জানতে চান- এখনও কি কুকুরের মাংস খাওয়া বিচক্ষণতার সঙ্গে নিষিদ্ধ করার সময় আসে নি? তার এ বক্তব্যে কুকুরের মাংস খাওয়া বন্ধের পক্ষে জোরালো সুর খুঁজে পাওয়া যায়। এ খবর দিয়েছে অনলাইন সিবিএস নিউজ। এতে আরো বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ানদের কাছে প্রিয় খাবার কুকুরের মাংস। বছরে সেখানে প্রায় ১০ লাখ কুকুর জবাই করে তার মাংস ভক্ষণ করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি কুকুরকে অনেকে সঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং করছেন। তারা একে আর জবাইয়ের জন্য পালিত পশু হিসেবে দেখেন না।
তরুণ প্রজন্মের কাছে এই রীতি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে পশু অধিকারকর্মীদের পক্ষ থেকেও কুকুর খাওয়া বন্ধ করার জন্য চাপ আছে। ফলে সোমবারের সাপ্তাহিক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট মুন তার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ওই প্রশ্ন ছুড়ে দেন বলে প্রেসিডেন্সিয়াল মুখপাত্র জানিয়েছেন।

খবরে বলা হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ায় পশু পালনের রীতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাড়িতে অনেক মানুষ কুকুর পালন করেন। এর মধ্যে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট মুনও। তিনি কুকুর পছন্দ করেন এমন পরিচিতিও আছে। প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদের ভিতরে রয়েছে বেশ কয়েকটি কুকুর।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

ফজলু

২০২১-০৯-২৮ ১৫:০১:৩৭

ওরা প্রোটিন হলেই খায়। ইন্দুর, ছুঁচো, সাপ, ব্যাঙ, কুকুর কোনটাই এথেকে বাদ পড়ে না।

জামশেদ পাটোয়ারী

২০২১-০৯-২৮ ১২:১০:৩৩

কুকুরকে জবাই করা হয়না। তারা কুকুরকে বস্তা বন্ধী করে নির্মম ভাবে পিটিয়ে হত্যা করে এবং আগুনে ঝলসিয়ে লোম পুড়িয়ে তারপর গরম পানি দিয়ে সম্পূর্ণ লোম উঠিয়ে ফেলা হয়। তারপর চামড়াসহ রোষ্ট করে পরিবেশন করা হয়।

আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন অন্যান্য খবর

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি

ইউরোপের দেশ লাতভিয়ায় আবার এক মাসের বিধিনিষেধ

২১ অক্টোবর ২০২১



বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status