চাঁদা না দেয়ায় নির্মাণাধীন ভবন মালিককে হত্যা

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

অনলাইন (৩ সপ্তাহ আগে) সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১, সোমবার, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ৭:০৬ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম নগরীর খুলশীতে দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ায় নির্মাণাধীন সাততলা ভবনের মালিককে হত্যার পর ওই ভবনের পাশেই ফেলে রাখলো স্থানীয় চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা। নিহত ভবন মালিকের নাম নেজাম পাশা। তিনি ফটিকছড়ি পৌরসভার ধুরুং হাদী বাপের বাড়ির বাসিন্দা।

নিহতের বড় ছেলে প্রবাসী ফয়সাল মুহাম্মদ (হাইছম) মুঠোফোনে জানান, প্রায় দিন তার বাবা নির্মাণাধীন সাত তলা ভবনের কাজ তদারকি করতে ফটিকছড়ি থেকে খুলশীতে যেতেন। সার্বক্ষণিক দেখভালের জন্য হাসান নামের একজন কেয়ারটেকারও রয়েছে। প্রতিদিনকার ন্যায় গতকাল (রোববার) সকালেও তার বাবা সেখানে যান। সকাল দশটা থেকে তার ফোনে কল করেও পাওয়া যাচ্ছিল না। এক পর্যায়ে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। দরোয়ানকে ফোন করা হলে তিনিও উল্টাপাল্টা বলতে থাকেন।
সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলে কোন খোঁজ না পাওয়াতে নগরীতে বসবাসরত নিহতের বড় মেয়ে নাজমুন সবনম খুলশী থানায় জিডি করেন।

রাত দশটার দিকে তার ফোন চালু করে দরোয়ান পরিচয়ে কেউ একজন কথা বলেন। ভবনের মালামাল নিয়ে এসেছে, টাকা লাগবে বলে জানান ফোন করে। পরক্ষণে আবারো ফোনটি বন্ধ করে দেয়া হয়।

গ্রাম থেকে তার পরিবারের সদস্যরা রাতে গিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করলেও কোন হদিস মিলেনি। অবশেষে ভোর সকালে মসজিদের মুসল্লিরা লাশ দেখতে পান। তার নির্মাণাধীন ভবনের প্রায় চল্লিশগজ দূরে প্লাস্টিকে ঢাকা হাত বাঁধা লাশটি পড়ে থাকে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সেখানে আসেন। পরে পুলিশ এসে লাশের সুরতহাল তৈরি করে মর্গে প্রেরণ করে।

নিহতের ছেলে হাইসম বলেন, ভবনের সাত তলার ডালাই কাজ শেষ। শুরু থেকে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা চাঁদা দাবি করে আসছিল। বাবা কোনভাবে এক টাকাও দিতে রাজি ছিলেন না। স্থানীয় চাঁদাবাজরা চাঁদা না পাওয়াতে খুন করতে পারে।

অপরদিকে দরোয়ানের সঙ্গেও মনোমালিন্য ছিল। সে ভবনের জন্য নিয়ে আসা বিভিন্ন সরঞ্জাম বিক্রি করে ফেলতো। ঘটনার পর থেকে দরোয়ান হাসান পলাতক। নিহত নেজাম পাশা দুই পুত্র ও তিন কন্যা সন্তানের জনক। তিনি দীর্ঘসময় প্রবাসে ছিলেন। দুই পুত্র সন্তানরাও বর্তমানে প্রবাসে।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অবিলম্বে খুনিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি করছেন নিহতের স্বজনরা।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Raheem Badshah

২০২১-০৯-২৮ ০৩:৩৭:৩৬

Getting born in that f…ed up country is a curse.

শহীদুল আলম

২০২১-০৯-২৭ ১৮:২৭:২৮

কয়েক বছর আগেও চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরিা পিতাকে আহত আর ছেলেকে হত্যা করে। প্রশাসন থেকে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা কী শক্তিশালী?

Shahab

২০২১-০৯-২৭ ০৪:৩১:৫২

Immediately take action please local administration.

Eng Aziz Hassan

২০২১-০৯-২৭ ১৭:৩১:৩৩

খুনিদের চিহ্নিত করে দ্রুত সাস্তির আওতায় আনা উচিৎ ।

Anwar Parvez

২০২১-০৯-২৭ ০২:২৩:৪৭

আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি ।

Khokon

২০২১-০৯-২৬ ২৩:৩৫:৪০

Action could be taken immediately by the local administration's without any delays ? It is shameful for our country. Somebody is sweating by giving hard laber outside countries and all those bastard doing nothing to killing people ? Shameful for administration's who is too making money with them !

Bashir

২০২১-০৯-২৭ ১২:২৯:২৩

very bad news, action is required please

Siddq

২০২১-০৯-২৬ ২২:৫৯:৫৭

Action should be taken promptly otherwise culprits of similar nature will be encouraged.

Shabbir Alam

২০২১-০৯-২৭ ১১:৫৬:৩৬

“দরোয়ান” কী জিনিষ? এই শব্দ কি আনন্দবাজার থেকে নেয়া?

Mohammad Sirajullah,

২০২১-০৯-২৭ ১১:৩৯:৪৪

This is hap[pening with many any People making money in foreign country and later going home. More commonly it happened in Sylhet and usually family members are involved.

Md. Kamruzzaman

২০২১-০৯-২৭ ১০:৫৮:৫৭

খুনিদের চিহ্নিত করে দ্রুত সাস্তির আওতায় আনা উচিৎ ।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শনে সালমান এফ রহমান

ইলেকট্রনিক্স শিল্প গার্মেন্টসকে ওভারটেক করবে

২৩ অক্টোবর ২০২১

শনাক্তের হার ১.৮৫

করোনায় আরও ৯ জনের মৃত্যু

২৩ অক্টোবর ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



বাইডেন মনোনীত বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত

২০২৩ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণে কাজ করবো

DMCA.com Protection Status