সংসদ সচিবালয়ের এ কেমন বার্তা?

কাজী সোহাগ

প্রথম পাতা ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৮:৫০ অপরাহ্ন

‘লাবু চৌধুরীতেই ফরিদপুর-২ আসনের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা স্বস্তিতে’ এমন শিরোনাম দিয়ে গত শনিবার গণমাধ্যমে একটি ই-মেইল পাঠানো হয়। এটি আসে সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ শাখার মেইল থেকে। সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সহকারী একান্ত সচিব শফি উদ্দিন ওই বার্তার প্রেরক। বার্তায় সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরীর ছোট ছেলে লাবু চৌধুরীর বিষয়ে ইতিবাচক কথাবার্তা লেখা হলেও তার বড় ছেলে আয়মন আকবর বাবলুর বিষয়ে নেতিবাচক বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের অফিসিয়াল মেইল আইডি থেকে এ ধরনের বার্তা প্রচারের পর নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ব্যক্তিগত বিষয়ে সরকারি অতিগুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানের মেইল আইডি ব্যবহার করা যায় কিনা? সংসদ উপনেতার মতো গুরুত্বপূর্ণ একজন নেতার ঘরের দ্বন্দ্বের বিষয়টি এভাবে গণমাধ্যমে ই-মেইল করে প্রকাশ করা রাজনৈতিক শিষ্টাচার কিনা? এমন নানা প্রশ্ন সামনে এসেছে।

সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের বার্তা সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ শাখা থেকে অতীতে কখনো পাঠানো হয়নি। এটা নজিরবিহীন। স্থানীয় আওয়ামী লীগের কোন্দলের পাশাপাশি এটা সংসদ উপনেতার পরিবারের দ্বন্দ্বের বিষয় প্রকাশ পেয়েছে। তারা জানান, সাধারণত সংসদ সচিবালয় কেন্দ্রিক বিষয়গুলো গণসংযোগের মেইল থেকে পাঠানো হয়।
এরমধ্যে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, হুইপ ও কমিটির কার্যক্রম নিয়ে মিডিয়ায় বার্তা পাঠানো হয়ে থাকে। কিন্তু স্থানীয় রাজনৈতিক বিরোধ নিয়ে কখনো বার্তা পাঠানো হয় না। এ প্রসঙ্গে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সহকারী একান্ত সচিব শফি উদ্দিন মানবজমিনকে বলেন, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর নির্দেশে ও লাবু চৌধুরীর অনুমতি নিয়ে সংসদ সচিবালয়ের মেইল থেকে ওই বার্তা পাঠানো হয়েছে। আর এটা তিনি নিজে পাঠিয়েছেন। এ ধরনের বার্তা গণসংযোগের মেইল থেকে পাঠাতে পারেন কি না প্রশ্নে বলেন, এটা সংসদ উপ-নেতার অনুমতি নিয়ে গণসংযোগ শাখা-১ এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সহযোগিতায় পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে কথা হয় গণসংযোগ শাখা-১ এর পরিচালক তারিক মাহমুদের সঙ্গে। মানবজমিনকে তিনি বলেন, সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ শাখা থেকে এ ধরনের মেইল পাঠানোর কোনো এখতিয়ার নেই। সাধারণত সংসদ উপ-নেতার দপ্তর থেকে কোনো মেইল পাঠানো হলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু ওই বার্তা নিয়ে কেউ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। এ বিষয়ে আসলে আমি কিছুই জানি না।

একই বিষয়ে শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী মানবজমিনকে বলেন, সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ শাখার মেইল ব্যবহার করে এ ধরনের বার্তা পাঠানো উচিত হয়নি বলে আমি মনে করি। বিষয়টি নিয়ে শফি উদ্দিন আমার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি বা অনুমতি নেয়নি।

সংসদ সচিবালয়ের মেইল থেকে পাঠানো বার্তাটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো:

‘লাবু চৌধুরীতেই ফরিদপুর-২ আসনের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা স্বস্তিতে’

সেকাল আর একাল। ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আগে প্রতিনিয়ত সংঘর্ষ-মারামারি, খুন ও জখমের খবর পাওয়া যেতো। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য, জাতীয় সংসদের উপ-নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এমপি ও তার রাজনৈতিক প্রতিনিধি কৃষি গবেষক কলামিস্ট শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরীর প্রচেষ্টায় অশান্ত সালথা-নগরকান্দা আজ ৩ বছর ধরে শান্ত রয়েছে। সাধারণ মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে। সালথা-নগরকান্দায় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। লাবু চৌধুরীর অক্লান্ত প্রচেষ্টায় আওয়ামী লীগ আজ শক্তিশালী। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী জানায়, সংসদ উপ-নেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর জ্যেষ্ঠপুত্র আয়মন আকবর বাবলু চৌধুরী ২০০৮ ইং সালথা থেকে ২০১৮ ইং সাল পর্যন্ত তার মায়ের সঙ্গে সালথা-নগরকান্দার রাজনীতি করেছেন। তিনি মায়ের নাম ভাঙিয়ে কয়েকজন হাইব্রিড কর্মীর কথামতো এলাকায় এক তরফা রাজনীতি করতেন। তখন বাবলু চৌধুরীর ভয়ে কেউ মুখ খুলতো না। অনেক বিএনপি’র নেতাকর্মী ও সমর্থককে বাবলু চৌধুরী দলে ঢুকিয়েছেন। হাইব্রিডদের কদর করতেন আর আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীদের কোণঠাসা করে রাখতেন। যার জন্য সংঘর্ষ মারামারি লেগেই থাকতো। তার পক্ষপাতিত্ব’র জন্য গ্রামের এক পক্ষের মাতব্বররাও সংঘর্ষের জন্য উৎসাহী থাকতেন। খুন-জখম হতো অহরহ। এ ছাড়াও নেতার কথার বাইরে গিয়ে হামলা-মামলার শিকার হয়ে জেল খেটেছেন আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী ও নিরীহ মানুষ। এমন ঘটনার সময়ে সালথার নির্যাতিত কয়েকজন আওয়ামী লীগের নেতা সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বাবলু চৌধুরীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামলেন। তারা আন্দোলনে সফল হলেন। বাবলু চৌধুরীর পতন হলো। এরপর ২০১৮ ইং সালের এপ্রিল মাসে সালথা-নগরকান্দার রাজনীতিতে আসলেন সংসদ উপ-নেতার কনিষ্ঠপুত্র ও তার রাজনৈতিক প্রতিনিধি শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী। তিনি মায়ের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার জন্য ও নিরীহ সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। লাবু চৌধুরী কখনো পক্ষপাতিত্ব করেন না। তাই এখন আর আগের মতো সংঘর্ষ মারামারির ঘটনা ঘটে না। সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে চলতে পছন্দ করেন। লাবু চৌধুরী আসার পর থেকে ৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে সালথা-নগরকান্দার মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে। আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করার জন্য লাবু চৌধুরী সালথা-নগরকান্দায় তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করছেন। তিনি সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে সবসময় কঠোর অবস্থানে থাকেন। জাহিদুর রহমান নামে এক শিক্ষক বলেন, আগে শিক্ষা খাত থেকে শুরু করে সকল কাজে একতরফাভাবে চালাতো। অশিক্ষিত লোকজন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্ব পেতো। আর বর্তমানে লাবু চৌধুরীর নির্দেশে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে সু-শিক্ষিত মানুষ দায়িত্বে আছেন। সেজন্য শিক্ষার উন্নয়ন হচ্ছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী সাব্বির আলী বলেন, আয়মন আকবর বাবলু চৌধুরীর সময়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনসহ শত শত নেতাকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরীর সময়ে এলাকার মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে। বর্তমানে আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীরা কোণঠাসা অবস্থায় নেই। লাবু চৌধুরীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ আজ সু-সংগঠিত। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুকুজ্জামান ফকির মিয়া বলেন, বাবলু চৌধুরীর সময়ে জামায়াত-বিএনপি’র লোককে দলে ঢুকিয়ে আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাদের কোণঠাসা করে রেখেছিলো। অনেক নেতাকর্মীর ওপর হামলা করা হয়েছে। প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ইমামুল হোসেন তারা মিয়া ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনসহ অসংখ্য নেতাকর্মী মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছে। পুরো উপজেলা অশান্ত হয়ে ওঠে তৎকালীন সময়ে। তখন সংসদ উপ-নেতার রাজনৈতিক প্রতিনিধি হিসেবে লাবু চৌধুরী এলাকায় আসেন। তিনি আসার পর এলাকা শান্ত হয়। এখনো এলাকা শান্ত আছে এবং আওয়ামী লীগের নিবেদিত নেতাকর্মীরাও মূল্যায়ন পাচ্ছেন। নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. বেলায়েত হোসেন মিয়া বলেন, ২০০৮ ইং সালে আমাদের নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সঙ্গে তার বড় ছেলে আয়মন আকবর বাবলু চৌধুরী রাজনীতিতে আসেন। তিনি সবসময় কান কথা শুনতেন। বদমেজাজি ছিলেন, যার জন্য নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অশান্তিতে ছিলেন। আর বর্তমানে উপ-নেতার ছোট ছেলে শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী গুরুত্ব সহকারে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কথা শোনেন। তারপর কাজ করেন। যার জন্য এলাকায় শান্তি ফিরে এসেছে। নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুস সোবাহান মাস্টার বলেন, বাবলু চৌধুরীর সময়ে ফরিদপুর-২, আসনের আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছে। বর্তমানে লাবু চৌধুরীর নেতৃত্বে সালথা-নগরকান্দার মানুষ স্বস্তিতে আছে। আমরা নেতাকর্মীরাও এখন ঐক্যবদ্ধ আছি। সালথা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াদুদ মাতব্বর বলেন, আমি আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান হয়েও বাবলু চৌধুরীর সময়ে অনেকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছি। আমার বিরুদ্ধে ৮/১০টি মিথ্যা মামলা হয়েছে। আওয়ামী লীগের বহু ত্যাগী নেতাকর্মী বাবলু চৌধুরীর সময়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ত্যাগী ও নিবেদিত কর্মীদের দলে স্থান দেয়া হয়নি।
অনেক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ঘর-বাড়ি ছাড়া হয়েছে। যখন নির্যাতন বেড়ে যায়, ঠিক তখন উপ-নেতার কনিষ্ঠপুত্র শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী ফরিদপুর-২, আসনে শান্তির দূত হয়ে আসেন। লাবু চৌধুরীর নেতৃত্বে সালথা-নগরকান্দা আওয়ামী লীগ এখন ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। সংঘর্ষ-মারামারি, খুন-জখম ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ আগের তুলনায় নেই বললে চলে। মানুষ এখন শান্তিতে আছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন মিয়া বলেন, আয়মন আকবর বাবলু চৌধুরী যখন সংসদ উপ-নেতার এপিএস ছিলেন, তখন তিনি সালথা-নগরকান্দা চালাতেন। বিএনপি-জামায়াতের লোক তিনি দলে এনে জায়গা করে দিয়েছেন। তখন হাইব্রিডদের দাপটে আমরা কোণঠাসা হয়ে পড়ি। তার আমলে ১১টি মিথ্যা মামলা হয়েছে আমার বিরুদ্ধে। দশ মাস জেল খেটেছি। এ ছাড়াও অগণিত নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে তৎকালীন সময়ে। তখন বাবলু চৌধুরীর নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীরা। তারপর আমরা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বাবলু চৌধুরীর বিরুদ্ধে আন্দোলন করি। আন্দোলনের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’ বাবলু চৌধুরীকে সালথা-নগরকান্দা থেকে সরিয়ে দেন। পরে ২০১৮ ইং সালে সংসদ উপ-নেতার প্রতিনিধি হিসেবে সালথা-নগরকান্দায় আসেন শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী। তিনি আসার পর থেকেই এখানে শান্তির সুবাতাস বইতে শুরু করে। লাবু চৌধুরীর ৩ বছরে সালথা-নগরকান্দায় কোনো বিএনপি-জামায়াতের লোক আওয়ামী লীগে যোগদান করে নাই। আগের মতো সংঘর্ষ-মারামারি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নাই বললেই চলে। সবমিলিয়ে লাবু চৌধুরী নেতৃত্বে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ আছি এবং শান্তিতে আছি। সংসদ উপ-নেতার রাজনৈতিক প্রতিনিধি শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী বলেন, আমার মা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী সালথা-নগরকান্দা ও কৃষ্ণপুরকে নগরে পরিণত করেছেন। আমার মা’ তার সারাটি জীবন সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য কাজ করে এসেছেন। আমি আমার মায়ের স্বপ্নপূরণের জন্য ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র হাতকে শক্তিশালী করতে সালথা-নগরকান্দা ও কৃষ্ণপুরের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের এক ছাতার নিচে রাখার জন্য তৃণমূল পর্যায় থেকে কাজ করছি। বর্তমানে ফরিদপুর-২, আসনের আওয়ামী লীগ বিগতদিনের চেয়ে এখন অনেক শক্তিশালী। আমি আজীবন নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চাই।

আপনার মতামত দিন

প্রথম পাতা অন্যান্য খবর

কুমিল্লার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দায় এড়াতে পারে না

২৫ অক্টোবর ২০২১

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সমপ্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, কুমিল্লার ঘটনা ...

পায়রা সেতুর উদ্বোধন, ঢাকা-সিলেট ৬ লেন সড়কের ভিত্তিস্থাপন

বাংলাদেশকে আর কেউ পেছনে টানতে পারবে না

২৫ অক্টোবর ২০২১

ডলারের মূল্য ৯০ ছাড়ালো

২৫ অক্টোবর ২০২১

মুহিবুল্লাহ হত্যা, সরাসরি জড়িত আজিজসহ গ্রেপ্তার ৪

কিলিং মিশনে ১৯ জন

২৪ অক্টোবর ২০২১

ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শনে সালমান এফ রহমান

ইলেকট্রনিক পণ্য গার্মেন্ট খাতকে ছাড়িয়ে যাবে

২৪ অক্টোবর ২০২১



প্রথম পাতা সর্বাধিক পঠিত



আলিশা মার্টের অফিসে ভিড়

টাকা-পণ্য কিছুই মিলছে না

DMCA.com Protection Status