রাস্তার মোড়ে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখলো তালেবান

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন (১ মাস আগে) সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১, শনিবার, ৭:৪৮ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ২:৩৫ অপরাহ্ন

এবার মরদেহ রাস্তার মোড়ে ঝুলিয়ে রাখলো তালেবান। শনিবার বার্তা সংস্থা এপি জানায়, আফগানিস্তানের অন্যতম প্রধান শহর হেরাতের প্রধান রাস্তার মোড়ে হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখে সংগঠনটির সদস্যরা। খবরে বলা হয়েছে, তালেবান সদস্যরা হেরাতের প্রধান মোড়ে চারটি মরদেহ নিয়ে আসে। চারটির মধ্যে তিনটি মরদেহ বিভিন্ন মোড়ে মানুষের দেখার জন ঝুলিয়ে রাখে তারা।
সম্প্রতি তালেবানের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম নুরুদ্দিন তুরাবি জানান, আফগানিস্তানে তারা আবারো শিরñেদ ও হাত কাটার মতো আইনগুলো ফিরিয়ে আনবে। তবে আগের বারের মতো এবার সেগুলো প্রকাশ্যে কার্যকর হবে কিনা তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানায়নি সংগঠনটি। তালেবান যদিও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, আগের আমলে তারা যেসব বর্বরতা দেখিয়েছে এবার সেসব বাতিল করা হবে। কিন্তু এভাবে মরদেহ রাস্তায় ঝুলিয়ে রাখা ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Md. Akash Roy Chowhu

২০২১-০৯-২৭ ১১:২৪:০২

je oporadher je sasti, setai howa uchit. Ta na hole oporadh barbe chara R kombe na.

anwar hossain

২০২১-০৯-২৭ ০০:৪৫:১৪

তালেবানের মূল উদ্দেশ্যই হলো দেশে শরীয়া আইন কার্যকর করা। সুতরাং এই জায়গাতে কোন ছাড় নাই। দেশের মানুষকে চুরি, ডাকাতি, ধর্ষণ, পরকীয়, নারী নির্যাতন, দূর্ণীতিসব যাবতীয় অপরাধ থেকে বিরত রাখতে এই আইনের কোন বিকল্প নাই। একজন ধর্ষককে লঘু শাস্তি দিয়ে তাকে আবার ধর্ষণে উৎসাহিত করার কোন মানে হয়না। নারী নির্যাতনের প্রতিবাদ করবেন আবার নির্যাতনকারীকে শাস্তি না দিয়ে নির্যাতনে উৎসাহ দিবেন, তা তো স্ববিরোধী।

Md. Abu Taher

২০২১-০৯-২৬ ১১:৪৭:০৭

তালেবানের মূল উদ্দেশ্যই হলো দেশে শরীয়া আইন কার্যকর করা। সুতরাং এই জায়গাতে কোন ছাড় নাই। দেশের মানুষকে চুরি, ডাকাতি, ধর্ষণ, পরকীয়, নারী নির্যাতন, দূর্ণীতিসব যাবতীয় অপরাধ থেকে বিরত রাখতে এই আইনের কোন বিকল্প নাই। একজন ধর্ষককে লঘু শাস্তি দিয়ে তাকে আবার ধর্ষণে উৎসাহিত করার কোন মানে হয়না। নারী নির্যাতনের প্রতিবাদ করবেন আবার নির্যাতনকারীকে শাস্তি না দিয়ে নির্যাতনে উৎসাহ দিবেন, তা তো স্ববিরোধী।

মোঃ রবিউল্লাহ রবিন

২০২১-০৯-২৬ ০৯:৪৩:৩৯

শরিয়া আইন বাস্তবায়নকে “বর্বরতা” শব্দে সঙ্গায়িত করা উচিত নয়।

Khaja

২০২১-০৯-২৫ ১৫:৪৪:১৫

সৌদি আরবেও শরীয়া আইন চালু আছে। শুক্রবারে জুমার নামাজের পরে তলোয়ার দিয়ে এককোপে মাথা কাটা হয় জনসমক্ষে। এটা নিয়ে পশ্চিমাদের মাথা ব্যাথা নেই কারণ তেলের টাকার আলাদা কদর আছে। তালিবানরা গরীব কিন্তু তাদের কাছে ২০ বছর যুদ্ধ করে হেরে যাওয়ার পর এখন মাথা বিগড়ে গেছে।

Md Abdul Mannan

২০২১-০৯-২৬ ০৪:১৯:০৩

মর দেহটির ছবি কোথায় ? ছবিটা ছাপুন ।

মোঃ খোকন

২০২১-০৯-২৫ ১১:১৭:৪২

জামশেদ পাটোয়ারী, ভাই আপনি ঠিক কথাই বলেছেন, জাজাকাল্লাহ খাইরান

জামশেদ পাটোয়ারী

২০২১-০৯-২৫ ২০:২০:২২

তালেবানের মূল উদ্দেশ্যই হলো দেশে শরীয়া আইন কার্যকর করা। সুতরাং এই জায়গাতে কোন ছাড় নাই। দেশের মানুষকে চুরি, ডাকাতি, ধর্ষণ, পরকীয়, নারী নির্যাতন, দূর্ণীতিসব যাবতীয় অপরাধ থেকে বিরত রাখতে এই আইনের কোন বিকল্প নাই। একজন ধর্ষককে লঘু শাস্তি দিয়ে তাকে আবার ধর্ষণে উৎসাহিত করার কোন মানে হয়না। নারী নির্যাতনের প্রতিবাদ করবেন আবার নির্যাতনকারীকে শাস্তি না দিয়ে নির্যাতনে উৎসাহ দিবেন, তা তো স্ববিরোধী।

আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন অন্যান্য খবর



বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status