মার্কেলের পর

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন (১ মাস আগে) সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১, শুক্রবার, ৯:১৯ পূর্বাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১১:০৩ পূর্বাহ্ন

গত জুনে ১৯৯৭ সালের একটি জার্মান টক-শো’র ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। তাতে দেখা যায়, তৎকালীন জার্মান সরকারের নতুন পরিবেশমন্ত্রী অ্যাঙ্গেলা মার্কেল জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণের কারণ ব্যাখ্যা করছেন। টক-শো’র বাকি প্যানেলিস্টরা মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনছেন। মার্কেল বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিলে চড়া দাম দিতে হবে। সতর্ক করেন, পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে অনাহার, খরা ও শরণার্থীদের ঢল নামবে।
তবে জার্মান চ্যান্সেলর হিসেবে মার্কেলের ১৬ বছরের শাসনামলে উপরোক্ত বক্তব্যের তেমন প্রতিফলন দেখা যায়নি। আগামী ২৬ শে সেপ্টেম্বর শেষ হতে যাচ্ছে দেশটির সরকার প্রধান হিসেবে তার মেয়াদ। একদিকে তিনি বিজ্ঞানী ও রাষ্ট্রনেতা। জটিল বিষয়গুলো বোঝার ও সেগুলোর পরিণতি ব্যাখ্যা করার চমৎকার গুণ রয়েছে তার।
আরেক দিক দিয়ে তিনি দ্বিধাগ্রস্থ রাজনীতিক। নিজের বিশ্লেষণগুলোকে বাস্তব পদক্ষেপে রূপ দিতে হিমশিম খেয়েছেন।
চলতি শতকের এক-চতুর্থাংশ সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। বর্তমানে গড়পড়তায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ)-ভুক্ত অন্যান্য বেশিরভাগ দেশের তুলনায় বেশি কার্বন নির্গমন হয় জার্মানি থেকে। দেশটির উৎপাদিত মোট বিদ্যুতের ৪৪ শতাংশই জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভর।
চ্যান্সেলর হিসেবে নিজের সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলনে মার্কেল স্বীকার করেছেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।
তবে এই প্যাটার্ন এর আগেও দেখা গেছে। ২০০৫ সালে চ্যান্সেলর প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনি প্রচারনায় আমলাতন্ত্র কমিয়ে উদ্ভাবনে জোর দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তার নেতৃত্বাধীন ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ) দলের ইশতেহারে সে প্রতিশ্রুতি এখনো লেগে আছে। মিউনিক সিকিউরিটি কনফারেন্সে তার দ্বৈবার্ষিক বক্তব্যে বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির চিত্তাকর্ষক বর্ণনা উঠে এসেছে। কিন্তু জার্মানির পররাষ্ট্র নীতিমালায় সে অনুপাতে অর্থবহ কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারিতে দৃঢ়, আশ্বস্তকর এক ব্যক্তিত্ব হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চ্যান্সেলর। কিন্তু জার্মানির অঙ্গরাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীদের তার দেখানো পথে নিয়ে আসতে হিমশিম খেয়েছেন তিনি।
মাঝেমাঝে চ্যান্সেলরের চেয়ে রাণির বেশে দেখা গেছে মার্কেলকে। আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা নিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে যাবেন তিনি। তার নেতৃত্বাধীন চারটি জোটের মধ্যে তিনটিই ছিল সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এসপিডি)-র সঙ্গে। ‘গ্র্যান্ড’ এসব জোট তার মধ্যপন্থি নীতিমালার পক্ষে কাজ করলেও, রাজনীতিকে স্তিমিত করেছে। মধ্যমপন্থিতায় তার প্রভাব এতই বেশি ছিল যে, তার সমালোচনা অনেকটা রাণিকে অবজ্ঞা করার সামিল মনে হতো। এর কারণে, রক্ষণশীল দলগুলোয় তার সমালোচনা বাড়ে। ইউরোপে তিনি ছিলেন অপরিহার্য এক নেতা। এর বাইরে, উদারপন্থি মূল্যবোধ রক্ষায় তার শক্ত অবস্থান ও বিনয়ী আচরণ লোকরঞ্জনবাদ ও জাতীয়তাবাদী নেতাদের উত্থানের আমলে ভরসা জুগিয়েছে।
মার্কেলের বিদায়ী মুহূর্তে কেউ কেউ আবার দেশটিতে ‘উয়েচসেলস্টিম্মাং’ (পরিবর্তনের আবহ) ঘটার কথা বলছেন। ২০১৭ সালের নির্বাচন থেকে গ্রিন পার্টি’র উত্থান এমন আলোচনাকে জোরালো করে তুলেছে। দলটি জার্মানির সরকারি ঋণ নীতিমালা পাল্টাতে চায়, পররাষ্ট্র নীতিমালায় পরিবর্তন চায়। বার্টেলসমান ফাউন্ডেশনের গত মে’তে করে এক জরিপ অনুসারে, দেশটির দুই-তৃতীয়াংশ ভোটার রাজনৈতিক পরিবর্তনের পক্ষে। প্রায় সমান সংখ্যক ভোটার নতুন সরকারও দেখতে চায়।
সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা রাষ্ট্র ও এর প্রতিষ্ঠানের প্রতি ভোটারদের আস্থা নাড়িয়ে দিয়েছে। এমন একটি বিষয় হচ্ছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলানোয় সরকারের বিশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা। প্রথম ঢেউ সামলানোর সফলতা এতে কিছুটা ম্লান হয়েছে। এরপর পশ্চিম জার্মানিতে এক বন্যায় প্রায় ২০০ মানুষের মৃত্যু। স্থানীয় রাজনীতিকদের অবহেলা ওই পরিস্থিতির অবনমনে ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হয়। আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার নিয়েও অখুশি হয়েছে জনগণ। ১ লাখ ৫০ হাজার জার্মান সেনা ওই দেশটিতে ২০০২ সাল থেকে নিযুক্ত ছিল।
এত সব সত্ত্বেও, জার্মানিতে পরিবর্তন এখনো নিশ্চিত নয়। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের চেয়ে ভালোভাবে করোনা মহামারি সামলিয়েছে দেশটি। মহামারিতে মৃত্যুহার ছিল কম। সরকারের আর্থিক প্রণোদনাও বেশ কার্যকর ছিল, যার কারণে অর্থনৈতিক চাপও কম পড়েছে। ইউরোপে বেশিরভাগ দেশের আগে মহামারির ধাক্কা সামলিয়ে উঠছে জার্মান অর্থনীতি। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি জার্মান জানিয়েছে, তাদের আর্থিক অবস্থা ভালো আছে। বন্যা পরিস্থিতিও বড় কোনো অবনমন ঘটাতে পারেনি। বরং পরিস্থিতি বিবেচনায়, গ্রিন পার্টিসহ কোনো দলই ভবিষ্যতে বেশিদূর আগানোর সম্ভাবনা নেই।
জার্মান কোম্পানিগুলো যেমন ক্রমবর্ধমান উদ্ভাবনে চমৎকার কিন্তু ব্যঘাতমূলক পরিস্থিতিতে হিমশিম খায়। একইভাবে জার্মান জনমতে পরিবর্তনও বেশ ধীরগতির ও তা ধরাও কঠিন। মার্কেল এ কাজটা ভালো পারতেন। তার নীতিমালায় পরিবর্তন সাধারণত সূক্ষ থাকলেও মাঝেমাঝে নিষ্পত্তিমূলক পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি: পারমাণবিক শক্তি, সমকামী বিয়ে ও সম্প্রতি একক ইইউ ঋণ।
মার্কেলের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল ২০১৫-১৬ সালে আশ্রয়প্রার্থী ও অভিবাসন প্রত্যাশীদের জন্য সীমান্ত বন্ধ না করা। এটাও ছিল অপ্রত্যাশিত এক সংকটের মাঝে তড়িঘড়ি করে নেওয়া এক পদক্ষেপ। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই পদক্ষেপে দীর্ঘমেয়াদী কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি। যেমন, তার ওই সিদ্ধান্ত উগ্র ডানপন্থি অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি)-র উত্থানের সুযোগ করে দিয়েছে। অভিবাসন নিয়ে আলোচনা বিষাক্ত করে তুলেছে। দক্ষতা ভিত্তিক শ্রম আইনের বাস্তবায়ন কঠিন করে তুলেছে। পাঁচ বছর পর এখনো বিভক্ত ইইউ তাদের আশ্রয়প্রার্থী বিষয়ক আইন সংস্কার করতে পারেনি। এতে আরেকটি সংকট তৈরি হতে পারে অঞ্চলটিতে।
অজানার ভয়
মার্কেলের বিদায় ঘিরে স্পষ্ট স্নায়ুচাপ বিরাজ করছে জার্মানিতে। যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে এই প্রথমবার দেশটির কোনো ক্ষমতাসীন চ্যান্সেলর নির্বাচনে লড়ছেন না। অস্থিতিশীল নির্বাচনি প্রচারণায় কখনো এগিয়ে ছিল গ্রিন পার্টি, কখনো সিডিইউ, কখনো এসপিডি, আবার কখনো ক্রিশ্চিয়ান সোশ্যাল ইউনিয়ন (সিএসইউ)। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রজাতন্ত্রটির ইতিহাসে প্রথমবার দুই দলীয় জোট সরকার গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে খুব কম নির্বাচনেই পরবর্তী চ্যান্সেলর কে হবে ও কোন জোট হবে তা নিয়ে এত অনিশ্চয়তা দেখা গেছে। এর মানে, হয়তো নির্বাচনের পর জোট গঠন হতে বেশ সময় লাগতে পারে। দলগুলোর মধ্যে আলোচনা দীর্ঘ হতে পারে, অবস্থানগত অমিলের কারণে সিদ্ধান্তগ্রহণ বাধাগ্রস্থ হতে পারে।
ইইউ’র বাকি দেশগুলো মার্কেলের বিদায় নিয়ে আরো শঙ্কিত। সংকটের সময়গুলোয় জোটটির প্রতিক্রিয়া কী হবে তা এতদিন অনেকটা মার্কেলের হাত ধরেই ঠিক হয়েছে। মহাদেশটির একেবারে কেন্দ্রে অবস্থান জার্মানির। মার্কেল দেশটির সরকারকে অভিবক্ত রাখাকে সবসময় অগ্রাধিকার দিয়েছেন। মতের অমিল থাকা সত্ত্বেও গ্রিসের আলেক্সিস সিপ্রাস, হাঙ্গেরির ভিক্টর অরবানের সঙ্গে দরকারি সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।
রাজনৈতিকভাবে, অস্থিতিশীল এক বিশ্বে স্থিতশীলতার এক দ্বীপ হয়ে আছে জার্মানি। আস্ত এক প্রজন্মের জন্য সবচেয়ে উন্মুক্ত এক নির্বাচন চলছে দেশটিতে। কিন্ত এতে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর ভেতরে সামাজিক-বাজার অর্থনীতি বা ইইউ’র প্রতি আনুগত্যের মতো বিষয়ে ভিন্নমত নেই। যদিও অন্যান্য দেশগুলোয় ভিন্ন সব পরিস্থিতি দেখা যায়। ফ্রান্সে আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মারিন ল্য পেনের বিরুদ্ধে জয় প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রনের জন্য কঠিন হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে, ইতালি যুগ যুগ ধরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে রয়েছে। দেশটির ক্ষমতায় আছে লোকরঞ্জনবাদি জোট। আবার পোল্যান্ডে গভীরভাবে বিভক্ত এক দেশ শাসন করে চলেছে এমন এক সরকার যেটির আইনের সুশাসনের তোয়াক্কা করে না।
ইউরোপের প্রায় সব সংকটই নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ রেখে ও পরিবর্তনের সুযোগ না তৈরি করে পার করেছে জার্মানি। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, অতিমাত্রায় খরচবা বাণিজ্য ঘাটতিগুলো বাকিদের সমস্যা। মার্কেলের শাসনামলে প্রবৃদ্ধি ছিল দৃঢ়। চ্যালেঞ্জের মুখে জার্মান প্রতিষ্ঠানগুলো বলিষ্ঠ আচরণ করেছে। এমনকি ২০১৫-১৬’র অভিবাসীদেরও অন্তর্ভুক্তির আশা দেখা যাচ্ছে। আর আধুনিক জার্মানি বরাববরই বিদেশে সামরিক আগ্রাসন থেকে দূরে থেকেছে।
তবে সমালোচকরা মার্কেলকে বেশি কৃতিত্ব দিতে চান না। জার্মান ইন্সটিটিউট ফর ইকোমনিক রিসার্চ (ডিআইডব্লিউ)-এর প্রধান মার্সেল ফ্র্যাটজচার বলেন, জার্মানির অর্থনৈতিক সফলতার পেছনে যতটা না সরকারি নীতিমালার অবদান, তার চেয়ে বেশি ভাগ্যের। পরিস্থিতিই এত অনুকূল ছিল। ২০০১ সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার চীনের উত্থান জার্মান রপ্তানিকারকদের জন্য বিশাল এক বাজার খুলে দেয়। কয়েক বছর পর পূর্বাঞ্চলীয় দেশগুলোতে ইইউ’র প্রবেশ সস্তা মজুর ও বাড়তি সরবরাহ, দক্ষ ও উপযুক্ত বয়সের অভিবাসীদের উৎস তৈরি করে। মার্কেলের পূর্বসূরী গেরহার্ড শ্রডারের বিতর্কিত শ্রম বাজার আইনের সংস্কার বেকারত্ব ঠেকিয়ে রেখেছে। জার্মান বাণিজ্যের সফলতার শর্ত হিসেবে আমেরিকান শক্তি শান্তি ধরে রেখেছে। প্রতিরক্ষা খাতে জার্মানির নিরর্থক ব্যয় নিয়ে ট্রান্সঅ্যাটলান্টিক বিবাদগুলোও তেমন গুরুতর কোনো পরিণতি লাভ করেনি।
কিন্তু শক্ত অর্থনীতি ও ইউরোপে জার্মানির প্রভাব দেশটির অন্ধকার এক দিক আড়াল করে রেখেছে: বাড়তে থাকা নিম্নমজুরি, আর্থিক বৈষম্যতা, জরাজীর্ণ আবাসন খাত ও শিশু দারিদ্রতা। ভুল জ্বালানি নীতিমালার কারনে ইইউ’র মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ বিল দিতে হয় জার্মানদের। ২০০৯ থেকে সরকারি অর্থায়নে কঠোর নীতিমালা বিশাল আর্থিক উদ্বৃত্ত তৈরি করেছে। অন্যদিকে ক্ষয়ে যাচ্ছে সরকারি অবকাঠামোগুলো। করোনা মহামারিতে সরকারি খাতের আরো কিছু দুর্বলতা বেরিয়ে এসেছে। বিশেষত, দেশটির ধীর গতির ‘ডিজিটালাইজেশন’র কারণে। আগামী দশকে দেশটির অর্থনীতির আরো ব্যর্থতা বেরিয়ে আসতে পারে বলে আশঙ্কার কারণ রয়েছে।
শক্ত হাতে সংকট মোকাবিলা করতে পারলেও মার্কেল, দীর্ঘমেয়াদী সমাধান তৈরিতে অতটা সফল হননি। আশ্চর্যজনকভাবে তার চার দফা সরকার পরিচালনায় কখনোই দীর্ঘমেয়াদী কোনো সংস্কারের দেখা মেলেনি।
জার্মান মডেলের দুর্বলতা ধীরে ধীরে বের হয়ে আসছে। বাণিজ্যে নির্ভরতা মানে অবিশ্বায়নের শিকার হওয়া। আমেরিকা ও চীনের মধ্যকার বাড়ন্ত টানাপোড়ন মার্কেলের ‘এনগেজমেন্ট-ফার্স্ট’ নীতিমালার পথে বাঁধা তৈরি করছে। দেশটির শক্তিশালী গাড়ি শিল্প প্রযুক্তিগত বিঘ্নতার সম্মুখীন। দক্ষ কর্মির অভাব চলতি দশকের মাঝামাঝি সময়ে দেশটির জনতাত্ত্বিক সংকটকে আরো ঘনীভূত করে তুলবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে নেয়া নতুন পদক্ষেপগুলো দেশটির নির্মাণ ও জ্বালানি শিল্পগুলোয় ব্যাপক পরিবর্তন আনবে। সম্ভবত, সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, দেশটির রাজনৈতিক শ্রেণি মার্কেলের কাছ থেকে শিখে রেখেছে যে, ভোটারদের বেশি পরিবর্তনের কথা দিয়ে ভয় দেখাতে নেই। এই নীতিমালা দেশটিতে পরিবর্তন কঠিন করে তুলবে।

(দ্য ইকোনমিস্ট থেকে অনূদিত)

আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন অন্যান্য খবর



বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status