অন্যান্য পেশার ন্যায় শিক্ষকতায়ও কিছু অখাদ্য ঢুকে পড়েছে

মোহাম্মদ মজিবুর রহমান

ফেসবুক ডায়েরি ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ১০:১৪ পূর্বাহ্ন

১. উচ্চ শিক্ষা নয়, মৌলিক শিক্ষা অধিকার। তাই গ্রামেগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় নয়, প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা জরুরি।

২. সকলেই শিক্ষক নয়, কেউ কেউ শিক্ষক। শিক্ষকতার চাকুরী করলেই শিক্ষক হওয়া যায় না, শিক্ষক হয়ে ওঠতে হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে বিশ্ববিদ্যালয়, সর্বত্র 'শিক্ষক'দের শিক্ষকতায় নিয়োজিত করা জরুরি।

৩. দু:খজনক হলেও সত্যি, অন্যান্য পেশার ন্যায় শিক্ষকতায়ও কিছু অখাদ্য ঢুকে পড়েছে; এসব অখাদ্যদের জরুরি ভিত্তিতে বিদায় করা দরকার।

৪. বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো অনেক মেধাবী, প্রাজ্ঞ, মানবিক ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন শিক্ষক রয়েছেন; তাঁদের মধ্য হতে সেরাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেয়া উচিৎ।

লেখকঃ সহযোগী অধ্যাপক,
শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
লেখাটি ফেসবুক থেকে নেয়া।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Atik

২০২১-০৯-২২ ১১:০৬:১৭

"শিক্ষকতায়ও কিছু অখাদ্য ঢুকে পড়েছে" ঠিক নয়, ঢুকানে হয়েছে নিয়োগ ও দলীয় বানিজ্যের মাধ্যমে। যারা নিজেরাই পড়তে পারে না, বুঝে না, ক্লাশের ৪০ নাম্বার ছাত্র, তারা কমিটি ও নেতাদের ঘুষ দিয়ে শিক্ষক হয়েছে।

Md. Mahbub Alam

২০২১-০৯-২১ ১৪:৩৮:৫০

আপনার সাথে আমি একমত, যে তিনটি স্থান (বোর্ড , পোর্ট , কোর্ট ) দেশের উন্নায়নে ভূমিকা রাখে বাংলাদেরে ঐ তিনটি স্থানেই বেশী দুর্নীতিগ্রস্থ।

ফজলু

২০২১-০৯-২১ ১২:৩৩:১২

এই অখাদ্য দুর্গন্ধযুক্ত, এটা ভক্ষণযোগ্য অংশটাকেও নষ্ট করে ফেলেছে।

আপনার মতামত দিন

ফেসবুক ডায়েরি অন্যান্য খবর

কি মর্মান্তিক!

৯ জুলাই ২০২১



ফেসবুক ডায়েরি সর্বাধিক পঠিত



পিতার জন্মদিনে মেয়ের আবেগঘন স্ট্যাটাস

‘মির্জা আলমগীরের সারাজীবনের রাজনীতি বৃথা যাবে না’

DMCA.com Protection Status