ব্যতিক্রম ছাড়া কাবুল মিউনিসিপ্যালিটির নারী কর্মীদের ঘরে থাকার নির্দেশ

মানবজমিন ডেস্ক:

বিশ্বজমিন (১ মাস আগে) সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১, রোববার, ৭:৩৫ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১২:৩৪ অপরাহ্ন

ব্যতিক্রম বাদে কাবুল মিউনিসিপ্যালিটির নারী কর্মীদের ঘরে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শুধু যেসব নারীর পদে বিকল্প হিসেবে পুরুষ কর্মী পাওয়া যাচ্ছে না, তারাই অফিস করতে পারবেন। রোববার রাজধানী কাবুলের অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়র এ বিষয়ে এক নির্দেশনা জারি করেছেন। বার্তা সংস্থা এপি এ খবর দিয়েছে। এর ফলে বেশির ভাগ নারীকর্মী কাজে ফিরতে পারবেন না। ক্ষমতায় আসার আগে তালেবানরা নারীদের বিষয়ে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এর মধ্য দিয়ে তারা আরো এক দফা দূরে সরে গেল। সম্প্রতি নতুন তালেবান সরকার বেশ কিছু ডিক্রি জারি করেছে। এতে নারী ও বালিকাদের অধিকারে বিধিনিষেধ রয়েছে।
মাধ্যমিক ও হাই স্কুলের বালকদের স্কুলে যেতে অনুমতি দিয়েছে তালেবানরা। কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রে এখনও এ অনুমোদন মেলেনি। বিশ্ববিদ্যালয় পড়–য়া ছাত্রীদেরকে আলাদা ক্লাসে অথবা পর্দা দিয়ে আলাদা করা ক্লাসে যোগ দেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে। শুক্রবার তারা নারী বিষয়ক মন্ত্রণালয় বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে মন্ত্রণালয়ের বাইরে রোববার কয়েক ডজন নারী বিক্ষোভ করেছেন। জনজীবনে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান সম্বলিত প্লাকার্ড ছিল এ সময় তাদের কাছে। এর একটিতে লেখা ছিল, যে সমাজে নারীরা সক্রিয়া থাকতে পারেন না, সেই সমাজ মৃত। ১০ মিনিটের জন্য স্থায়ী হয় ওই বিক্ষোভ। অল্পক্ষণের মধ্যেই একজন পুরুষের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। এরপরই নারীরা গাড়িতে উঠে স্থান ত্যাগ করেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

ডাঃ মোঃ সিরাজুল ইসলা

২০২১-০৯-২০ ০৩:২৪:১৫

পৃথিবী মধ্যযুুগীয় আমলে ফিরে যেতে পারেনা।

Md. Shamsul alam Sar

২০২১-০৯-২০ ১০:৪৪:২৫

অন্ধকার আরব যুগেও মোল্লারা নারী বিদ্বেষী ছিল, এখনও আছে, আগামীতেও থাকবে, আর এটাই স্বাভাবিক। কেননা ঐ সময়ের বংশধরেরা এখনও বংশ পরংপরায় চলে আসছে। সুযোগ পেলেই নারী জাতিকে বিভিন্ন পন্থায় শিকলবন্দি করে ফেলে।

অলি

২০২১-০৯-১৯ ২০:৫৫:১০

যারা এখানে অমানুষ, মধ্যযুগীয় বলতেছেন তাদের কয়জনের মা সংসার ফেলে চাকুরির ময়দানে দৌড়েছেন? তাদের কয়জন কাজের লোকের হাতে এবিউজ হইছেন?

ABUL

২০২১-০৯-২০ ০৯:২৪:৫৯

Very nice

Adv. N. I. Bhuiyan

২০২১-০৯-১৯ ১০:৫৯:২৯

সংসার এবং সন্তানাদির লালন-পালন দেখাশোনা করা নারীদের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও মহাত্ কাজ এতে একটি দেশ ও জাতির প্রকৃত উন্নতি হয়। পশ্চিমা দেশগুলোতে নারীদেরকে তারা অতিমাত্রায় ঘর থেকে বের করে নির্যাতন এবং নিগ্রহের শিকার হচ্ছে যা তারা কোনোভাবেই বন্ধ করতে পারছে না

Adv. N. I. Bhuiyan

২০২১-০৯-১৯ ১০:৫৮:৫২

সংসার এবং সন্তানাদির লালন-পালন দেখাশোনা করা নারীদের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও মহাত্ কাজ এতে একটি দেশ ও জাতির প্রকৃত উন্নতি হয়। পশ্চিমা দেশগুলোতে নারীদেরকে তারা অতিমাত্রায় ঘর থেকে বের করে নির্যাতন এবং নিগ্রহের শিকার হচ্ছে যা তারা কোনোভাবেই বন্ধ করতে পারছে না

জিয়া

২০২১-০৯-১৯ ১০:২১:০০

এটি সঠিক সিদ্বান্ত।

Ahmed Babla Malak

২০২১-০৯-১৯ ১০:০০:৫৩

তালেবান যে অমানুষের দল, ওরা বলে নারীরা না কি শুধু পুরুষের সঙ্গে শুইবে আর বাচ্চা দিবে, একটু খোঁজ নিয়ে দেখেন এই তালেবান নেতাদের একটা দুটি বউ নয়, এক এক তালেবান নেতাদের 5/6 টি করে বউ। তাদের সরিয়া আইন জারির একটাই কারণ, ওরা বহু বিয়ে করতে পারবে।

sdd

২০২১-০৯-১৯ ২১:১৯:১৮

এই ধরণের একটি বর্বর সরকারের সাথে কাজ করতে যেসব তথাকথিত সভ্য রাষ্ট্র (চীন, রাশিয়া প্রভৃতি, পাকিস্তান-তুরস্ক নেতৃত্বকে আমরা সন্ত্রাসী বলেই জানি, এদের মধ্যে পাকিস্তান এই বর্বরদের গডফাদার) ব্যস্ত হয়ে পড়েছে, তাদের ধিক্কার জানানোর ভাষা জানা নেই।

samsulislam

২০২১-০৯-১৯ ০৮:০০:৫৪

মধ্যযুগীয় বর্বর।

আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন অন্যান্য খবর



বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status