কৃষকের জন্য ৩ হাজার কোটি টাকার নতুন প্রণোদনা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

অনলাইন (১ সপ্তাহ আগে) সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১, মঙ্গলবার, ১১:৪৮ অপরাহ্ন

কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সৃষ্ট আর্থিক সংকট মোকাবিলায় কৃষি খাতের জন্য ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ৪ শতাংশ সরল সুদে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন।

মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সার্কুলারে বলা হয়, এই প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ব্যাংক থেকে ৪ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে পারবে কৃষক। ব্যাংক এই প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে এক শতাংশ হার সুদে তহবিল পাবে। এর সঙ্গে আরও ৩ শতাংশ বাড়তি নিয়ে তারা ঋণ বিতরণ করতে পারবে। ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ এই ঋণের অর্থ পরিশোধ করতে হবে ১৮ মাসের মধ্যে (১২ মাস + গ্রেস পিরিয়ড ৬ মাস)।

এর আগে গত বছরের এপ্রিলে কৃষকদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ চালু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ওই তহবিলের মেয়াদ গত জুনে শেষ হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, আগের গৃহীত বিভিন্ন প্রণোদনামূলক পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় কৃষি খাতের জন্য তিন হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের নাম ‘কৃষি খাতে বিশেষ প্রণোদনামূলক পুনঃঅর্থায়ন স্কিম (দ্বিতীয় পর্যায়)’।

এতে বলা হয়েছে, এ স্কিমের আওতায় গৃহীত ঋণ কোনোভাবেই গ্রাহকের পুরাতন ঋণ সমন্বয়ের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। কোন কৃষক/গ্রাহক যেকোনো ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণখেলাপি হলে তিনি এ স্কিমের আওতায় ঋণ প্রাপ্তির যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।
কৃষক-গ্রাহক পর্যায়ে সুদ-মুনাফা হার হবে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ (সরল হারে)।

ওই সুদ-মুনাফা হার নতুন ও পুরাতন সব গ্রাহকের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। দানা শস্য, অর্থকরী ফসল, শাকসবজি, কন্দাল ফসল, ফল ও ফুল চাষ, মৎস্য চাষ, পোল্ট্রি ও প্রাণিসম্পদ খাত, কৃষি ও সেচ যন্ত্রপাতি, বীজ উৎপাদন খাতসমূহে ঋণ বিতরণ করা যাবে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

শহীদুল আলম

২০২১-০৯-১৫ ১০:০২:২৩

এর সাথে আরো কয়েকগুণ বাড়তি দিলেও কোন লাভ হবে না। প্রণোদনা কারা খায় সেটা দেখার দরকার ছিল। 7 শতাংশ সুদে টাকা নিয়ে মাসে মাসে কিস্তি পরিশোধের সামর্থ কী কৃষিতে বিনিয়োগ করে হবে? সবাই কী শাক চাষ করবে 1 মাস পর কিস্তি দেয়ার জন্য? প্রণোদনা সম্পুর্ন বাদ দিয়ে, প্রদর্শনীও কমিয়ে এনে এবং প্রকল্প কর্মকর্তাদের মনিটরিং, প্রশিক্ষণ সম্মানী এসব বাদ দিয়ে মৌসুম ভিত্তিক কিস্তি পরিশোধে দীর্ঘ মেয়াদী ঋণ প্রদান করা হোক। ব্রি, বিনা, বারি, শেকৃবি, বাকৃবি এগুলোর উদ্বাদিত বীজ, চারা কৃষক পর্যায়ে সহজলভ্য করা প্রয়োজন। প্রয়োজনে সরকারিভাবে সেল্স সেন্টার করা হোক।

মিনার আহমেদ

২০২১-০৯-১৫ ০৭:২৫:১০

কৃষি খাতের জন্য তহবিল একটি চমত্কার উদ্যোগ। কারণ, আমাদের দেশের অধিকাংশ কৃষকের বড় অঙ্কের ব্যাংক ব্যালেন্স নেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, তারা তাদের উৎপাদিত অর্থের জন্য তাদের কৃষি জমির একটি অংশ বিক্রি করে। এছাড়াও, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের কৃষি জমি বাড়ি, বাণিজ্যিক ভবন এবং ফলের বাগানে রূপান্তরিত হচ্ছে। কৃষি জমি বাঁচাতে আমাদের যথেষ্ট উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

Kazi

২০২১-০৯-১৪ ১৮:১২:৪৬

Good initiative, but will farmers get loan without bribe ? If bank grants 2 lacs officers will demand 25 thousands before payment. This practice has become epidemic in Bangladesh

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

শনাক্তের হার ৪.৪১

করোনায় আরো ২১ জনের মৃত্যু

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

আজমপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধ নিহত

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

রাজধানীর উত্তরা আজমপুর এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাতনামা এক বৃদ্ধ (৬৫) নিহত হয়েছে। রবিবার (২৬ ...



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



ই-অরেঞ্জ গ্রাহকদের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ

‘আজকের ভুক্তভোগী, আগামী দিনের অপরাধী’ (ভিডিও)

DMCA.com Protection Status