আফগানিস্তানের ভবিষ্যত নিয়ে পাকিস্তানের সম্পর্ক মূল্যায়ন করবে যুক্তরাষ্ট্র- ব্লিনকেন

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন (১ সপ্তাহ আগে) সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১, মঙ্গলবার, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৪৯ অপরাহ্ন

আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সিদ্ধান্তের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন। সেনা প্রত্যাহারের যে সিদ্ধান্ত উত্তরাধিকারসূত্রে বাইডেন পেয়েছেন তা সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে এসেছে। একই সঙ্গে আফগানিস্তান থেকে যেভাবে এক বিশৃংখল অবস্থার মধ্যে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে, তার পক্ষেও কথা বলেন তিনি। আরও বলেন, আফগানিস্তানের ভবিষ্যতের বিষয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক মূল্যায়ন করবে যুক্তরাষ্ট্র। তার ভাষায়, সামনের সপ্তাহগুলোতে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয় আমলে নেবে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের ভবিষ্যত নিয়ে কি করতে পারে ওয়াশিংটন তা নির্ধারণ করা হবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের সঙ্গে স্বার্থের দ্বন্দ্ব আছে এমন কিছু দেশের সঙ্গে বহুবিধ স্বার্থসংশ্লিষ্ট সম্পর্ক আছে পাকিস্তানের। মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটিতে সোমবার সাক্ষ্য দিচ্ছিলেন ব্লিনকেন।
এ সময় বলেন, এখনও আফগানিস্তানে যে ১০০ বা তার কমবেশি মার্কিনি আছেন, তাদেরকে উদ্ধারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র। তবে এখনও যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক হাজার আফগান মিত্র আছেন। তারা ভিসার জন্য আবেদন করেছেন। কারণ, তালেবানদের পক্ষ থেকে প্রতিশোধ নেয়ার ঝুঁকিতে আছেন তারা। তাদেরকে উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্র সক্ষম হবে কিনা সে বিষয়ে মন্তব্য করেননি ব্লিনকেন। মার্কিন কংগ্রেসে কোনো আগন্তুক নন ব্লিনকেন। তিনি এর আগে তৎকালীন সিনেটর জো বাইডেনের স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সিনেট ফরেন রিলেশন্স কমিটিতে সভাপতিত্ব করেছেন। ফলে তিনি সেখানকার সব নিয়মকানুন পুংখানুপুঙ্খভাবে জানেন। তাই দৃপ্তকণ্ঠে বলে যান, উত্তরাধিকার সূত্রে (আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের জন্য) আমরা একটি ডেডলাইন পেয়েছিলাম। তালেবানদের সঙ্গে ডনাল্ড ট্রাম্প যে চুক্তি করে গিয়েছেন, তা অনুসরণ করতে বাধ্য ছিলেন জো বাইডেন। বাইডেন যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেন তখন আফগানিস্তানে মার্কিন সেনার উপস্থিতি কমিয়ে ২৫০০ করা হয়। ওই চুক্তি সত্ত্বেও তালেবানরা বেপরোয়াভাবে তাদের সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে থাকে। ফলে বাইডেনকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয় এই যুদ্ধ বন্ধের বা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে।
ব্লিনকেন বলেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেন যদি তার উত্তরসুরির প্রতিশ্রুতি অনুসরণ না করতেন তাহলে আফগানিস্তানে আমাদের সেনা ও মিত্রদের ওপর হামলা বৃদ্ধি পেতো। আফগানিস্তানের বড় বড় শহরে তালেবানরা বড় রকমের হামলা চালাতো। এরই মধ্যে ডেমোক্রেটিক নেতৃত্বাধীন কংগ্রেশনাল কমিটি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি তদন্ত করছে।
কমিটিতে আইনপ্রণেতারা জানতে চান, পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন করবে কিনা ওয়াশিংটন। জবাবে ব্লিনকেন বলেন, প্রশাসন শিগগিরই তা করবে। আমরা এ বিষয়টি নিয়েই কয়েক দিনে কাজ করছি। সামনের সপ্তাহগুলোতেও করবো। পাকিস্তান গত ২০ বছরে যে ভূমিকা রেখেছে এবং সামনের সময়ে তারা কি ভূমিকা রাখতে পারে- আমরা সেটা মূল্যায়ন করে দেখছি।

আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন অন্যান্য খবর

কি কথা তার সঙ্গে!

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

মার্কেলের পর

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১



বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত



সরকারি প্রচার মাধ্যমের প্রক্ষেপণ

নির্বাচনে ট্রুডোর দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে

DMCA.com Protection Status