গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনের ফল প্রকাশ

স্টাফ রিপোর্টার

শিক্ষাঙ্গন (১ মাস আগে) আগস্ট ২৫, ২০২১, বুধবার, ১:১৮ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১০:০৬ পূর্বাহ্ন

সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পাবলিক গুচ্ছ ভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ফলাফল মিলবে ভর্তি পরীক্ষার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে।
পরীক্ষার চূড়ান্ত আবেদন শুরু হবে আগামী ১লা সেপ্টেম্বর থেকে। আবেদন চলবে আগামী ৭ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রাথমিক আবেদনে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ১ হাজার ২০০ টাকা ফি জমা দিয়ে চূড়ান্ত আবেদন করতে হবে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

আমেনা

২০২১-০৮-২৭ ০৪:০৮:৪৫

#Boycott_GST_Selectionবলবেন কি- প্রতিবাদের ভাষা আসলে কেমন হওয়া উচিত‼ এবছর প্রকৌশল, কৃষি, তিনটি ডিফেন্স ও স্বায়ত্তশাসিত চারটি বিশ্ববিদ্যালয় বাদে বাকি বিশটি বিশ্ববিদ্যালয় মিলে ‘গুচ্ছ-২০’ শিরোনামে প্রথমবারের মতো একটিমাত্র পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর উদ্যোগ নিয়েছে। বলা হয়েছিল এ সিদ্ধান্তের কারণ হলো: শিক্ষার্থীদের হয়রানি লাঘব ও অর্থের সাশ্রয় করা। সবাই খুশিও হয়েছিল এমন সিদ্ধান্তে। কিন্তু হুট করে মাত্র ক’দিন আগে বলা হলো, আবেদনকারীদের মধ্য থেকে প্রতি বিভাগে (বিজ্ঞান, মানবিক, বাণিজ্য) মাত্র ১ লক্ষ ৫০ হাজার জনকে মেট্রিক ও ইন্টারের জিপিএ এর ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। ১ লক্ষ ৯৫ হাজার জন আবেদনকারীর আজ প্রাথমিক রেজাল্ট দিয়েছে যার মধ্যে ১ লক্ষ ৩১ হাজার জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। দেড় লক্ষের ঘোষণা দেওয়া সত্ত্বেও ১৯ হাজার এক্সট্রা বাদ দেওয়ার বাজে সিদ্ধান্ত মাত্র দুই দিন আগে জানিয়েছে। মানে তাদের মন যখন যা চায়, চাবে তাঁরা সেটাই করবেন!! গুচ্ছ-২০ অন্তর্ভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে গতবছর পর্যন্ত জিপিএ-৬/৭ নিয়ে আবেদন করা গেলেও এবছর তা করা হয়েছে ৯.৫। অর্থাৎ বিজ্ঞান বিভাগ হতে প্রাথমিক আবেদন করার যোগ্যতা অর্জনকারীদের প্রায় ৯.৫ বা তার বেশি পেতে হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগ হতে মোট আবেদনকারীর মধ্যে ৬৫ হাজার জন শিক্ষার্থী এই ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণই করতে পারছে না। এদের মধ্যে অনেকেই ১৯ ব্যাচের আছে, যারা গত দুই বছর যাবত চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। ঢাকা, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগরের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে জিপিএ-৮.৫ দিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা গেলেও এই গুচ্ছ-২০ এ ন্যূনতম ৯.৫ প্রয়োজন হচ্ছে। তাদের এই জিপিএ রিকোয়্যারমেন্ট এটাই প্রমাণ করে তাদের সিলেবাস আর পড়ার মান ঢাবি, চবি, জাবি’র চেয়ে অনেক উন্নত ও অসাধারণ! কিন্তু তারা কবে এত উন্নত ও অসাধারণ হলো সেটা সম্ভবত আমার মতো অন্যরাও জানে না। সবচেয়ে বড়ো কথা, যে ফলাফল দিয়ে এদের বিবেচনা করা হলো সেটা ইন্টারের না বরং জেএসসি এবং মেট্রিকের রেজাল্ট। ওই বয়সে একজন কতোটা বুঝতে শিখে? এই করোনার সময়ে প্লাস যেখানে ইন্টার পরীক্ষাই হয় নি, সেখানে এমন অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নেওয়া কি খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল? উল্লেখ্য মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগে কোনো বাছাই-ই হয় নি কারণ সেখানে এত শিক্ষার্থী আবেদনই করে নি। সোজা সাপ্টায় বললে মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৬.০ পেয়ে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে, যে বিষয়ে পড়ার যোগ্যতা রাখে; বিজ্ঞানের একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৯.৫ পেয়েও সে যোগ্যতা রাখে না‼ কতোটা হাস্যকর ও বাজে হতে পারে এই সিদ্ধান্ত, কেউ ভেবেছি কি? জুনিয়রদের আমরা এই শিক্ষা দিচ্ছি যে, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চাইলে এখন থেকেই বিজ্ঞান বিভাগ বাদ দাও অথবা ডাবল A+ পাও’! অনেকেই বলতে পারে “জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লে সমস্যা কোথায়”? সমস্যা আছে। কারণ সেখানে সরাসরি জিপিএ’র মাধ্যমেই ভর্তি হওয়ায় ৯.৮ পেয়েও অনেকে এলাকার কলেজে অনার্স কোর্সে ভর্তি হতে পারবে না। গুচ্ছ-২০ এর এই সিদ্ধান্ত পরোক্ষভাবে শিক্ষার্থীদের লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে বাধ্য করবে। অনেকেই অটোপাশের বিরোধিতা করায় শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন- "বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে এই অটোপাশ কোনো সমস্যা করবে না"। কোথায় আজ শিক্ষামন্ত্রী? উনি কেন বিষয়টা দেখছেন না? জিপিএ-৯.৫ পেয়েও সেদিন গজিয়ে ওঠা একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ অন্তত ভর্তি পরীক্ষাটা দিতে না পারলে এই রেজাল্ট দিয়ে সে ভবিষ্যতেই বা কি করবে? তোমরা যারা পরীক্ষা দিতে পারছো না তাদের উচিত এই প্রশ্নের উত্তর জানা। নতুবা আজ যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবা বা হয়েছো- তাদের বিসিএস বা সরকারি চাকুরির পরীক্ষার সার্কুলারে বলা হতে পারে, প্রিভিয়াস একাডেমিক রেজাল্টের মাধ্যমে বাছাই করা হবে। তখন কার আর কি করার থাকবে? ২০ ব্যাচের এই শিক্ষার্থীদের যদি ক্লাস এইটে এবং মেট্রিকে জানানো হতো, "তোমাদের এই দুই ফলাফলের মাধ্যমে পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ দেওয়া হবে"; তাহলে এই অনিয়ম অন্তত নিয়ম বলে বিবেচ্য হতো। সেটা করা হয়েছে কি‼ দেশের চার কোটি মানুষ পরীমনির রিসেন্ট হাইপ ভিডিওটা দেখেছে। অথচ এইযে শিক্ষার নামে সবার সাথে একটা তামাশা করা হচ্ছে এসব নিয়ে কেউ কোনো ভ্রূক্ষেপ পর্যন্ত করছে না! লক্ষাধিক আগামী সম্ভাবনাময়সম্পন্ন ভবিষ্যতের ছেলে-মেয়েগুলোর চেয়ে কি পরীমনির এসব নিউজ প্রাধান্য পাওয়ার কথা? অথচ কোনো শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, আলোকিত মানুষ এসব নিয়ে লিখছেন না। কোনো পত্রিকা, শিক্ষাবিদ এসব নিয়ে ভাবছেন না। শিক্ষা নিয়েই যদি না ভাবেন, না বলেন; তাহলে কিসের শিক্ষাবিদ? এই গুচ্ছ নিয়মের স্বপ্নদ্রষ্টা ও উদ্ভাবক ছিলেন স্যার জাফর ইকবাল। আজ উনি কোথায়? যিনি এই নিয়মের এত এত সম্ভাবনা দেখেছেন, সেই নিয়মে পতনপ্রায় লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর কান্না ওনার কানে কেন পৌঁছাচ্ছে না? উল্লেখ্য বিজ্ঞান বিভাগ হতে জিপিএ-৮.৫ এর কম পাওয়া কোনো শিক্ষার্থী এবছর কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন-ই করতে পারে নাই। অর্থাৎ তাদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্নকে অনেক আগেই দাফন করা হয়েছে। গরুর গোবরও পচে জৈব সার হয়। আমাদের দেশে ওপরে বসে যারা নিয়ম প্রসব করে, তাদের ব্রেইন খাওয়া পোকাটার হরমোনের ন্যূনতম ওইটুক গুনও নাই।

Kazi Abul Bashar

২০২১-০৮-২৫ ০৮:৫২:৩৮

গুচ্ছ করে কি লাভ হল। গতবার কৃষি গুচ্ছে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও সিলেট কৃষি ৭.০ ও ৬.৫ পরীক্ষা নিত, গুচ্ছ হওয়ায় ৯.০ হয়ে গেল। এবার জাবি ও সকল বিশ গুচ্ছ হয়ে একই কাহিনী। বিজ্ঞানে এবার বাদ ৫০০০০ বা তার বেশী। কেউ সেকেন্ড টাইমারদের কথা ভাবেনি। খবর নেন গতবার কৃষিতে কত আসন খালি ছিল। করোনা কালে এ হাল। ঘরে ঘরে বেকার। সন্তানদের নিয়ে কোথায় যাই?

আপনার মতামত দিন

শিক্ষাঙ্গন অন্যান্য খবর

টিকা নিতে গিয়ে সংঘর্ষ, ৪ ছাত্রলীগ কর্মী বহিষ্কার

২৫ অক্টোবর ২০২১

 রাজধানীর মহাখালী শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে করোনা ভাইরাসের টিকা নিতে গিয়ে মারামারির ঘটনায় সরকারি ...

থাক‌ছে না বি‌শেষ বিবেচনায় মাস্টা‌র্সে ভ‌র্তি

অ‌ক্টোব‌রে শুরু হচ্ছে সাত ক‌লে‌জের সশরী‌রে ক্লাস

১৭ অক্টোবর ২০২১



শিক্ষাঙ্গন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status