করোনায় আরও ২১২ জনের মৃত্যু,শনাক্ত ১৩,৮৬২

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (১ মাস আগে) জুলাই ৩০, ২০২১, শুক্রবার, ৬:০২ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৫১ পূর্বাহ্ন

দেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২০ হাজার ৪৬৭ জনে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৮৬২ জন। সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত ১২ লাখ ৪০ হাজার ১১৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৯৭৫ জন এবং এখন পর্যন্ত  ১০ লাখ ৬৪ হাজার ১৯৫ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে আরও জানানো হয়, ৬৪৮টি পরীক্ষাগারে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮ হাজার ৫৬৮টি নমুনা সংগ্রহ এবং ৪৫ হাজার ৪৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৭৭ লাখ ৯  হাজার ৯১৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচানয় গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৮১ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ।
এদিকে বিভাগ ভিত্তিক শনাক্তের হার বিশ্লেষণে দেখা যায়, একদিনে দেশের মোট শনাক্তের ৩৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ রোগী রয়েছেন ঢাকা বিভাগে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ৬৫ জন। শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৫৯ জন। এই বিভাগে শনাক্তের হার ২৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ। ঢাকা জেলায় (মহানগরসহ) শনাক্তের হার ২৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ। মারা গেছে ৩৭ জন।
ময়মনসিংহ বিভাগে মারা গেছেন ৮ জন। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৭০৪ জন। শনাক্তের হার ২৭ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। চট্টগ্রামে মারা গেছেন ৫৩ জন। এ বিভাগে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ২১ জন। শনাক্তের হার ৩৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। রাজশাহীতে মারা গেছেন ১৩ জন। শনাক্ত হয়েছে ৭৯১ জন। শনাক্তের  হার ২৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। রংপুর বিভাগে মারা গেছেন ৯ জন। শনাক্তের সংখ্যা ৯৫৪ জন। শনাক্তের হার ২৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ। খুলনা বিভাগে মারা গেছেন ৩৬ জন। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৭৯৩ জন। শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৫১ শতাংশ। বরিশাল বিভাগে মারা গেছেন ১১ জন। শনাক্তের সংখ্যা ৭৩৮ জন। শনাক্তের হার ৩৯ দশমিক ৪০ শতাংশ। একই সময়ে সিলেট বিভাগে মারা গেছেন ১৭ জন। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৮০২ জন। শনাক্তের হার  ৪৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ১১৯ জন পুরুষ এবং নারী ৯৩ জন। এখন পর্যন্ত পুরুষ ১৩ হাজার ৮৬৯ জন এবং নারী মৃত্যুবরণ করেছেন ৬ হাজার ৫৯৮ জন।
বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায় যায়, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩২ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৬৯ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৮ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৫ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৫ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৫ জন এবং ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ১ জন মারা গেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন ১৫৪ জন, বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৪৮ জন, বাসায় মারা গেছেন ৯ জন এবং হাসপাতালে আনার পথে মারা গেছেন ১ জন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৭-৩০ ১৮:৩৩:২০

বাংলাদেশ একটি পঙ্গু জাতি উপহার পেতে যাচ্ছে? একটি টকশো'তে দেখলাম ডাঃ রেদওয়নুর রহমান নামে একজন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বললেন "সব মানুষ ইনফেক্টেড হয়ে যাক তাতে হার্ডইমিউনিটি অর্জিত হয়ে যাবে"। উনি হয়তো সরকারের কোন স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পারেন। উনি হয়তো সরকারের মনের কথাই বলে দিয়েছেন। উনার কথা যদি সরকারের মনের কথাই হয়ে থাকে তবে ধরে নেয়া যায় বাংলাদেশ একটি পঙ্গু জাতি উপহার পেতে যাচ্ছে। কারন ইতিপূর্বে বৈজ্ঞানিকগণ গভেষনা করে দেখেছেন করনাক্রান্ত ব্যক্তি করনা নেগেটিভ হওয়া সত্ত্বেও লং কভিডে তার ১০-১২টির সমস্যার (যেমনঃ কিডনি, লিভার সহ বিভিন্ন অর্গান ড্যামেজ,, , মানসিক ইত্যাদি.... ইত্যাদি রোগ) যেকোন ২/১টি সমস্যা হতে পারে। এতে করে জাতির বড় ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং একটি পঙ্গু জাতি উপহার পাবারও আশঙ্কা রয়েছে। তাই প্রাকৃতিক উপায়ে হার্ডইমিউনিটি অর্জনের আশা না করে জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানানোর উপর জোর দেয়া জরূরী। অন্ততপক্ষে সঠিক নিয়মে সকল মানুষকে যে কোন মূল্যে বাধ্যতামূলকভাবে নিয়মিত মাস্ক পরিধানের (সঠিক নিয়মে) আওতায় আনতে হবে।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৭-৩০ ১৮:২৩:০২

আমাদের সরকারের পুলিশ প্রশাসনকে বিএনপি সহ বিরোধী যে কোন দলের কর্মসূচীতে যেরকম কঠোর হতে দেখা যায় স্বাস্থ্যবিধি অমান্যকারীদের বিরুদ্দে সেইরকম কোন কঠোরতা লক্ষ্য করা যায় না। তাহলে কি ধরে নেয়া যায় স্বাস্থ্যবিধি অমান্যকারীরা দেশের বন্ধু ??? স্বাস্থ্যবিধি অমান্যকারীদের থেকে খয়রাতি ধরনের জরিমানা অর্থাত ৫০, ১০০, ২০০ টাকা আদায় এবং গ্রেফতারের পর ছেড়ে দিলে তারা আরও আশকারা পেয়ে মশকারা শুর করে দেয়। আসলে করনায় সফলতা নির্ভর করছে সরকারী প্রশাসনের কঠোরতার উপর এবং জনপ্রতিনিধি, আলেম-অলামা, মসজিদের ইমাম, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সম্পৃক্ততার উপর। কোথাও কোন প্রচারণা দেখছি না। করনা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সরকার যেমন ব্যর্থ তেমনি বিরোধী দলের ভূমিকাও প্রশ্ন বিদ্ধ !

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৭-৩০ ১৮:১৩:৫০

অজ্ঞ ও মুর্খ্যরা বিশ্বাসই করেনা যে দেশে করনা বলতে কিছু আছে। তারা এখনো মনে করে , করনা বড় লোকের রোগ, , করনা শহরের রোগ, , করনা গরীব বা গ্রামের মানুষকে কিছুই করতে পারবে না, , বস্তির মানুষের মধ্যে করনা রোগী পাওয়া যায় নাই,, মসজিদ-মাদ্রাসায় করনা প্রবেশ করতে পারে না, , মুসলিম দেশে করনা কিছুই করতে পারবে না ইত্যাদি.......... ইত্যাদি। এক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি, আলেম-ওলামা, মসজিদের ইমাম, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতা বৃদ্দি করা জরূরী। বাস্তব সত্যটি হল করনায় এখন গ্রামের অনেক গরীব মানুষ মারা যাচ্ছে। করনায়0 মুসলিম মারা যাচ্ছেন। করনায় মসজিদের ইমাম, মুসল্লি মারা যাচ্ছে। করনায় আমার জানামতে আমার বাসার পাশের একটি মসজিদ কমিটির ২ জন সভাপতি মারা গিয়েছেন। বস্তিতে করনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে বস্তিতে করনা সনাক্তের হার ৭০%। অর্থাৎ করনা ধনী-গরীব, নামাজি-বেনামাজি কাহাকেও ছাড় দেয় না। আসুন সবাই মিলে মাস্ক পরি লকডাউনকে বিদায় করি। বৈজ্ঞনিকগন গভেষনা করে দেখেছেন মাস্ক পরার (সঠিক নিয়মে) মাধ্যমে ৭০%-৮০% সংক্রমণ কমানো সম্ভব (ইনশাআল্লাহ্‌)।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

করোনায় আরও ৪৩ জনের মৃত্যু

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status